ঢাকা ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আবৃত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জামালপুরের মারিয়া জনগণের অর্থ বিদেশে পাচার হতে দেওয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবি জানালো দেওয়ানগঞ্জবাসী পুড়িয়ে হত্যা : আসামির মৃত্যুদণ্ড, ধর্ষণ : আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড জামালপুরে বাল্যবিবাহ-শিশুশ্রম প্রতিরোধে সাংবাদিকদের সঙ্গে এপির মতবিনিময় বীর মুক্তিযোদ্ধা বারী মণ্ডল আর নেই, তাঁর প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শন জামালপুরে অংশীজনদের সাথে সমঝোতা স্মারক ও কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ বিএনপিনেতা জিএস ফিরোজ মিয়ার গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ সংসদ সদস্য শামীম তালুকদারের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল বকশীগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু

জামালপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন

জামালপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জামালপুরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের স্টেশন বাজারস্থ জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

জেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদুল কবির তালুকদার শামীমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও জামালপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন।

জেলা বিএনপির সাংগঠনিক শফিকুল ইসলাম খান সজীবের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সহ-সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, সদস্য সুলতান মাহমুদ বাবু, যুক্তরাজ্য বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মওদুদ, জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহিদুল হক খান দুলাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আহসানুজ্জামান রুমেল, সাংগঠনিক সম্পাদক লোকমান আহাম্মেদ খান লোটন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, জিয়াউর রহমান রনাঙ্গনে জীবন বাজী রেখে যুদ্ধ করেছেন। দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র সংগ্রাম হয়েছে। তখন শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগারে ছিল। সে সময় আওয়ামী লীগের নেতারা মুক্তিযুদ্ধ সংগঠকের কথা বলে আজকে যারা ভারতে আছেন, সেদিনও মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন অনেকে ভারতে পালিয়েছিলেন। যে মানুষটি পালিয়ে যায়নি, স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে ক্ষান্ত হয়নাই, রনাঙ্গনে জীবন বাজী রেখে সশস্ত্র যুদ্ধ করেছেন, নেতৃত্ব দিয়েছেন যার দেওয়া নেতৃত্বে আমাদের বড় অর্জন মহান স্বাধীনতা পেয়েছি সেই আমাদের প্রিয় নেতা শহীদ জিয়াউর রহমানকে বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।

আলোচনা সভা শেষে শহরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহর প্রদক্ষিণ করে ফৌজদারি মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

আবৃত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জামালপুরের মারিয়া

জামালপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন

আপডেট সময় ০৯:৫৯:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৪

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জামালপুরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের স্টেশন বাজারস্থ জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

জেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদুল কবির তালুকদার শামীমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও জামালপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন।

জেলা বিএনপির সাংগঠনিক শফিকুল ইসলাম খান সজীবের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সহ-সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, সদস্য সুলতান মাহমুদ বাবু, যুক্তরাজ্য বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মওদুদ, জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহিদুল হক খান দুলাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আহসানুজ্জামান রুমেল, সাংগঠনিক সম্পাদক লোকমান আহাম্মেদ খান লোটন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, জিয়াউর রহমান রনাঙ্গনে জীবন বাজী রেখে যুদ্ধ করেছেন। দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র সংগ্রাম হয়েছে। তখন শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগারে ছিল। সে সময় আওয়ামী লীগের নেতারা মুক্তিযুদ্ধ সংগঠকের কথা বলে আজকে যারা ভারতে আছেন, সেদিনও মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন অনেকে ভারতে পালিয়েছিলেন। যে মানুষটি পালিয়ে যায়নি, স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে ক্ষান্ত হয়নাই, রনাঙ্গনে জীবন বাজী রেখে সশস্ত্র যুদ্ধ করেছেন, নেতৃত্ব দিয়েছেন যার দেওয়া নেতৃত্বে আমাদের বড় অর্জন মহান স্বাধীনতা পেয়েছি সেই আমাদের প্রিয় নেতা শহীদ জিয়াউর রহমানকে বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।

আলোচনা সভা শেষে শহরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহর প্রদক্ষিণ করে ফৌজদারি মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।