ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালপুরে বাল্যবিবাহ-শিশুশ্রম প্রতিরোধে সাংবাদিকদের সঙ্গে এপির মতবিনিময় বীর মুক্তিযোদ্ধা বারী মণ্ডল আর নেই, তাঁর প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শন জামালপুরে অংশীজনদের সাথে সমঝোতা স্মারক ও কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ বিএনপিনেতা জিএস ফিরোজ মিয়ার গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ সংসদ সদস্য শামীম তালুকদারের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল বকশীগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু জিঞ্জিরাম নদীর ভাতখাওয়ায় সেতু চায় পাঁচ গ্রামের মানুষ গ্রাম আদালত বিষয়ে রিফ্রেশার্স প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত মানবিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী বস্তুনিষ্ঠ দৃষ্টিভঙ্গির উপর একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠন করা অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী

জামালপুরে জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস উদযাপিত

জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস উপলক্ষে জামালপুরে শোভাযাত্রা বের করা হয়। ছবি: আসমাউল আসিফ

‘এসো প্রাণের ছোঁয়ায় গড়ি রক্তের বন্ধন, চোখের জ্যোতি হয়ে উঠুক প্রাণের স্পন্দন’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে জামালপুরে জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস উদযাপন করা হয়েছে। ৩ নভেম্বর রবিবার সকালে দিবসটি উপলক্ষে শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

সকালে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করে সিভিল সার্জনের কার্যালয় ও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সভাকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সিভিল সার্জন ডা. মো. ফজলুল হকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মুহা. মাহফুজুর রহমান, মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. গাজী মো. রফিকুল হক, জামালপুর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. উত্তম কুমার সরকার, মেডিকেল অফিসার ডা. স্বাগত সাহা, জুনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান, রক্তের বন্ধনের সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়া আলম আসাদসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা বলেন, আমাদের দেশে মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ ভাগ মানুষ স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন, বাকী রক্তের চাহিদা অবৈধভাবে কেনাবেচার মাধ্যমে পূরণ করা হয়। বছরে মাত্র দশ লাখ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হলেও আমরা সে চাহিদা পূরণ করতে পারছি না। তাই আমাদের আরও বেশি সচেতন হতে হবে, স্বেচ্ছায় ও বিনামূল্যে রক্তদানে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে এবং এগিয়ে আসতে হবে।

তারা আরও বলেন, পাশাপাশি মরণোত্তর চক্ষুদানের ক্ষেত্রেও আমাদের আগ্রহ অনেক কম। আমাদের দেশের রোগীদের জন্য অন্য দেশ থেকে কর্নিয়া এনে প্রতিস্থাপন করা হয়, কিন্তু এই ব্যাপারটি বেশ জটিল। সেজন্য এখনই আমাদের মরণোত্তর চক্ষুদানে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে।

পরে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচিতে রক্তদান করেন স্বেচ্ছাসেবকেরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে বাল্যবিবাহ-শিশুশ্রম প্রতিরোধে সাংবাদিকদের সঙ্গে এপির মতবিনিময়

জামালপুরে জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস উদযাপিত

আপডেট সময় ০৬:০৩:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ নভেম্বর ২০২৪

‘এসো প্রাণের ছোঁয়ায় গড়ি রক্তের বন্ধন, চোখের জ্যোতি হয়ে উঠুক প্রাণের স্পন্দন’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে জামালপুরে জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস উদযাপন করা হয়েছে। ৩ নভেম্বর রবিবার সকালে দিবসটি উপলক্ষে শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

সকালে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করে সিভিল সার্জনের কার্যালয় ও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সভাকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সিভিল সার্জন ডা. মো. ফজলুল হকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মুহা. মাহফুজুর রহমান, মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. গাজী মো. রফিকুল হক, জামালপুর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. উত্তম কুমার সরকার, মেডিকেল অফিসার ডা. স্বাগত সাহা, জুনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান, রক্তের বন্ধনের সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়া আলম আসাদসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা বলেন, আমাদের দেশে মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ ভাগ মানুষ স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন, বাকী রক্তের চাহিদা অবৈধভাবে কেনাবেচার মাধ্যমে পূরণ করা হয়। বছরে মাত্র দশ লাখ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হলেও আমরা সে চাহিদা পূরণ করতে পারছি না। তাই আমাদের আরও বেশি সচেতন হতে হবে, স্বেচ্ছায় ও বিনামূল্যে রক্তদানে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে এবং এগিয়ে আসতে হবে।

তারা আরও বলেন, পাশাপাশি মরণোত্তর চক্ষুদানের ক্ষেত্রেও আমাদের আগ্রহ অনেক কম। আমাদের দেশের রোগীদের জন্য অন্য দেশ থেকে কর্নিয়া এনে প্রতিস্থাপন করা হয়, কিন্তু এই ব্যাপারটি বেশ জটিল। সেজন্য এখনই আমাদের মরণোত্তর চক্ষুদানে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে।

পরে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচিতে রক্তদান করেন স্বেচ্ছাসেবকেরা।