ঢাকা ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে : প্রতিমন্ত্রী দারিদ্র্য দূর করে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করতে চাই : মির্জা ফখরুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রসারে অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার : আইনমন্ত্রী স্বাধীনতা পুরস্কার হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী ২৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রতারক কন্টেন্ট ক্রিয়েটর মনির গ্রেপ্তার মুন মেমোরিয়ালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা বকশীগঞ্জের কৃষকেরা বিনামূল্যে পেল বীজ সার গণপরিবহনে যাত্রীবান্ধব সেবার দাবিতে সনাকের মানববন্ধন

আলোক স্বল্পতায় আগেই শেষ তৃতীয় দিনের খেলা, মিরাজ-জাকেরের ব্যাটে ৮১ রানের লিড

বৃষ্টি ও আলোক স্বল্পতায় বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিন খেলা হলো ৫৭.৫ ওভার। এসময় ৩ উইকেট হাতে রেখে ৮১ রানে এগিয়ে থেকে দিন শেষ করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ।

দ্বিতীয় ইনিংসে তৃতীয় দিন শেষে ৭ উইকেটে ২৮৩ রান করেছে বাংলাদেশ। সপ্তম উইকেটে ১৩৮ রানের রেকর্ড জুটি গড়েন মেহেদি হাসান মিরাজ ও জাকের আলি। অভিষেক টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে জাকের ৫৮ রানে আউট হলেও ৮৭ রানে অপরাজিত আছেন মিরাজ। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ১০৬ ও দক্ষিণ আফ্রিকা ৩০৮ রান করেছিলো।

তৃতীয় দিনের ২৪তম বলে জয়কে ৪০ রানে বিদায় দেন দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার কাগিসো রাবাদা। স্লিপে ডেভিড বেডিংহামকে ক্যাচ দেন ৯২ বল খেলে ৫টি চার মারা জয়। ১ বল পর রাবাদার বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন মুশফিকও। ৩টি বাউন্ডারিতে ৩৯ বলে ৩৩ রান করেন তিনি। চতুর্থ উইকেট জুটিতে জয় ও মুশফিক ৪৬ রান যোগ করেন।

ছয় নম্বরে ব্যাট হাতে নেমে এই ইনিংসেও ব্যর্থ হয়েছেন উইকেটরক্ষক লিটন। স্পিনার কেশব মহারাজের বলে কাইল ভেরেনির ক্যাচে ৭ রানে আউট হন লিটন। ১১২ রানে ৬ উইকেট পতনের পর শক্ত হাতে হাল ধরেন মেহেদি হাসান মিরাজ ও অভিষেক টেস্ট খেলতে নামা জাকের আলি। প্রোটিয়া বোলারদের উপর চড়াও হয়ে মধ্যাহ্ন বিরতির আগে দলীয় রান ২’শতে নেন তারা। টেস্টে নবম হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নেন মিরাজ।

বিরতির পরও বাংলাদেশের লিড নিশ্চিত করেন মিরাজ ও জাকের। এরপর অভিষেক টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে অর্ধশতকের দেখা পান জাকের। তবে প্রথম হাফ-সেঞ্চুরির ইনিংসকে বড় করতে পারেননি জাকের। ৭টি চারে ১১১ বলে ৫৮ রানে মহারাজের বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন তিনি। সপ্তম উইকেটে মিরাজের সাথে ২৪৫ বলে ১৩৮ রান যোগ করেন জাকের। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে যেকোন উইকেট জুটিতে এটিই সর্বোচ্চ রান।

দলীয় ২৫০ রানে জাকের ফেরার পর ক্রিজে মিরাজের সঙ্গী হন নাইম হাসান। জুটি গড়ার চেষ্টায় সামনে এগোতে থাকেন তারা। মিরাজ-নাইমের পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় বৃষ্টি।

৮০ ওভারের পর বৃষ্টিতে বন্ধ হয় খেলা। ১ ঘন্টা ২০ মিনিট পর খেলা শুরু হলে বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি সেটি। ৫ ওভার হবার পর আলোক স্বল্পতায় আবার বন্ধ হয় খেলা। এরপর ৪৭ মিনিট খেলা বন্ধ থাকার পর বিকেল ৪টায় দিনের খেলার ইতি টানেন ম্যাচ অফিসিয়ালরা।

এসময় ৯টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৭১ বলে মিরাজ ৮৭ এবং নাইম ১৬ রানে অপরাজিত আছেন। টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি থেকে ১৩ রান দূরে আছেন মিরাজ।

রাবাদা ৪টি ও মহারাজ ৩টি উইকেট নিয়েছেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর :
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস : ১০৬/১০, ৪০.১ ওভার (জয় ৩০, তাইজুল ১৬, মুল্ডার ৩/২২)।
দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ইনিংস : ৩০৮/১০, ৮৮.৪ ওভার (ভেরেনি ১১৪, মুল্ডার ৫৪, তাইজুল ৫/১২২)।
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস : ২৮৩/৭, ৮৫ ওভার (মিরাজ ৮৭*, জাকের ৫৮, রাবাদা ৪/৩৫)।

