ঢাকা ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিডি ক্লিন প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ জামানত ছাড়াই ৫ কোটি টাকা ঋণ পাবে তরুণ উদ্যোক্তারা : প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এগিয়ে ইংল্যান্ড জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের কার্যক্রমকে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হেফাজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ যুবদলনেতা সোহেল রানা খানের উদ্যােগে খাল পরিষ্কার অভিযান শুরু পলাশতলায় পানিবন্দি ২০০ পরিবার পেল বিএনপির খাদ্য সহায়তা দেওয়ানগঞ্জ থানার ওসি আনোয়ার হলেন জেলায় শ্রেষ্ঠ সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা গভীর : প্রধানমন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি থাকলে পরীক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে: আন্তঃশিক্ষা বোর্ড

জামালপুরে কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা

জামালপুরে কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে অবহিতকরণ সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে অবহিতকরণ সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠিডটকম

‘পেটের কৃমি পুষ্টি লুটে ওষুধ খেলে মুক্তি জোটে’ এই প্রতিপাদ্যের আলোকে আগামী ১ থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে জামালপুরে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ২৯ সেপ্টেম্বর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাক্তার নজরুল ইসলাম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক।

সিভিল সার্জন চিকিৎসক গৌতম রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অবহিতকরণ সভায় অন্যান্যের মাঝে আলোচনায় অংশ নেন জামালপুর পৌরসভার মেয়র মির্জা সাখাওয়াতুল আলম মনি, সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নবীর উদ্দিন, সহকারী জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মনিরা মোস্তারি ইভা, উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম, জেলা ব্র্যাক প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম, জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক খলিলুর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা স্বাস্থ্য ও শিক্ষা কর্মকর্তা আনিছুর রহমান।

সভায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক বলেন, বর্তমান শিশুরাই ২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে বড় হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবেন। তাই এদের সুস্থ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। কৃমির মতো রক্তচোষা কীট নির্মূল করতে হলে কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ সফলভাবে পালনের পাশাপাশি সারা বছর ধরে কাজ করতে হবে। তিনি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দেন।

আলোচকগণ কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ সফল করতে মাইকে প্রচার, প্রচারপত্র বিতরণ, মসজিদে প্রচার, ক্ষুদে ডাক্তারসহ শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, বেসরকারি সংস্থা, গণমাধ্যম এবং অন্যান্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিডি ক্লিন প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

জামালপুরে কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা

আপডেট সময় ০৭:৪৬:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯
জামালপুরে কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে অবহিতকরণ সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠিডটকম

‘পেটের কৃমি পুষ্টি লুটে ওষুধ খেলে মুক্তি জোটে’ এই প্রতিপাদ্যের আলোকে আগামী ১ থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে জামালপুরে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ২৯ সেপ্টেম্বর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাক্তার নজরুল ইসলাম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক।

সিভিল সার্জন চিকিৎসক গৌতম রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অবহিতকরণ সভায় অন্যান্যের মাঝে আলোচনায় অংশ নেন জামালপুর পৌরসভার মেয়র মির্জা সাখাওয়াতুল আলম মনি, সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নবীর উদ্দিন, সহকারী জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মনিরা মোস্তারি ইভা, উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম, জেলা ব্র্যাক প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম, জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক খলিলুর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা স্বাস্থ্য ও শিক্ষা কর্মকর্তা আনিছুর রহমান।

সভায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক বলেন, বর্তমান শিশুরাই ২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে বড় হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবেন। তাই এদের সুস্থ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। কৃমির মতো রক্তচোষা কীট নির্মূল করতে হলে কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ সফলভাবে পালনের পাশাপাশি সারা বছর ধরে কাজ করতে হবে। তিনি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দেন।

আলোচকগণ কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ সফল করতে মাইকে প্রচার, প্রচারপত্র বিতরণ, মসজিদে প্রচার, ক্ষুদে ডাক্তারসহ শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, বেসরকারি সংস্থা, গণমাধ্যম এবং অন্যান্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।