ঢাকা ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালপুরে তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস পালিত মানিক সওদাগর বললেন ‘ওটা ছিল ‘স্লিপ অব টাং’ জামালপুরে হচ্ছে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে সরকার সর্বোচ্চ পৃষ্ঠপোষকতা দেবে : উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় সরকার হস্তক্ষেপ করে না : তথ্য প্রতিমন্ত্রী ধূমকেতু রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা : একটি ঐতিহাসিক বয়ান দেওয়ানগঞ্জে ভারতীয় মদসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার চক্রান্ত চলছে : সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল মাদারগঞ্জে ১০৭৫ মিটার নিষিদ্ধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস জামালপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন

সাংবাদিক মো. শাহ আলমগীরের দাফন সম্পন্ন

বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক : প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) মহাপরিচালক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মো. শাহ আলমগীরের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি আসরের পর জানাজা শেষে উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

সাংবাদিক মো. শাহ আলমগীর ২৮ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা ১০ মিনিটে রাজধানী ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচে) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তার বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। একুশে ফেব্রুয়ারি রাতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। ২২ ফেব্রুয়ারি তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়েসহ আত্মীয়স্বজন এবং গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

সাংবাদিক শাহ আলমগীরের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ পৃথক শোক প্রকাশ করেছেন।

পারিবারিকভাবে জানা গেছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে প্রয়াতের মরদেহ তার পৈত্রিক বাড়ি গোড়ানে নেয়া হয়। পূর্ব গোড়ান মক্কা জামে মসজিদে তার প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর আড়াইটায় প্রয়াতের মরদেহ তার কর্মস্থল প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি) নেয়া হয়। সেখানে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা কর্মচারিরা প্রয়াতের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। বিকাল তিনটায় জাতীয় প্রেসক্লাবে তার মরদেহ নেয়া হয় ।

প্রেসক্লাবে জানাজা এবং মোনাজাত শেষে বিকালে শাহ আলমগীরের মরদেহ উত্তরা তার নিজ বাসভবনে নেয়া হয়। আসরের পর উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরে বায়তুল নূর মসজিদে জানাজা শেষে উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

শাহ আলমগীর ২০১৩ সালের ৭ জুলাই পিআইবির মহাপরিচালক হিসেবে যোগ দেন। সরকার ২০১৮ সালের জুলাই মাসে তার চাকরির মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ায়।

উপমহাদেশের প্রথম শিশু-কিশোর পত্রিকা সাপ্তাহিক কিশোর বাংলা পত্রিকায় যোগ দেয়ার মাধ্যমে তিনি সাংবাদিকতা শুরু করেন। এখানে তিনি ১৯৮০ সাল থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত সহ-সম্পাদক হিসেবে কাজ করেছেন। এরপর তিনি কাজ করেন দৈনিক জনতা, বাংলার বাণী, আজাদ ও সংবাদ-এ। তিনি প্রথম আলোর যুগ্ম বার্তা-সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি চ্যানেল আইয়ের প্রধান বার্তা সম্পাদক, একুশে টেলিভিশনে হেড অব নিউজ, যমুনা টেলিভিশনে পরিচালক (বার্তা) এবং মাছরাঙা টেলিভিশনে বার্তা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

শাহ আলমগীর ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।
সূত্র : বাসস

আপলোডকারীর তথ্য

জামালপুরে তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস পালিত

সাংবাদিক মো. শাহ আলমগীরের দাফন সম্পন্ন

আপডেট সময় ১১:১৬:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক : প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) মহাপরিচালক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মো. শাহ আলমগীরের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি আসরের পর জানাজা শেষে উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

সাংবাদিক মো. শাহ আলমগীর ২৮ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা ১০ মিনিটে রাজধানী ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচে) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তার বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। একুশে ফেব্রুয়ারি রাতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। ২২ ফেব্রুয়ারি তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়েসহ আত্মীয়স্বজন এবং গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

সাংবাদিক শাহ আলমগীরের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ পৃথক শোক প্রকাশ করেছেন।

পারিবারিকভাবে জানা গেছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে প্রয়াতের মরদেহ তার পৈত্রিক বাড়ি গোড়ানে নেয়া হয়। পূর্ব গোড়ান মক্কা জামে মসজিদে তার প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর আড়াইটায় প্রয়াতের মরদেহ তার কর্মস্থল প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি) নেয়া হয়। সেখানে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা কর্মচারিরা প্রয়াতের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। বিকাল তিনটায় জাতীয় প্রেসক্লাবে তার মরদেহ নেয়া হয় ।

প্রেসক্লাবে জানাজা এবং মোনাজাত শেষে বিকালে শাহ আলমগীরের মরদেহ উত্তরা তার নিজ বাসভবনে নেয়া হয়। আসরের পর উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরে বায়তুল নূর মসজিদে জানাজা শেষে উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

শাহ আলমগীর ২০১৩ সালের ৭ জুলাই পিআইবির মহাপরিচালক হিসেবে যোগ দেন। সরকার ২০১৮ সালের জুলাই মাসে তার চাকরির মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ায়।

উপমহাদেশের প্রথম শিশু-কিশোর পত্রিকা সাপ্তাহিক কিশোর বাংলা পত্রিকায় যোগ দেয়ার মাধ্যমে তিনি সাংবাদিকতা শুরু করেন। এখানে তিনি ১৯৮০ সাল থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত সহ-সম্পাদক হিসেবে কাজ করেছেন। এরপর তিনি কাজ করেন দৈনিক জনতা, বাংলার বাণী, আজাদ ও সংবাদ-এ। তিনি প্রথম আলোর যুগ্ম বার্তা-সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি চ্যানেল আইয়ের প্রধান বার্তা সম্পাদক, একুশে টেলিভিশনে হেড অব নিউজ, যমুনা টেলিভিশনে পরিচালক (বার্তা) এবং মাছরাঙা টেলিভিশনে বার্তা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

শাহ আলমগীর ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।
সূত্র : বাসস