ঢাকা ১২:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নকলায় নির্ধারিত দামে সার বিক্রির নির্দেশ উপ-পরিচালকের আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস : মাদারগঞ্জে শোভাযাত্রা আলোচনা সভা নকলায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আগুন, ততক্ষণে পুড়ে ছাই সবকিছু শেরপুরে পূবালী ব্যাংকের ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং বুথ উদ্বোধন ৩৫ বিজিবির অভিযান : ভারতীয় মদ, কসমেটিকস পণ্য উদ্ধার একদিকে নদীভাঙন প্রতিরোধ : অন্যদিকে ড্রেজার বসিয়ে বালু লুট : এলাকাবাসীর চরম ক্ষোভ মাদারগঞ্জে ১২৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান বকশীগঞ্জে বৃদ্ধা নুরেদার ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা সড়ক দুর্ঘটনায় ওমর সানি নিহত বিএনপিনেতা শাহ্ মাসুদের গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ

ইসরায়েল ইরানকে পাল্টা আঘাত করবে, তবে কখন করবে তা অনিশ্চিত : নিরাপত্তা বিশ্লেষক

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলেছেন, ইরানের নজিরবিহীন ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিরুদ্ধে ইসরায়েল কোনো এক সময় প্রতিশোধ নেবে এটা প্রায় নিশ্চিত। তবে প্রশ্ন হচ্ছে তা কিভাবে এবং কখন। খবর এএফপি’র।

গাজা যুদ্ধ নিয়ে এ অঞ্চলে ইতোমধ্যে অশান্তি বিরাজ করায় বিশ্ব নেতারা সংশ্লিষ্ট সকলকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন এবং ইসরায়েলের মিত্র দেশ যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে ইরানের হামলার সামরিক প্রতিক্রিয়া জানানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

তবে বেশ কিছু নিরাপত্তা বিশ্লেষক এএফপি’কে বলেছেন, ইসরায়েল শিগগিরই বা পরে ইরানের এমন হামলার জবাব দেবে এ ব্যাপারে তাদের কোন সন্দেহ নেই। এক্ষেত্রে তারা ইসরায়েল এবং জোটের জন্য বিশাল ঝুঁকির এবং বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যে এর প্রভাবের কথা উল্লেখ করেছেন।

কেন ইসরায়েল প্রতিশোধ নেবে? –

ইসরায়েল এবং ইরানের ইসলামিক প্রজাতন্ত্র হলো চির শত্রু দেশ। যারা বছরের পর বছর ধরে গুপ্তহত্যা, সশস্ত্র হামলা এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। উভয় দেশকে প্রায়শই মিত্র ও প্রক্সি বাহিনীর মাধ্যমে যুদ্ধে জড়াতে দেখা যায়।

শনিবার রাতে ইরান প্রথমবারের মতো ইসরায়েলের ওপর সরাসরি হামলা শুরু চালায়। এসব হামলায় তারা শত শত ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করে।

নিরাপত্তা পরামর্শদাতা স্টিফেন অড্র্যান্ড বলেছেন, যদিও ইসরায়েল এবং তাদের মিত্ররা এসব হামলার অধিকাংশ ঠেকিয়ে দিয়েছে। ইরানের এমন হামলা দু’দেশের মধ্যে সম্পর্কের নতুন করে চরম অবনতি ঘটে।

এদিকে ইরান বলেছে, সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কোতে তেহরানের কনস্যুলেট ভবনে ১ এপ্রিল চালানো ভয়াবহ বিমান হামলার প্রতিক্রিয়া হিসাবে তারা এসব ড্রোন ও বিমান হামলা চালায়। ইরানের কনস্যুলেট ভবনে হামলার ঘটনায় ইসরায়েলকে দায়ী করা হয়েছিল।

ওই হামলায় দুই সিনিয়র জেনারেলসহ ইরানের সাতজন রেভল্যুশনারি গার্ড নিহত হয় এবং সেখানে হামলার পরপরই ইরান এর প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দেয়।

অড্র্যান্ড বলেছেন, ‘ইসরায়েলের ভূখণ্ড অন্য রাষ্ট্র দ্বারা হামলার শিকার হলে, এক্ষেত্রে ঐতিহ্যগতভাবে ইসরায়েলের একটি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে।’

