ঢাকা ১১:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রথম শ্রেণিতে কোনো ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে না জামালপুরে এপির উদ্যোগে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ পালিত জীবিত অবস্থায় নিজের চল্লিশার খাবার খাওয়ালেন আব্দুস সামাদ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী মুর্শিদাবাদে তরুণীর অভিযোগ : গ্রেপ্তার জামালপুরের যুবক জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস : বিএনপিনেতা ফিরোজ মিয়ার উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস : জামালপুরে ১১ দলের গণমিছিল জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস : জামালপুরে বিজয় মিছিল সমাবেশ হাসিনাবিরোধী আন্দোলনে এক ছিলাম, এখনও এক থাকতে হবে : শামীম তালুকদার

জামালপুর মুক্তি সংগ্রাম যাদুঘর হতে পারে শিক্ষার্থীদের বড় পাঠশালা : জেলা প্রশাসক

জামালপুর মুক্তি সংগ্রাম যাদুঘর পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুর মুক্তি সংগ্রাম যাদুঘর পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের নিভৃত এক গ্রামে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ভাষা আন্দোলন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণ করে দেশপ্রেমের উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে জামালপুর মুক্তিসংগ্রাম যাদুঘর। প্রতিটি ছাত্র, ছাত্রী এই যাদুঘরে এসে ইতিহাস পাঠ করা উচিৎ। তারা মুক্তিযুদ্ধ তথা বাঙ্গালী জাতির শ্বাশত সংগ্রামের ইতিহাস জানতে পারবে। জামালপুর মুক্তিসংগ্রাম যাদুঘর হতে পারে শিক্ষার্থীদের জন্য বড় একটি পাঠশালা। আমি জামালপুরে পাঁচ শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে লিখিতভাবে ছাত্র, ছাত্রীদের এখানে আসার আহ্বান জানাবো। জামালপুর মুক্তিসংগ্রাম যাদুঘর পরিদর্শনে এসে কথাগুলো বলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক।

৬ নভেম্বর সকাল সাড়ে ১১টায় মুক্তিসংগ্রাম যাদুঘর ও গান্ধি আশ্রম পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামিম আল ইয়ামিন, উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক ও সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন জামালপুর জেলা শাখার সভাপতি জাহাঙ্গীর সেলিম, যাদুঘরের ট্রাস্টি হামিদুল হক দোদুল, চপল সরকার, কল্লোল সরকার, হিল্লোল সরকার, বিশিষ্ট সমাজকর্মী আবু বক্কর সিদ্দিকী, উন্নয়ন সংঘের উপজেলা ব্যবস্থাপক আরজু মিয়া প্রমুখ।

জামালপুর মুক্তি সংগ্রাম যাদুঘর পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক যাদুঘরের উন্নয়ন, রাস্তা সংস্কারসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় উন্নয়নে সরকারিভাবে সহয়তার আশ্বাস দেন। তিনি যাদুঘর, গান্ধি আশ্রম, পাঠাগার, পানির ফোয়ারা এবং নির্মাণাধীন ভবনের কাজ পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

পরে কাপাসহাটিয়া কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শন করেন। সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত সিএইচসিপি ও সিজি সদস্যদের সিসির কার্যক্রম উন্নয়নে বেশকিছু পরামর্শ দেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী

জামালপুর মুক্তি সংগ্রাম যাদুঘর হতে পারে শিক্ষার্থীদের বড় পাঠশালা : জেলা প্রশাসক

আপডেট সময় ০৭:৩৬:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ নভেম্বর ২০১৯
জামালপুর মুক্তি সংগ্রাম যাদুঘর পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের নিভৃত এক গ্রামে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ভাষা আন্দোলন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণ করে দেশপ্রেমের উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে জামালপুর মুক্তিসংগ্রাম যাদুঘর। প্রতিটি ছাত্র, ছাত্রী এই যাদুঘরে এসে ইতিহাস পাঠ করা উচিৎ। তারা মুক্তিযুদ্ধ তথা বাঙ্গালী জাতির শ্বাশত সংগ্রামের ইতিহাস জানতে পারবে। জামালপুর মুক্তিসংগ্রাম যাদুঘর হতে পারে শিক্ষার্থীদের জন্য বড় একটি পাঠশালা। আমি জামালপুরে পাঁচ শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে লিখিতভাবে ছাত্র, ছাত্রীদের এখানে আসার আহ্বান জানাবো। জামালপুর মুক্তিসংগ্রাম যাদুঘর পরিদর্শনে এসে কথাগুলো বলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক।

৬ নভেম্বর সকাল সাড়ে ১১টায় মুক্তিসংগ্রাম যাদুঘর ও গান্ধি আশ্রম পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামিম আল ইয়ামিন, উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক ও সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন জামালপুর জেলা শাখার সভাপতি জাহাঙ্গীর সেলিম, যাদুঘরের ট্রাস্টি হামিদুল হক দোদুল, চপল সরকার, কল্লোল সরকার, হিল্লোল সরকার, বিশিষ্ট সমাজকর্মী আবু বক্কর সিদ্দিকী, উন্নয়ন সংঘের উপজেলা ব্যবস্থাপক আরজু মিয়া প্রমুখ।

জামালপুর মুক্তি সংগ্রাম যাদুঘর পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক যাদুঘরের উন্নয়ন, রাস্তা সংস্কারসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় উন্নয়নে সরকারিভাবে সহয়তার আশ্বাস দেন। তিনি যাদুঘর, গান্ধি আশ্রম, পাঠাগার, পানির ফোয়ারা এবং নির্মাণাধীন ভবনের কাজ পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

পরে কাপাসহাটিয়া কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শন করেন। সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত সিএইচসিপি ও সিজি সদস্যদের সিসির কার্যক্রম উন্নয়নে বেশকিছু পরামর্শ দেন।