ঢাকা ০৭:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাঁশচড়ায় শিশু ধর্ষণের চেষ্টায় ইমাম গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর॥
জামালপুর সদর উপজেলার বাঁশচড়া ইউনিয়নে দরিদ্র পরিবারের ছয় বছরের এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মসজিদের ইমাম মো. জুলহাস উদ্দিনকে (৫৮) হাতেনাতে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় জনতা। ১৭ জুলাই বিকেলে স্থানীয় গোপালপুর বাজার এলাকায় ওই ইমামের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ১৮ জুলাই সকালে জামালপুর সদর থানায় মামলা দায়ের করে আসামি মো. জুলহাস উদ্দিনকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ১৯ জুলাই জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নির্যাতিত শিশুটির বয়স নির্ধারণী পরীক্ষা করানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জানা গেছে, শিশুটি সদর উপজেলার বাঁশচড়া ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রামে তার নানির বাড়িতে থেকে স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়তো। তাদের বাড়ির কাছাকাছি গোপালপুর বাজার এলাকার মসজিদের ইমাম মো. জুলহাস উদ্দিন ১৭ জুলাই বিকেল চারটার দিকে ফুসলিয়ে শিশুটিকে তার বাড়িতে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় শিশুটির পরিবারের লোকজন স্থানীয়দের সহায়তায় ওই বাড়িতে হানা দিয়ে মো. জুলহাস উদ্দিনকে হাতেনাতে আটক করে স্থানীয় নরুন্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে খবর দেয়। পরে পুলিশ তাকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করে।

এ ঘটনায় ১৮ জুলাই সকালে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ইমাম মো. জুলহাস উদ্দিনকে আসামি করে ২০০৩ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(৪)খ ধারায় জামালপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠিয়েছে।

মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা নরুন্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শফিকুল আলম এ প্রসঙ্গে বাংলার চিঠি ডটকমকে বলেন, ১৯ জুলাই জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নির্যাতিত শিশুটির বয়স নির্ধারণী পরীক্ষা করানো হবে। আসামি মো. জুলহাস উদ্দিনকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাঁশচড়ায় শিশু ধর্ষণের চেষ্টায় ইমাম গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০১:৩৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুলাই ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর॥
জামালপুর সদর উপজেলার বাঁশচড়া ইউনিয়নে দরিদ্র পরিবারের ছয় বছরের এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মসজিদের ইমাম মো. জুলহাস উদ্দিনকে (৫৮) হাতেনাতে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় জনতা। ১৭ জুলাই বিকেলে স্থানীয় গোপালপুর বাজার এলাকায় ওই ইমামের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ১৮ জুলাই সকালে জামালপুর সদর থানায় মামলা দায়ের করে আসামি মো. জুলহাস উদ্দিনকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ১৯ জুলাই জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নির্যাতিত শিশুটির বয়স নির্ধারণী পরীক্ষা করানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জানা গেছে, শিশুটি সদর উপজেলার বাঁশচড়া ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রামে তার নানির বাড়িতে থেকে স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়তো। তাদের বাড়ির কাছাকাছি গোপালপুর বাজার এলাকার মসজিদের ইমাম মো. জুলহাস উদ্দিন ১৭ জুলাই বিকেল চারটার দিকে ফুসলিয়ে শিশুটিকে তার বাড়িতে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় শিশুটির পরিবারের লোকজন স্থানীয়দের সহায়তায় ওই বাড়িতে হানা দিয়ে মো. জুলহাস উদ্দিনকে হাতেনাতে আটক করে স্থানীয় নরুন্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে খবর দেয়। পরে পুলিশ তাকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করে।

এ ঘটনায় ১৮ জুলাই সকালে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ইমাম মো. জুলহাস উদ্দিনকে আসামি করে ২০০৩ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(৪)খ ধারায় জামালপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠিয়েছে।

মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা নরুন্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শফিকুল আলম এ প্রসঙ্গে বাংলার চিঠি ডটকমকে বলেন, ১৯ জুলাই জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নির্যাতিত শিশুটির বয়স নির্ধারণী পরীক্ষা করানো হবে। আসামি মো. জুলহাস উদ্দিনকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।