ঢাকা ১০:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশকে স্বনির্ভর করা বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার : পানিসম্পদ মন্ত্রী মিথ্যা তথ্য প্রচারের প্রতিবাদ জানালেন মেহেদী নতুন ভোট কেন্দ্র চায় ইসলামপুরের টেংরাকুড়াবাসী মাদারগঞ্জে ভাঙারি ব্যবসায়ী ফকির আলীর মরদেহ উদ্ধার বকশীগঞ্জে অবৈধভাবে ৭২ বস্তা সার মজুদ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি ও জনআস্থা সমুন্নত রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে গড়ে উঠুক আগামীর বাংলাদেশ : শিক্ষামন্ত্রী মাদারগঞ্জে সেচ পাম্পে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গিয়ে কৃষকের মৃত্যু মহানবী (সা.) এর আদর্শে শান্তি-সম্প্রীতির সমাজ গড়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর

নকলায় ছাত্র আন্দোলনে নিহতের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিলো বিএনপি

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহতের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহতের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

শফিউল আলম লাভলু
নিজস্ব প্রতিবেদক, নকলা (শেরপুর), বাংলারচিঠিডটকম

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দুইজন নিহতের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে শেরপুরের নকলা উপজেলা বিএনপি। ৩০ আগস্ট শুক্রবার সকালে শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনের সাবেক এমপি ও হুইপ মরহুম আলহাজ্ব জাহেদ আলী চৌধুরীর ছেলে কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে দুই নিহতের পরিবারের সদস্যদের হাতে ৫০ হাজার করে ১ লাখ টাকা তুলে দেন।

এ সময় প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী বলেন, দীর্ঘ প্রায় দেড়যুগ ধরে স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়েছে ছাত্রসমাজ। তাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে স্বৈরাচারমুক্ত হলো বাংলাদেশ। সেই স্বৈরশাসক মানুষের ভোটের অধিকার, কথা বলার অধিকার ও স্বাধীনভাবে চলার অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। বাংলাদেশের জনগণকে শাসনের নামে শোষণ করে আসছিল। কিন্তু আমাদের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের রোষানলে পড়ে স্বৈরশাসক হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে। একটি বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে পারলেই তাদের আত্মত্যাগ সফল হবে। তাদের আত্মা শান্তি পাবে।

এ সময় উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক খোরশেদুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব বীরমুক্তিযোদ্ধা মাহমুদুল হক দুলাল, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কামরুল আলম খান লিটনসহ উপজেলা বিএনপি ও তার অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, নকলা উপজেলার চরঅষ্টধর ইউনিয়নের মৃত মোজাম্মেলের মেজো ছেলে গার্মেন্টস কর্মী আব্দুল আজিজ (২৮) গত ৫ আগস্ট ঢাকায় এক দফা আন্দোলনের সময় পুলিশের ছোড়া রাবার বুলেট এসে লাগে চোখ-মুখসহ সারা গায়ে। এরপর সহকর্মী নাজিমের সহযোগিতায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুইদিন চিকিৎসার পর ৭ আগস্ট আজিজের মৃত্যু হয়। এদিকে উপজেলার গনপদ্দি ইউনিয়নের চিথলিয়া এলাকার জুলহাস মিয়ার একমাত্র ছেলে নির্মাণ শ্রমিক মো. শফিক (৩০) গত ৪ আগস্ট বিকেলে ঢাকার কাচপুর সেতুর নিচে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশকে স্বনির্ভর করা বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার : পানিসম্পদ মন্ত্রী

নকলায় ছাত্র আন্দোলনে নিহতের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিলো বিএনপি

আপডেট সময় ০৪:৩৯:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৪
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহতের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

শফিউল আলম লাভলু
নিজস্ব প্রতিবেদক, নকলা (শেরপুর), বাংলারচিঠিডটকম

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দুইজন নিহতের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে শেরপুরের নকলা উপজেলা বিএনপি। ৩০ আগস্ট শুক্রবার সকালে শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনের সাবেক এমপি ও হুইপ মরহুম আলহাজ্ব জাহেদ আলী চৌধুরীর ছেলে কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে দুই নিহতের পরিবারের সদস্যদের হাতে ৫০ হাজার করে ১ লাখ টাকা তুলে দেন।

এ সময় প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী বলেন, দীর্ঘ প্রায় দেড়যুগ ধরে স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়েছে ছাত্রসমাজ। তাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে স্বৈরাচারমুক্ত হলো বাংলাদেশ। সেই স্বৈরশাসক মানুষের ভোটের অধিকার, কথা বলার অধিকার ও স্বাধীনভাবে চলার অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। বাংলাদেশের জনগণকে শাসনের নামে শোষণ করে আসছিল। কিন্তু আমাদের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের রোষানলে পড়ে স্বৈরশাসক হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে। একটি বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে পারলেই তাদের আত্মত্যাগ সফল হবে। তাদের আত্মা শান্তি পাবে।

এ সময় উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক খোরশেদুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব বীরমুক্তিযোদ্ধা মাহমুদুল হক দুলাল, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কামরুল আলম খান লিটনসহ উপজেলা বিএনপি ও তার অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, নকলা উপজেলার চরঅষ্টধর ইউনিয়নের মৃত মোজাম্মেলের মেজো ছেলে গার্মেন্টস কর্মী আব্দুল আজিজ (২৮) গত ৫ আগস্ট ঢাকায় এক দফা আন্দোলনের সময় পুলিশের ছোড়া রাবার বুলেট এসে লাগে চোখ-মুখসহ সারা গায়ে। এরপর সহকর্মী নাজিমের সহযোগিতায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুইদিন চিকিৎসার পর ৭ আগস্ট আজিজের মৃত্যু হয়। এদিকে উপজেলার গনপদ্দি ইউনিয়নের চিথলিয়া এলাকার জুলহাস মিয়ার একমাত্র ছেলে নির্মাণ শ্রমিক মো. শফিক (৩০) গত ৪ আগস্ট বিকেলে ঢাকার কাচপুর সেতুর নিচে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন।