ঢাকা ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভিউ প্রতিযোগিতার নামে অপসাংবাদিকতা বন্ধের আহ্বান আতিকুর রহমান রুমনের মূলধারার গণমাধ্যমের পেশা চর্চায় অনৈতিক বাধা মোকাবিলায় ‘জিরো টলারেন্স’ : তথ্যমন্ত্রী মাদারগঞ্জে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী : জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির উদ্যােগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী রামিসা হত্যাকাণ্ডে আদালতে সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করা হবে: আইনমন্ত্রী সন্ত্রাসমুক্ত হবে জঙ্গল সলিমপুর, এখনই কাউকে উচ্ছেদ করা হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিঞ্জিরাম নদে শিশু নিখোঁজ ব্রহ্মপুত্র নদে নিখোঁজ স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার নরুন্দিতে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

আজব এক ব্যক্তি কাঁচা মাছ, মাংস ও লতাপাতা খেয়ে স্বাভাবিক চলে

কাঁচা মাছ খাচ্ছেন মুক্তা। ছবি: লেখক

কাঁচা মাছ খাচ্ছেন মুক্তা। ছবি: লেখক

নজরুল ইসলাম তোফা:
জীবনে চলার পথে বহু রকম মানুষের সাথে মানুষকে মিশতে হয়, চলতে হয়। প্রতিটি মানুষই তার স্বভাব কিংবা চারিত্রিক দিকে সম্পূর্ণ আলাদা ও স্বকীয়। সকলের নিজস্ব চিন্তাধারা, বিশ্বাস, মতামতও বিভিন্ন রকম। কিন্তু, সকলের মাঝেই এমনকিছু বিশেষ স্বভাবের এক একটি মানুষকে লক্ষ্য করবেন, যাদের মূল লক্ষ্য এবং কাজ হলো সবসময়েই অন্যকে খুশি কিংবা অন্যের মতামত ও চিন্তাকে প্রাধান্য দেওয়া।

সুতরাং অন্যদেরকে খুশি করানো কিংবা অন্যের মতামতকেই প্রাধান্য দেওয়াটা হলো খুবই ভালো একটি চারিত্রিক গুণ। সকল মানুষই সুখ কিংবা আনন্দ কামনা করে সব সময়ে। আর আনন্দ বা সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিধানের জন্য তারাই সর্বদা সচেষ্ট থাকে। ব্যক্তিগত সুখলিপ্সা ও আনন্দ পূর্ণ করার জন্যে যেখানে সেখানেই খোঁজে বেড়ায়। সুতরাং যেমনি একজন ব্যক্তির দেখাও মিলেছে, অন্যকে সামান্য হলেও আনন্দ দান করেন। তবে- তাঁর সে আনন্দ প্রদানের যে মাধ্যম তা সরাসরি উপভোগ না করলে যেন একটু অবিশ্বাস হতে পারে। যাক- আসল কথায় আসি, তিনি মাছ, মাংস, লতাপাতা খেতে পারেন। তবে তাতো সকলেই খেতে পারেন এমন কথাই বলবেন। কিন্তু তিনি একেবারে সদ্য কাঁচা কাঁচা সব মাছ, মাংস এবং লতাপাতা খেতে পারেন।

তিনি হলেন, রাজশাহী সদরের সবার সু-পরিচিত ব্যক্তি মুক্তা। তাঁর একটি দোকানও আছে বর্ণালী মোড়ে। এই ধরণের মানুষগুলো সবসময় চান বা চেষ্টা করেন যেন তার আশেপাশের সকলেই যেন সবসময় খুশি থাকে। তিনি বলেছেন, বিস্ময়বোধ কিংবা কৌতূহলবিহীন মন যেন- মানুষের নির্জীব মন, আসাঢ়-মৃতের মতোই নিস্পৃহ এবং নিস্পন্দ। মনের সজীবতা ছাড়া কোনোকিছু করাটাও যেন সম্ভব নয়। আর মনকে সজীব ও সতেজ রাখতে হলেই বিস্ময়বোধ বা কৌতূহলী আচরণের মানুষ থাকতে হবে।

