ঢাকা ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচলের আশ্বাস দিল ইরান জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, ‘প্যানিক বায়িং’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান তথ্য উপদেষ্টার সাংবাদিক প্রবেশে কেন্দ্র সচিবের নিষেধাজ্ঞা মাদারগঞ্জে যমুনার বালুর চরে ফিরেছে সবুজ প্রাণ মাদকাসক্ত ছেলেকে ধরিয়ে দিলেন মা, হল ছয় মাসের জেল জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর, প্রতিটি শব্দ বাস্তবায়ন করা হবে : প্রধানমন্ত্রী দেশের সরকারি গুদামে ১৭.৭১ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য মজুদ রয়েছে : খাদ্যমন্ত্রী ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তৈরি করতে রাষ্ট্রের দায়িত্ব তরুণ প্রজন্মকে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া : তথ্যমন্ত্রী অনূর্ধ্ব-১৮ মহিলা জোনাল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন ট্রফি উন্মোচন

জামালপুরে বজ্রপাতে ও বটগাছ চাপায় দু’জন নিহত

ঝড়ে নিহত ব্যবসায়ী সুজন মিয়া। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

ঝড়ে নিহত ব্যবসায়ী সুজন মিয়া। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম : জামালপুর জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে ১৭ মে সকালে সদরের নরুন্দিতে ধানকাটার সময় বজ্রপাতে কৃষক উসমান গনি (২৫) এবং ১৬ মে রাতে জেলার মেলান্দহ উপজেলার দুরমুঠ ইউনিয়নের আমবাড়িয়া এলাকায় বটগাছ উপড়ে দোকানচাপায় দোকান মালিক সুজন মিয়ার (৩৫) মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৭ মে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কালবৈশাখী ঝড়ের সময় জামালপুর সদর উপজেলার নরুন্দি উনিয়নের বিলপাড়া গ্রামের কৃষক উসমান গনি তাদের বাড়ির পাশে ধান কাটার কাজ করছিলেন। এ সময় আকস্মিক তার ওপর বজ্রপাত হলে গুরুতর আহত হন তিনি। স্থানীয়রা তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান তিনি।

স্থানীয় নরুন্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. লুৎফর রহমান এ প্রতিবেদককে জানান, আকস্মিক বজ্রপাতে নিহত কৃষক উসমান গনি নরুন্দি বিলপাড়া গ্রামের কৃষক শহীদুল ইসলামের ছেলে। তার মৃত্যুতে পরিবারে শোকের মাতম চলছে।

অপরদিকে, ১৬ মে রাত ১০টার দিকে জেলার মেলান্দহ উপজেলার দুরমুঠ ইউনিয়নের আমবাড়িয়া এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ে বটগাছ উপড়ে দোকানচাপায় সুজন মিয়া (৩৫) নামে একজন ব্যবসায়ী ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। ঝড়ের সময় তিনি নিজের মনোহারী দোকানের ভেতরে ছিলেন। দোকানের পাশে বটগাছটি তার দোকানের ওপর পড়ে দোকানঘর ভেঙে গিয়ে ভেতরে চাপা পড়েছিলেন তিনি।

পরে মেলান্দহ উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা স্থানীয়দের সাথে নিয়ে রাত ১২টার দিকে সেখান থেকে সুজন মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেন। নিহত সুজন মিয়া স্থানীয় আমবাড়িয়া গ্রামের সুজা মিয়ার ছেলে।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দেলোয়ার হোসেন এই মর্মান্তিক ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

জামালপুরে বজ্রপাতে ও বটগাছ চাপায় দু’জন নিহত

আপডেট সময় ০৭:৩৫:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ মে ২০২৩
ঝড়ে নিহত ব্যবসায়ী সুজন মিয়া। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম : জামালপুর জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে ১৭ মে সকালে সদরের নরুন্দিতে ধানকাটার সময় বজ্রপাতে কৃষক উসমান গনি (২৫) এবং ১৬ মে রাতে জেলার মেলান্দহ উপজেলার দুরমুঠ ইউনিয়নের আমবাড়িয়া এলাকায় বটগাছ উপড়ে দোকানচাপায় দোকান মালিক সুজন মিয়ার (৩৫) মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৭ মে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কালবৈশাখী ঝড়ের সময় জামালপুর সদর উপজেলার নরুন্দি উনিয়নের বিলপাড়া গ্রামের কৃষক উসমান গনি তাদের বাড়ির পাশে ধান কাটার কাজ করছিলেন। এ সময় আকস্মিক তার ওপর বজ্রপাত হলে গুরুতর আহত হন তিনি। স্থানীয়রা তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান তিনি।

স্থানীয় নরুন্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. লুৎফর রহমান এ প্রতিবেদককে জানান, আকস্মিক বজ্রপাতে নিহত কৃষক উসমান গনি নরুন্দি বিলপাড়া গ্রামের কৃষক শহীদুল ইসলামের ছেলে। তার মৃত্যুতে পরিবারে শোকের মাতম চলছে।

অপরদিকে, ১৬ মে রাত ১০টার দিকে জেলার মেলান্দহ উপজেলার দুরমুঠ ইউনিয়নের আমবাড়িয়া এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ে বটগাছ উপড়ে দোকানচাপায় সুজন মিয়া (৩৫) নামে একজন ব্যবসায়ী ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। ঝড়ের সময় তিনি নিজের মনোহারী দোকানের ভেতরে ছিলেন। দোকানের পাশে বটগাছটি তার দোকানের ওপর পড়ে দোকানঘর ভেঙে গিয়ে ভেতরে চাপা পড়েছিলেন তিনি।

পরে মেলান্দহ উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা স্থানীয়দের সাথে নিয়ে রাত ১২টার দিকে সেখান থেকে সুজন মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেন। নিহত সুজন মিয়া স্থানীয় আমবাড়িয়া গ্রামের সুজা মিয়ার ছেলে।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দেলোয়ার হোসেন এই মর্মান্তিক ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।