ইসরায়েলি সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক প্রধান তামির হায়মান যুক্তি দিয়ে বলেন, ইসরায়েল তাদের সুবিধা মতো সময়ে পাল্টা আঘাত করবে এমনটা প্রায় নিশ্চিত।

তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া তার ভবিষ্যদ্বানীতে বলেন, ‘ইরানের মাটিতে হামলা চালিয়ে ইসরায়েল তাদের জবাব দেবে।’

আপলোডকারীর তথ্য

নকলায় নির্ধারিত দামে সার বিক্রির নির্দেশ উপ-পরিচালকের

ইসরায়েল ইরানকে পাল্টা আঘাত করবে, তবে কখন করবে তা অনিশ্চিত : নিরাপত্তা বিশ্লেষক

আপডেট সময় ০৩:৫৫:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলেছেন, ইরানের নজিরবিহীন ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিরুদ্ধে ইসরায়েল কোনো এক সময় প্রতিশোধ নেবে এটা প্রায় নিশ্চিত। তবে প্রশ্ন হচ্ছে তা কিভাবে এবং কখন। খবর এএফপি’র।

গাজা যুদ্ধ নিয়ে এ অঞ্চলে ইতোমধ্যে অশান্তি বিরাজ করায় বিশ্ব নেতারা সংশ্লিষ্ট সকলকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন এবং ইসরায়েলের মিত্র দেশ যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে ইরানের হামলার সামরিক প্রতিক্রিয়া জানানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

তবে বেশ কিছু নিরাপত্তা বিশ্লেষক এএফপি’কে বলেছেন, ইসরায়েল শিগগিরই বা পরে ইরানের এমন হামলার জবাব দেবে এ ব্যাপারে তাদের কোন সন্দেহ নেই। এক্ষেত্রে তারা ইসরায়েল এবং জোটের জন্য বিশাল ঝুঁকির এবং বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যে এর প্রভাবের কথা উল্লেখ করেছেন।

কেন ইসরায়েল প্রতিশোধ নেবে? –

ইসরায়েল এবং ইরানের ইসলামিক প্রজাতন্ত্র হলো চির শত্রু দেশ। যারা বছরের পর বছর ধরে গুপ্তহত্যা, সশস্ত্র হামলা এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। উভয় দেশকে প্রায়শই মিত্র ও প্রক্সি বাহিনীর মাধ্যমে যুদ্ধে জড়াতে দেখা যায়।

শনিবার রাতে ইরান প্রথমবারের মতো ইসরায়েলের ওপর সরাসরি হামলা শুরু চালায়। এসব হামলায় তারা শত শত ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করে।

নিরাপত্তা পরামর্শদাতা স্টিফেন অড্র্যান্ড বলেছেন, যদিও ইসরায়েল এবং তাদের মিত্ররা এসব হামলার অধিকাংশ ঠেকিয়ে দিয়েছে। ইরানের এমন হামলা দু’দেশের মধ্যে সম্পর্কের নতুন করে চরম অবনতি ঘটে।

এদিকে ইরান বলেছে, সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কোতে তেহরানের কনস্যুলেট ভবনে ১ এপ্রিল চালানো ভয়াবহ বিমান হামলার প্রতিক্রিয়া হিসাবে তারা এসব ড্রোন ও বিমান হামলা চালায়। ইরানের কনস্যুলেট ভবনে হামলার ঘটনায় ইসরায়েলকে দায়ী করা হয়েছিল।

ওই হামলায় দুই সিনিয়র জেনারেলসহ ইরানের সাতজন রেভল্যুশনারি গার্ড নিহত হয় এবং সেখানে হামলার পরপরই ইরান এর প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দেয়।

অড্র্যান্ড বলেছেন, ‘ইসরায়েলের ভূখণ্ড অন্য রাষ্ট্র দ্বারা হামলার শিকার হলে, এক্ষেত্রে ঐতিহ্যগতভাবে ইসরায়েলের একটি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে।’

ইসরায়েলি সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক প্রধান তামির হায়মান যুক্তি দিয়ে বলেন, ইসরায়েল তাদের সুবিধা মতো সময়ে পাল্টা আঘাত করবে এমনটা প্রায় নিশ্চিত।

তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া তার ভবিষ্যদ্বানীতে বলেন, ‘ইরানের মাটিতে হামলা চালিয়ে ইসরায়েল তাদের জবাব দেবে।’