ঢাকা ০২:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী জামালপুরে সিডসের শিখন বিনিময় সফরে এসে সন্তুষ্ট কারিতাস দল কড়ি কাইট্টা উদ্ধারকারী সেই স্কুলছাত্রী রিশাকে পুরস্কৃত করলেন শেরপুর জেলা প্রশাসক কানাডার সঙ্গে ‘শিগগিরই’ বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হবে : ট্রাম্প আল আকাবা সমিতিতে আমানতকৃত অর্থ উদ্ধারে গ্রাহকদের ৫ দফা দাবিতে মানববন্ধন যমুনা সার কারখানার ইউরিয়া সার উৎপাদন ২৫ অক্টোবর থেকে বন্ধ হয়ে গেছে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর হাম এলার্মিং! জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল সেবা কার্যক্রম নিয়ে একটি পর্যালোচনা বাংলাদেশে ৬৩৫ কোটি ডলারের বেসরকারি বিনিয়োগের উদ্যোগ জাপানের চার দিনের সরকারি সফরে আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

জামালপুরে কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা

জামালপুরে কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে অবহিতকরণ সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে অবহিতকরণ সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠিডটকম

‘পেটের কৃমি পুষ্টি লুটে ওষুধ খেলে মুক্তি জোটে’ এই প্রতিপাদ্যের আলোকে আগামী ১ থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে জামালপুরে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ২৯ সেপ্টেম্বর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাক্তার নজরুল ইসলাম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক।

সিভিল সার্জন চিকিৎসক গৌতম রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অবহিতকরণ সভায় অন্যান্যের মাঝে আলোচনায় অংশ নেন জামালপুর পৌরসভার মেয়র মির্জা সাখাওয়াতুল আলম মনি, সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নবীর উদ্দিন, সহকারী জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মনিরা মোস্তারি ইভা, উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম, জেলা ব্র্যাক প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম, জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক খলিলুর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা স্বাস্থ্য ও শিক্ষা কর্মকর্তা আনিছুর রহমান।

সভায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক বলেন, বর্তমান শিশুরাই ২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে বড় হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবেন। তাই এদের সুস্থ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। কৃমির মতো রক্তচোষা কীট নির্মূল করতে হলে কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ সফলভাবে পালনের পাশাপাশি সারা বছর ধরে কাজ করতে হবে। তিনি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দেন।

আলোচকগণ কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ সফল করতে মাইকে প্রচার, প্রচারপত্র বিতরণ, মসজিদে প্রচার, ক্ষুদে ডাক্তারসহ শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, বেসরকারি সংস্থা, গণমাধ্যম এবং অন্যান্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী

জামালপুরে কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে অবহিতকরণ সভা

আপডেট সময় ০৭:৪৬:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯
জামালপুরে কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে অবহিতকরণ সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠিডটকম

‘পেটের কৃমি পুষ্টি লুটে ওষুধ খেলে মুক্তি জোটে’ এই প্রতিপাদ্যের আলোকে আগামী ১ থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ উপলক্ষে জামালপুরে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ২৯ সেপ্টেম্বর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাক্তার নজরুল ইসলাম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক।

সিভিল সার্জন চিকিৎসক গৌতম রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অবহিতকরণ সভায় অন্যান্যের মাঝে আলোচনায় অংশ নেন জামালপুর পৌরসভার মেয়র মির্জা সাখাওয়াতুল আলম মনি, সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নবীর উদ্দিন, সহকারী জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মনিরা মোস্তারি ইভা, উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম, জেলা ব্র্যাক প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম, জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক খলিলুর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা স্বাস্থ্য ও শিক্ষা কর্মকর্তা আনিছুর রহমান।

সভায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক বলেন, বর্তমান শিশুরাই ২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে বড় হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবেন। তাই এদের সুস্থ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। কৃমির মতো রক্তচোষা কীট নির্মূল করতে হলে কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ সফলভাবে পালনের পাশাপাশি সারা বছর ধরে কাজ করতে হবে। তিনি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দেন।

আলোচকগণ কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ সফল করতে মাইকে প্রচার, প্রচারপত্র বিতরণ, মসজিদে প্রচার, ক্ষুদে ডাক্তারসহ শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, বেসরকারি সংস্থা, গণমাধ্যম এবং অন্যান্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।