ঢাকা ১২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে : প্রতিমন্ত্রী দারিদ্র্য দূর করে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করতে চাই : মির্জা ফখরুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রসারে অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার : আইনমন্ত্রী স্বাধীনতা পুরস্কার হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী ২৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রতারক কন্টেন্ট ক্রিয়েটর মনির গ্রেপ্তার মুন মেমোরিয়ালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা বকশীগঞ্জের কৃষকেরা বিনামূল্যে পেল বীজ সার গণপরিবহনে যাত্রীবান্ধব সেবার দাবিতে সনাকের মানববন্ধন

জামালপুরে র‌্যাবের অভিযানে ২২ বছর পর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আব্দুল জলিল। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আব্দুল জলিল। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার একটি হত্যা মামলার রায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আব্দুল জলিল ২২ বছর পর র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। র‌্যাব-১৪ এর একটি আভিযানিক দল ২৪ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার হাটমাগুরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে মেলান্দহ থানায় সোপর্দ করেছে।

গ্রেপ্তার আসামি আব্দুল জলিল মেলান্দহ উপজেলার কাঙ্গালকুর্শা গ্রামের মৃত সিরাজ আলীর ছেলে।

র‌্যাব জানায়, ২০০০ সালের ১৯ মে জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার কাঙ্গালকুর্শা গ্রামের কৃষক ইয়াকুব আলীর বাঁশঝাড়ের কয়েকটি বাঁশ পাশের কৃষক জয়নাল আবেদীনের ধানক্ষেতে পড়ে যায়। এ নিয়ে ঝগড়ার জের ধরে নৃশংস হামলায় নিহত হন জয়নাল আবেদীন। এ ঘটনায় প্রতিপক্ষের আব্দুল জলিলসহ কয়েকজনের নামে মেলান্দহ থানায় হত্যা মামলা দায়ের হয়। হত্যার ঘটনার পর থেকে পলাতক থাকা অবস্থায় ওই হত্যা মামলায় আদালতের রায়ে আসামি আব্দুল জলিল যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হন। এরপর থেকে দীর্ঘ ২২ বছর ধরে তিনি পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাত দুটার দিকে র‌্যাব-১৪, সিপিসি-১, জামালপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার আশিক উজ্জামানের নেতৃত্বে এবং সহকারী পুলিশ সুপার এম. এম. সুবজ রানার উপস্থিতিতে র‌্যাবের আভিযানিক দল মাদারগঞ্জ উপজেলার হাটমাগুরা এলাকায় থেকে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। র‌্যাবের জামালপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার আশিক উজ্জামান এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, অভিযানে গ্রেপ্তারের পর আসামি আব্দুল জলিল দীর্ঘ ২২ বছর ধরে তার পলাতক জীবনের বর্ণনা দেন। তিনি হত্যার ঘটনার পর থেকে পলাতক অবস্থায় ঢাকা, রংপুর, খুলনা এবং কুড়িগ্রাম জেলায় থাকতেন। পলাতক অবস্থায় তিনি কখনো কোম্পানির দারোয়ান, কখনো ঠিকাদার, ফেরিওয়ালা, কবিরাজ ইত্যাদি বিভিন্ন বেশ ধারণ করে ঘুরে বেড়াতেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে মেলান্দহ থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে এপ্রিল ও মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি মজুত রয়েছে : প্রতিমন্ত্রী

জামালপুরে র‌্যাবের অভিযানে ২২ বছর পর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৮:২২:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২২
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আব্দুল জলিল। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার একটি হত্যা মামলার রায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আব্দুল জলিল ২২ বছর পর র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন। র‌্যাব-১৪ এর একটি আভিযানিক দল ২৪ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার হাটমাগুরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে মেলান্দহ থানায় সোপর্দ করেছে।

গ্রেপ্তার আসামি আব্দুল জলিল মেলান্দহ উপজেলার কাঙ্গালকুর্শা গ্রামের মৃত সিরাজ আলীর ছেলে।

র‌্যাব জানায়, ২০০০ সালের ১৯ মে জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার কাঙ্গালকুর্শা গ্রামের কৃষক ইয়াকুব আলীর বাঁশঝাড়ের কয়েকটি বাঁশ পাশের কৃষক জয়নাল আবেদীনের ধানক্ষেতে পড়ে যায়। এ নিয়ে ঝগড়ার জের ধরে নৃশংস হামলায় নিহত হন জয়নাল আবেদীন। এ ঘটনায় প্রতিপক্ষের আব্দুল জলিলসহ কয়েকজনের নামে মেলান্দহ থানায় হত্যা মামলা দায়ের হয়। হত্যার ঘটনার পর থেকে পলাতক থাকা অবস্থায় ওই হত্যা মামলায় আদালতের রায়ে আসামি আব্দুল জলিল যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হন। এরপর থেকে দীর্ঘ ২২ বছর ধরে তিনি পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাত দুটার দিকে র‌্যাব-১৪, সিপিসি-১, জামালপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার আশিক উজ্জামানের নেতৃত্বে এবং সহকারী পুলিশ সুপার এম. এম. সুবজ রানার উপস্থিতিতে র‌্যাবের আভিযানিক দল মাদারগঞ্জ উপজেলার হাটমাগুরা এলাকায় থেকে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। র‌্যাবের জামালপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার আশিক উজ্জামান এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, অভিযানে গ্রেপ্তারের পর আসামি আব্দুল জলিল দীর্ঘ ২২ বছর ধরে তার পলাতক জীবনের বর্ণনা দেন। তিনি হত্যার ঘটনার পর থেকে পলাতক অবস্থায় ঢাকা, রংপুর, খুলনা এবং কুড়িগ্রাম জেলায় থাকতেন। পলাতক অবস্থায় তিনি কখনো কোম্পানির দারোয়ান, কখনো ঠিকাদার, ফেরিওয়ালা, কবিরাজ ইত্যাদি বিভিন্ন বেশ ধারণ করে ঘুরে বেড়াতেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে মেলান্দহ থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।