ঢাকা ০৮:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার : আইনমন্ত্রী স্বাধীনতা পুরস্কার হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী ২৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রতারক কন্টেন্ট ক্রিয়েটর মনির গ্রেপ্তার মুন মেমোরিয়ালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা বকশীগঞ্জের কৃষকেরা বিনামূল্যে পেল বীজ সার গণপরিবহনে যাত্রীবান্ধব সেবার দাবিতে সনাকের মানববন্ধন শেরপুরে ১ লাখ ৬১ হাজার শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হবে টাইমের ২০২৬ সালের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় তারেক রহমান আগামী দুই মাসেও জ্বালানি তেলের সমস্যা হবে না : জ্বালানি মুখপাত্র

মাছের সঙ্গে এ কেমন শত্রুতা!

ছামিদুল ইসলাম ১৬ নভেম্বর ভোরে খাবার দিতে গিয়ে দেখেন পুকুরে মরা মাছ ভেসে আছে। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরের নকলায় পুকুরে বিষাক্ত জাতীয় দ্রব্য প্রয়োগ করে মো. ছামিদুল ইসলাম নামে এক মৎস্য চাষীর প্রায় ৫ মণ মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। এতে ওই চাষীর প্রায় ৪০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। ১৫ নভেম্বর শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার টালকী ইউনিয়নের পশ্চিম টালকী এলাকার একটি পুকুরে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় স্থানীয় শহিদুল ইসলাম, শবদুল ইসলাম, আবজাল হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জনকে অভিযুক্ত করে নকলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার টালকী ইউনিয়নের পশ্চিম টালকী গ্রামে ছামিদুল ইসলাম ২০ শতাংশের একটি পুকুরে দীর্ঘদিন থেকে দেশীয় জাতের মাছ চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। ১৫ নভেম্বর রাতে পুকুরে মাছের খাবার দিয়ে চলে আসে। ১৬ নভেম্বর শনিবার ভোরে পুকুরে মাছের খাবার দিতে গিয়ে দেখেন পুকুরের সমস্ত মাছ মরে পানির উপর ভেসে আছে। পরে স্থানীয় শহিদুল ইসলাম, শবদুল ইসলাম, আবজাল হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

ছামিদুল ইসলাম ১৬ নভেম্বর ভোরে খাবার দিতে গিয়ে দেখেন পুকুরে মরা মাছ ভেসে আছে। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

মৎস্য চাষী ছামিদুল ইসলাম বলেন, শহিদুল ইসলাম, শবদুল ইসলাম ও আবজাল হোসেনদের ১৪ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে আমার পুকুর পাড় দিয়ে হাটাহাটি করতে দেখা গেছে। তাছাড়া তাদের সাথে জমিজমা নিয়েও দীর্ঘদীন যাবৎ বিরোধ চলে আসছে। সেই শত্রুতার জেরে বিষাক্ত জাতীয় দ্রব্য প্রয়োগ করে আমার পুকুরের সব মাছ মেরে ৪০ হাজার টাকার ক্ষতি স্বাধন করেছেন। তাই আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি। এর উপযুক্ত বিচার চাই।

শহিদুল ইসলাম, শবদুল ইসলাম ও আবজাল হোসেন বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণভাবে মিথ্যা। আমরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই। শত্রুতা বশত আমাদের কথা বলতেছেন। এটা হলো ঘৃণ্যতম কাজ। যেই ঘটিয়ে থাকুক এমন ঘটনার আমরাও তার বিচার চাই। পুলিশ তদন্ত করে বের করুক এর পিছনে কে আছে।

নকলা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে একটা লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী

মাছের সঙ্গে এ কেমন শত্রুতা!

আপডেট সময় ০৪:৫২:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৪

শেরপুরের নকলায় পুকুরে বিষাক্ত জাতীয় দ্রব্য প্রয়োগ করে মো. ছামিদুল ইসলাম নামে এক মৎস্য চাষীর প্রায় ৫ মণ মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। এতে ওই চাষীর প্রায় ৪০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। ১৫ নভেম্বর শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার টালকী ইউনিয়নের পশ্চিম টালকী এলাকার একটি পুকুরে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় স্থানীয় শহিদুল ইসলাম, শবদুল ইসলাম, আবজাল হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জনকে অভিযুক্ত করে নকলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার টালকী ইউনিয়নের পশ্চিম টালকী গ্রামে ছামিদুল ইসলাম ২০ শতাংশের একটি পুকুরে দীর্ঘদিন থেকে দেশীয় জাতের মাছ চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। ১৫ নভেম্বর রাতে পুকুরে মাছের খাবার দিয়ে চলে আসে। ১৬ নভেম্বর শনিবার ভোরে পুকুরে মাছের খাবার দিতে গিয়ে দেখেন পুকুরের সমস্ত মাছ মরে পানির উপর ভেসে আছে। পরে স্থানীয় শহিদুল ইসলাম, শবদুল ইসলাম, আবজাল হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

ছামিদুল ইসলাম ১৬ নভেম্বর ভোরে খাবার দিতে গিয়ে দেখেন পুকুরে মরা মাছ ভেসে আছে। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

মৎস্য চাষী ছামিদুল ইসলাম বলেন, শহিদুল ইসলাম, শবদুল ইসলাম ও আবজাল হোসেনদের ১৪ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে আমার পুকুর পাড় দিয়ে হাটাহাটি করতে দেখা গেছে। তাছাড়া তাদের সাথে জমিজমা নিয়েও দীর্ঘদীন যাবৎ বিরোধ চলে আসছে। সেই শত্রুতার জেরে বিষাক্ত জাতীয় দ্রব্য প্রয়োগ করে আমার পুকুরের সব মাছ মেরে ৪০ হাজার টাকার ক্ষতি স্বাধন করেছেন। তাই আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি। এর উপযুক্ত বিচার চাই।

শহিদুল ইসলাম, শবদুল ইসলাম ও আবজাল হোসেন বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণভাবে মিথ্যা। আমরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই। শত্রুতা বশত আমাদের কথা বলতেছেন। এটা হলো ঘৃণ্যতম কাজ। যেই ঘটিয়ে থাকুক এমন ঘটনার আমরাও তার বিচার চাই। পুলিশ তদন্ত করে বের করুক এর পিছনে কে আছে।

নকলা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে একটা লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।