ঢাকা ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কন্যাশিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক জনতার হাতে আটক যোগিরঘোপায় পানিবন্দি ২০০ পরিবার পেল বিএনপির ত্রাণ সহায়তা শেরপুরে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের কৃষি উপকরণ বিতরণ দেওয়ানগঞ্জে সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিডি ক্লিন প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ জামানত ছাড়াই ৫ কোটি টাকা ঋণ পাবে তরুণ উদ্যোক্তারা : প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এগিয়ে ইংল্যান্ড জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের কার্যক্রমকে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হেফাজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ

সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন

বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক॥
আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এবং জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। ৬ জানুয়ারি আছরের পর রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

বিকেল চারটা ৩৫ মিনিটে আশরাফের মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স বনানী কবরস্থানে গিয়ে পৌঁছায়। দুপুর থেকেই নেতাকর্মীরা তাদের প্রিয় নেতা সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে চিরবিদাই জানাতে উপস্থিত হন বনানী কবরস্থানে।

এর আগে সকালে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাবৃন্দ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, সর্বস্তরের নাগরিক, রাজনৈতিক সহকর্মী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দসহ বিপুলসংখ্যক শুভাকাঙ্খী ও গুণগ্রাহীরা শরিক হন।

নামাজে জানাজা শেষে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের কফিন জাতীয় পতাকা দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয় এবং ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

প্রথমে মরহুমের কফিনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। এ ছাড়াও তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দলের পক্ষে দলীয় নেতৃবৃন্দকে নিয়ে আরেকবার শ্রদ্ধা জানান।

এরপর জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া, ১৪ দলের পক্ষে মুখপাত্র স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এবং জাতীয় পার্টি, জাসদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষে মরহুমের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এর আগে মরহুমের কর্মময় জীবন নিয়ে আলোকপাত করেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ এবং পরিবারের পক্ষে তার ছোট ভাই ড. সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম। এ সময় মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনায় মোনাজাত করা হয়।

নামাজে জানাজা শেষে তাকে হেলিকপ্টারে কিশোরগঞ্জে নেয়া হয়। মরহুমের দ্বিতীয় নামাজে জানাজা কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান এবং তৃতীয় নামাজে জানাজা ময়মনসিংহের আঞ্জুমান ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়।

শনিবার সন্ধ্যা ছয়টার পর থাইল্যান্ড থেকে সৈয়দ আশরাফের মরদেহ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনা হয়। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ বিমান বন্দরে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে আশরাফের মরদেহ গ্রহণ করেন।

সন্ধ্যা সাতটায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে রাজধানীর ২১, বেইলি রোডে সৈয়দ আশরাফের সরকারি বাসভবনে নেয়া হয়।

৩ জানুয়ারি রাতে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সৈয়দ আশরাফ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। তিনি এক কন্যাসহ রাজনৈতিক সহকর্মী, বহু আত্মীয়-স্বজন, গুণগ্রাহী এবং নেতা-কর্মী রেখে গেছেন।
সূত্র : বাসস

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন

আপডেট সময় ০৭:১১:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ জানুয়ারী ২০১৯

বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক॥
আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এবং জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। ৬ জানুয়ারি আছরের পর রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

বিকেল চারটা ৩৫ মিনিটে আশরাফের মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স বনানী কবরস্থানে গিয়ে পৌঁছায়। দুপুর থেকেই নেতাকর্মীরা তাদের প্রিয় নেতা সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে চিরবিদাই জানাতে উপস্থিত হন বনানী কবরস্থানে।

এর আগে সকালে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাবৃন্দ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, সর্বস্তরের নাগরিক, রাজনৈতিক সহকর্মী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দসহ বিপুলসংখ্যক শুভাকাঙ্খী ও গুণগ্রাহীরা শরিক হন।

নামাজে জানাজা শেষে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের কফিন জাতীয় পতাকা দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয় এবং ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

প্রথমে মরহুমের কফিনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। এ ছাড়াও তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দলের পক্ষে দলীয় নেতৃবৃন্দকে নিয়ে আরেকবার শ্রদ্ধা জানান।

এরপর জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া, ১৪ দলের পক্ষে মুখপাত্র স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এবং জাতীয় পার্টি, জাসদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষে মরহুমের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এর আগে মরহুমের কর্মময় জীবন নিয়ে আলোকপাত করেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ এবং পরিবারের পক্ষে তার ছোট ভাই ড. সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম। এ সময় মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনায় মোনাজাত করা হয়।

নামাজে জানাজা শেষে তাকে হেলিকপ্টারে কিশোরগঞ্জে নেয়া হয়। মরহুমের দ্বিতীয় নামাজে জানাজা কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান এবং তৃতীয় নামাজে জানাজা ময়মনসিংহের আঞ্জুমান ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়।

শনিবার সন্ধ্যা ছয়টার পর থাইল্যান্ড থেকে সৈয়দ আশরাফের মরদেহ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনা হয়। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ বিমান বন্দরে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে আশরাফের মরদেহ গ্রহণ করেন।

সন্ধ্যা সাতটায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে রাজধানীর ২১, বেইলি রোডে সৈয়দ আশরাফের সরকারি বাসভবনে নেয়া হয়।

৩ জানুয়ারি রাতে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সৈয়দ আশরাফ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। তিনি এক কন্যাসহ রাজনৈতিক সহকর্মী, বহু আত্মীয়-স্বজন, গুণগ্রাহী এবং নেতা-কর্মী রেখে গেছেন।
সূত্র : বাসস