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে : প্রতিমন্ত্রী

আলোক স্বল্পতায় আগেই শেষ তৃতীয় দিনের খেলা, মিরাজ-জাকেরের ব্যাটে ৮১ রানের লিড

আপডেট সময় ০৬:০৩:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৪

বৃষ্টি ও আলোক স্বল্পতায় বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিন খেলা হলো ৫৭.৫ ওভার। এসময় ৩ উইকেট হাতে রেখে ৮১ রানে এগিয়ে থেকে দিন শেষ করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ।

দ্বিতীয় ইনিংসে তৃতীয় দিন শেষে ৭ উইকেটে ২৮৩ রান করেছে বাংলাদেশ। সপ্তম উইকেটে ১৩৮ রানের রেকর্ড জুটি গড়েন মেহেদি হাসান মিরাজ ও জাকের আলি। অভিষেক টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে জাকের ৫৮ রানে আউট হলেও ৮৭ রানে অপরাজিত আছেন মিরাজ। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ১০৬ ও দক্ষিণ আফ্রিকা ৩০৮ রান করেছিলো।

তৃতীয় দিনের ২৪তম বলে জয়কে ৪০ রানে বিদায় দেন দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার কাগিসো রাবাদা। স্লিপে ডেভিড বেডিংহামকে ক্যাচ দেন ৯২ বল খেলে ৫টি চার মারা জয়। ১ বল পর রাবাদার বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন মুশফিকও। ৩টি বাউন্ডারিতে ৩৯ বলে ৩৩ রান করেন তিনি। চতুর্থ উইকেট জুটিতে জয় ও মুশফিক ৪৬ রান যোগ করেন।

ছয় নম্বরে ব্যাট হাতে নেমে এই ইনিংসেও ব্যর্থ হয়েছেন উইকেটরক্ষক লিটন। স্পিনার কেশব মহারাজের বলে কাইল ভেরেনির ক্যাচে ৭ রানে আউট হন লিটন। ১১২ রানে ৬ উইকেট পতনের পর শক্ত হাতে হাল ধরেন মেহেদি হাসান মিরাজ ও অভিষেক টেস্ট খেলতে নামা জাকের আলি। প্রোটিয়া বোলারদের উপর চড়াও হয়ে মধ্যাহ্ন বিরতির আগে দলীয় রান ২’শতে নেন তারা। টেস্টে নবম হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নেন মিরাজ।

বিরতির পরও বাংলাদেশের লিড নিশ্চিত করেন মিরাজ ও জাকের। এরপর অভিষেক টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে অর্ধশতকের দেখা পান জাকের। তবে প্রথম হাফ-সেঞ্চুরির ইনিংসকে বড় করতে পারেননি জাকের। ৭টি চারে ১১১ বলে ৫৮ রানে মহারাজের বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন তিনি। সপ্তম উইকেটে মিরাজের সাথে ২৪৫ বলে ১৩৮ রান যোগ করেন জাকের। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে যেকোন উইকেট জুটিতে এটিই সর্বোচ্চ রান।

দলীয় ২৫০ রানে জাকের ফেরার পর ক্রিজে মিরাজের সঙ্গী হন নাইম হাসান। জুটি গড়ার চেষ্টায় সামনে এগোতে থাকেন তারা। মিরাজ-নাইমের পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় বৃষ্টি।

৮০ ওভারের পর বৃষ্টিতে বন্ধ হয় খেলা। ১ ঘন্টা ২০ মিনিট পর খেলা শুরু হলে বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি সেটি। ৫ ওভার হবার পর আলোক স্বল্পতায় আবার বন্ধ হয় খেলা। এরপর ৪৭ মিনিট খেলা বন্ধ থাকার পর বিকেল ৪টায় দিনের খেলার ইতি টানেন ম্যাচ অফিসিয়ালরা।

এসময় ৯টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৭১ বলে মিরাজ ৮৭ এবং নাইম ১৬ রানে অপরাজিত আছেন। টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি থেকে ১৩ রান দূরে আছেন মিরাজ।

রাবাদা ৪টি ও মহারাজ ৩টি উইকেট নিয়েছেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর :
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস : ১০৬/১০, ৪০.১ ওভার (জয় ৩০, তাইজুল ১৬, মুল্ডার ৩/২২)।
দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ইনিংস : ৩০৮/১০, ৮৮.৪ ওভার (ভেরেনি ১১৪, মুল্ডার ৫৪, তাইজুল ৫/১২২)।
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংস : ২৮৩/৭, ৮৫ ওভার (মিরাজ ৮৭*, জাকের ৫৮, রাবাদা ৪/৩৫)।