এ সমাজে প্রায় সবাই প্রশংসা শুনতে ভালবাসে, সে ক্ষেত্রে তিনিও তার ব্যতিক্রম নন। তিনি- তার কর্মের পাশা পাশি সব সময়েই যেন অন্যকে খুশি রাখার প্রচেষ্টায় মগ্ন থাকে। তাঁর ব্যতিক্রমী চিন্তা- চেতনার এমন সৃষ্টিশীল কর্মকান্ডে সত্যিই অবাক করার মতো। আসলে কি করে মানুষ এমন কাঁচা মাছ মাংস এবং লতাপাতা খেতে পাবে। এক্ষেত্রে এই ব্যপারটি একে বারেই ভিন্ন বলেই মনে করি। শুধুমাত্র প্রশংসা শুনেই তিনি তুষ্ট, সবসময়ে যেন সকলের কাছ থেকেই প্রশংসা খুঁজে বেড়ান এবং এর স্থায়িত্বও চান। নিজের প্রতি বিশ্বাস বা আস্থা এতোই বেশি যে, তিনি একদিন না একদিন সমগ্র বাংলাদেশের মানুষদেরকে তাঁর এই আনন্দটাকে তুলে ধরতে পারবেন। তিনি আশা পোষণ করেন, বাংলাদেশ টেলিভিশনের পাশা পাশি বেসরকারি টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ একদিন এগিয়ে আসবে।

সর্বশেষে তিনি বলেছেন, এমন কাঁচা মাছ, মাংস ও লতাপাতা খেয়ে কখনো কোনো সমস্যা হয়নি। বরং- শরীরটা নাকি মজবুত হয়। আর এই উদ্ভট কর্মে মানুষের সাথেই সম্পর্কটা গভীর হয়। তিনি আরও বলেছেনে যে, অন্যের খুশি এবং অখুশির ব্যাপার গুলো বুঝেই যদি তাদের মনের মধ্যে খুব বেশী পরিমাণ আনন্দ দেওয়ার উদ্দেশ্য থাকে তা হলে এই কাজটি করতে ইচ্ছে জাগ্রত হবে। রাগ, জেদ, মনঃকষ্ট কিংবা হতাশা তাঁর নেই। জীবনের এই মাঝামাঝি বয়সে এসেও যেন তিনি সবাইকে আপন মনে করে সবার সঙ্গে মিলেমিশে থাকেন।

আপলোডকারীর তথ্য

ভিউ প্রতিযোগিতার নামে অপসাংবাদিকতা বন্ধের আহ্বান আতিকুর রহমান রুমনের

আজব এক ব্যক্তি কাঁচা মাছ, মাংস ও লতাপাতা খেয়ে স্বাভাবিক চলে

আপডেট সময় ০৭:৪৬:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯
কাঁচা মাছ খাচ্ছেন মুক্তা। ছবি: লেখক

নজরুল ইসলাম তোফা:
জীবনে চলার পথে বহু রকম মানুষের সাথে মানুষকে মিশতে হয়, চলতে হয়। প্রতিটি মানুষই তার স্বভাব কিংবা চারিত্রিক দিকে সম্পূর্ণ আলাদা ও স্বকীয়। সকলের নিজস্ব চিন্তাধারা, বিশ্বাস, মতামতও বিভিন্ন রকম। কিন্তু, সকলের মাঝেই এমনকিছু বিশেষ স্বভাবের এক একটি মানুষকে লক্ষ্য করবেন, যাদের মূল লক্ষ্য এবং কাজ হলো সবসময়েই অন্যকে খুশি কিংবা অন্যের মতামত ও চিন্তাকে প্রাধান্য দেওয়া।

