ঢাকা ১১:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

রাশিয়ার বাহিনীর হামলার পর ইউক্রেনের পরমাণু কেন্দ্রে আগুন

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ রাশিয়ার সৈন্যরা ইউরোপের বৃহত্তম পরমাণু কেন্দ্রে ৪ মার্চ হামলা চালিয়েছে। এতে ইউক্রেনের ওই স্থাপনায় আগুন জ্বলছে। এ হামলার ঘটনায় দেশটির নেতা মস্কোর ‘পরমাণু সন্ত্রাসকে’ দায়ী করেছে। খবর এএফপি’র।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, এতে তাৎক্ষণিকভাবে তেজক্রিয়তা বৃদ্ধি শনাক্ত করা যায়নি এবং আগুনে ‘আবশ্যকীয়’ সরঞ্জামাদির কোন ক্ষতি হয়নি। তবে এক্ষেত্রে আগ্রাসী বাহিনীর পরবর্তী পরিকল্পনা কী তা অস্পষ্ট রয়ে গেছে।

প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি চেরনোবিল পরমাণু দুর্যোগের‘পুনরাবৃত্তির’ চেষ্টা করায় মস্কোকে দায়ী করেন এবং বলেন, তিনি জাপোরি ঝঝিয়া পরমাণু কেন্দ্রের এ সংকটের ব্যাপারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনসহ আন্তর্জাতিক নেতাদের সাথে কথা বলেছেন।

বাইডেন এ পরমাণু কেন্দ্রে জরুরি বিশেষজ্ঞদের যাওয়ার সুযোগ করে দিতে রাশিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

এ কেন্দ্রের সরাসরি ভিডিও ফুটেজে রাতের আকাশে আগুনের ঝলকানি এবং ধোয়ার কুণ্ডলি উঠতে দেখা যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা সেখানে তাৎক্ষণিকভাবে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে।

এক ভিডিও বার্তায় জেলোনস্কি বলেন, ‘এ পরমাণু কেন্দ্রে রাশিয়া ছাড়া অন্য কোন দেশ হামলা চালায়নি।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের দেশের ইতিহাসে এই প্রথম এমন ঘটলো। মানব জাতির ইতিহাসেও পরমাণু কেন্দ্রে এমন হামলার ঘটনা প্রথম। সন্ত্রাসী রাষ্ট্র এখন পরমাণু সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে।’

এ ব্যাপারে জেলেনস্কি আন্তর্জাতিক সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘সেখানে বিস্ফোরণ ঘটলে এতে সব কিছু ধ্বংস হয়ে যাবে। ইউরোপ ধ্বংস হবে। এর কবল থেকে ইউরোপকে রক্ষা করতে হবে।

এ ক্ষেত্রে কেবলমাত্র ইউরোপের দ্রুত পদক্ষেপ রাশিয়ার সৈন্যদের থামাতে পারে।’

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পুকুরে ডুবে শিশু আলিফের মৃত্যু

রাশিয়ার বাহিনীর হামলার পর ইউক্রেনের পরমাণু কেন্দ্রে আগুন

আপডেট সময় ০৬:৫৯:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ মার্চ ২০২২

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ রাশিয়ার সৈন্যরা ইউরোপের বৃহত্তম পরমাণু কেন্দ্রে ৪ মার্চ হামলা চালিয়েছে। এতে ইউক্রেনের ওই স্থাপনায় আগুন জ্বলছে। এ হামলার ঘটনায় দেশটির নেতা মস্কোর ‘পরমাণু সন্ত্রাসকে’ দায়ী করেছে। খবর এএফপি’র।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, এতে তাৎক্ষণিকভাবে তেজক্রিয়তা বৃদ্ধি শনাক্ত করা যায়নি এবং আগুনে ‘আবশ্যকীয়’ সরঞ্জামাদির কোন ক্ষতি হয়নি। তবে এক্ষেত্রে আগ্রাসী বাহিনীর পরবর্তী পরিকল্পনা কী তা অস্পষ্ট রয়ে গেছে।

প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি চেরনোবিল পরমাণু দুর্যোগের‘পুনরাবৃত্তির’ চেষ্টা করায় মস্কোকে দায়ী করেন এবং বলেন, তিনি জাপোরি ঝঝিয়া পরমাণু কেন্দ্রের এ সংকটের ব্যাপারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনসহ আন্তর্জাতিক নেতাদের সাথে কথা বলেছেন।

বাইডেন এ পরমাণু কেন্দ্রে জরুরি বিশেষজ্ঞদের যাওয়ার সুযোগ করে দিতে রাশিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

এ কেন্দ্রের সরাসরি ভিডিও ফুটেজে রাতের আকাশে আগুনের ঝলকানি এবং ধোয়ার কুণ্ডলি উঠতে দেখা যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা সেখানে তাৎক্ষণিকভাবে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে।

এক ভিডিও বার্তায় জেলোনস্কি বলেন, ‘এ পরমাণু কেন্দ্রে রাশিয়া ছাড়া অন্য কোন দেশ হামলা চালায়নি।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের দেশের ইতিহাসে এই প্রথম এমন ঘটলো। মানব জাতির ইতিহাসেও পরমাণু কেন্দ্রে এমন হামলার ঘটনা প্রথম। সন্ত্রাসী রাষ্ট্র এখন পরমাণু সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে।’

এ ব্যাপারে জেলেনস্কি আন্তর্জাতিক সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘সেখানে বিস্ফোরণ ঘটলে এতে সব কিছু ধ্বংস হয়ে যাবে। ইউরোপ ধ্বংস হবে। এর কবল থেকে ইউরোপকে রক্ষা করতে হবে।

এ ক্ষেত্রে কেবলমাত্র ইউরোপের দ্রুত পদক্ষেপ রাশিয়ার সৈন্যদের থামাতে পারে।’