ঢাকা ০৮:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কন্যাশিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক জনতার হাতে আটক যোগিরঘোপায় পানিবন্দি ২০০ পরিবার পেল বিএনপির ত্রাণ সহায়তা শেরপুরে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের কৃষি উপকরণ বিতরণ দেওয়ানগঞ্জে সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিডি ক্লিন প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ জামানত ছাড়াই ৫ কোটি টাকা ঋণ পাবে তরুণ উদ্যোক্তারা : প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এগিয়ে ইংল্যান্ড জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের কার্যক্রমকে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হেফাজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ

পাট রক্ষায় বাধ্যতামূলক প্যাকেজিং আইন বাস্তবায়নের আহবান পাটমন্ত্রীর

বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক : বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, বীর প্রতীক পাট রক্ষায় বাধ্যতামূলক প্যাকেজিং আইন বাস্তবায়নের আহবান জানিয়েছেন।

৫ মার্চ বিকেলে রাজধানীর মতিঝিলে অবস্থিত বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনে (বিজেএমসি) জাতীয় পাট দিবস- ২০১৯ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত ‘বিশ্ব বাজারে পাট ও পাটজাত পণ্যের বিপণনে চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক এক সেমিনারে মন্ত্রী প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

দস্তগীর গাজী বলেন, ‘পাট শিল্প রক্ষায় সারাদেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার গতি দ্রুত বাড়ানো হবে। বাধ্যতামূলক প্যাকেজিং আইন শতভাগ বাস্তবায়ন করতে হবে। আমরা যদি বাধ্যতামূলকভাবে পাট পণ্যের ব্যবহার বাস্তবায়ন করতে না পারি তাহলে পাট শিল্প রক্ষা করা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। এজন্য এখন থেকে নিয়মিত পাট রক্ষায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।’

পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) পরিচালক ড. খন্দকার মোয়াজ্জেম হোসেন।

অনুষ্ঠানে বিজেএমসির চেয়ারম্যান শাহ মোহাম্মদ নাছিম, বিজেএমএ ও বিজেজিএ প্রতিনিধিসহ পাট সংশ্লিষ্ট অংশীজনেরা উপস্থিত ছিলেন।

গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, বিশ্ব বাজারে পাটের বাজার নিম্নমুখি হওয়ার কারণে পাটশিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার কারণে পাটের সম্ভাবনা অনেকাংশে নষ্ট হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে বিশ্ব এখন প্লাস্টিক পণ্যকে বর্জন করতে শুরু করেছে। আর সেজন্য আমরা এখন পাটের সুদিন নিয়ে আশাবাদী। আমাদেরকে এখন পাটের সম্ভাবনার বিষয়গুলোকে নিয়ে কাজ করতে হবে। খুব দ্রুত এগিয়ে যেতে হবে। সরকারি ও বেসরকারিভাবে পাটকে এগিয়ে নিতে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

পাটমন্ত্রী বলেন, পাটের বহুমুখি ব্যবহার বাড়াতে বেশি বেশি মেলার আয়োজন করতে হবে। দেশের বিভিন্ন জেলায় পাটের স্টল খুলতে হবে। তাহলে অভ্যন্তরীণ বাজারে পাটের পণ্য কেনার আগ্রহ বাড়বে।

এর আগে মন্ত্রী ‘জাতীয় পাট দিবস-২০১৯’ উপলক্ষে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন। শোভাযাত্রাটি জাতীয় সংসদ ভবন সংলগ্ন মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে শুরু হয়ে খামারবাড়ি মোড় ঘুরে এসে শেষ হয়। বস্ত্র ও পাট শিল্প মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মিজানুর রহমানসহ কমর্কতাবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র : বাসস

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

পাট রক্ষায় বাধ্যতামূলক প্যাকেজিং আইন বাস্তবায়নের আহবান পাটমন্ত্রীর

আপডেট সময় ১০:০০:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০১৯

বাংলারচিঠি ডটকম ডেস্ক : বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, বীর প্রতীক পাট রক্ষায় বাধ্যতামূলক প্যাকেজিং আইন বাস্তবায়নের আহবান জানিয়েছেন।

৫ মার্চ বিকেলে রাজধানীর মতিঝিলে অবস্থিত বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনে (বিজেএমসি) জাতীয় পাট দিবস- ২০১৯ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত ‘বিশ্ব বাজারে পাট ও পাটজাত পণ্যের বিপণনে চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক এক সেমিনারে মন্ত্রী প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

দস্তগীর গাজী বলেন, ‘পাট শিল্প রক্ষায় সারাদেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার গতি দ্রুত বাড়ানো হবে। বাধ্যতামূলক প্যাকেজিং আইন শতভাগ বাস্তবায়ন করতে হবে। আমরা যদি বাধ্যতামূলকভাবে পাট পণ্যের ব্যবহার বাস্তবায়ন করতে না পারি তাহলে পাট শিল্প রক্ষা করা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। এজন্য এখন থেকে নিয়মিত পাট রক্ষায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।’

পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) পরিচালক ড. খন্দকার মোয়াজ্জেম হোসেন।

অনুষ্ঠানে বিজেএমসির চেয়ারম্যান শাহ মোহাম্মদ নাছিম, বিজেএমএ ও বিজেজিএ প্রতিনিধিসহ পাট সংশ্লিষ্ট অংশীজনেরা উপস্থিত ছিলেন।

গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, বিশ্ব বাজারে পাটের বাজার নিম্নমুখি হওয়ার কারণে পাটশিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার কারণে পাটের সম্ভাবনা অনেকাংশে নষ্ট হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে বিশ্ব এখন প্লাস্টিক পণ্যকে বর্জন করতে শুরু করেছে। আর সেজন্য আমরা এখন পাটের সুদিন নিয়ে আশাবাদী। আমাদেরকে এখন পাটের সম্ভাবনার বিষয়গুলোকে নিয়ে কাজ করতে হবে। খুব দ্রুত এগিয়ে যেতে হবে। সরকারি ও বেসরকারিভাবে পাটকে এগিয়ে নিতে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

পাটমন্ত্রী বলেন, পাটের বহুমুখি ব্যবহার বাড়াতে বেশি বেশি মেলার আয়োজন করতে হবে। দেশের বিভিন্ন জেলায় পাটের স্টল খুলতে হবে। তাহলে অভ্যন্তরীণ বাজারে পাটের পণ্য কেনার আগ্রহ বাড়বে।

এর আগে মন্ত্রী ‘জাতীয় পাট দিবস-২০১৯’ উপলক্ষে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন। শোভাযাত্রাটি জাতীয় সংসদ ভবন সংলগ্ন মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে শুরু হয়ে খামারবাড়ি মোড় ঘুরে এসে শেষ হয়। বস্ত্র ও পাট শিল্প মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মিজানুর রহমানসহ কমর্কতাবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র : বাসস