সুতরাং অন্যদেরকে খুশি করানো কিংবা অন্যের মতামতকেই প্রাধান্য দেওয়াটা হলো খুবই ভালো একটি চারিত্রিক গুণ। সকল মানুষই সুখ কিংবা আনন্দ কামনা করে সব সময়ে। আর আনন্দ বা সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিধানের জন্য তারাই সর্বদা সচেষ্ট থাকে। ব্যক্তিগত সুখলিপ্সা ও আনন্দ পূর্ণ করার জন্যে যেখানে সেখানেই খোঁজে বেড়ায়। সুতরাং যেমনি একজন ব্যক্তির দেখাও মিলেছে, অন্যকে সামান্য হলেও আনন্দ দান করেন। তবে- তাঁর সে আনন্দ প্রদানের যে মাধ্যম তা সরাসরি উপভোগ না করলে যেন একটু অবিশ্বাস হতে পারে। যাক- আসল কথায় আসি, তিনি মাছ, মাংস, লতাপাতা খেতে পারেন। তবে তাতো সকলেই খেতে পারেন এমন কথাই বলবেন। কিন্তু তিনি একেবারে সদ্য কাঁচা কাঁচা সব মাছ, মাংস এবং লতাপাতা খেতে পারেন।

তিনি হলেন, রাজশাহী সদরের সবার সু-পরিচিত ব্যক্তি মুক্তা। তাঁর একটি দোকানও আছে বর্ণালী মোড়ে। এই ধরণের মানুষগুলো সবসময় চান বা চেষ্টা করেন যেন তার আশেপাশের সকলেই যেন সবসময় খুশি থাকে। তিনি বলেছেন, বিস্ময়বোধ কিংবা কৌতূহলবিহীন মন যেন- মানুষের নির্জীব মন, আসাঢ়-মৃতের মতোই নিস্পৃহ এবং নিস্পন্দ। মনের সজীবতা ছাড়া কোনোকিছু করাটাও যেন সম্ভব নয়। আর মনকে সজীব ও সতেজ রাখতে হলেই বিস্ময়বোধ বা কৌতূহলী আচরণের মানুষ থাকতে হবে।

এ সমাজে প্রায় সবাই প্রশংসা শুনতে ভালবাসে, সে ক্ষেত্রে তিনিও তার ব্যতিক্রম নন। তিনি- তার কর্মের পাশা পাশি সব সময়েই যেন অন্যকে খুশি রাখার প্রচেষ্টায় মগ্ন থাকে। তাঁর ব্যতিক্রমী চিন্তা- চেতনার এমন সৃষ্টিশীল কর্মকান্ডে সত্যিই অবাক করার মতো। আসলে কি করে মানুষ এমন কাঁচা মাছ মাংস এবং লতাপাতা খেতে পাবে। এক্ষেত্রে এই ব্যপারটি একে বারেই ভিন্ন বলেই মনে করি। শুধুমাত্র প্রশংসা শুনেই তিনি তুষ্ট, সবসময়ে যেন সকলের কাছ থেকেই প্রশংসা খুঁজে বেড়ান এবং এর স্থায়িত্বও চান। নিজের প্রতি বিশ্বাস বা আস্থা এতোই বেশি যে, তিনি একদিন না একদিন সমগ্র বাংলাদেশের মানুষদেরকে তাঁর এই আনন্দটাকে তুলে ধরতে পারবেন। তিনি আশা পোষণ করেন, বাংলাদেশ টেলিভিশনের পাশা পাশি বেসরকারি টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ একদিন এগিয়ে আসবে।

সর্বশেষে তিনি বলেছেন, এমন কাঁচা মাছ, মাংস ও লতাপাতা খেয়ে কখনো কোনো সমস্যা হয়নি। বরং- শরীরটা নাকি মজবুত হয়। আর এই উদ্ভট কর্মে মানুষের সাথেই সম্পর্কটা গভীর হয়। তিনি আরও বলেছেনে যে, অন্যের খুশি এবং অখুশির ব্যাপার গুলো বুঝেই যদি তাদের মনের মধ্যে খুব বেশী পরিমাণ আনন্দ দেওয়ার উদ্দেশ্য থাকে তা হলে এই কাজটি করতে ইচ্ছে জাগ্রত হবে। রাগ, জেদ, মনঃকষ্ট কিংবা হতাশা তাঁর নেই। জীবনের এই মাঝামাঝি বয়সে এসেও যেন তিনি সবাইকে আপন মনে করে সবার সঙ্গে মিলেমিশে থাকেন।