ঢাকা ০১:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি ও জনআস্থা সমুন্নত রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে গড়ে উঠুক আগামীর বাংলাদেশ : শিক্ষামন্ত্রী মাদারগঞ্জে সেচ পাম্পে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গিয়ে কৃষকের মৃত্যু মহানবী (সা.) এর আদর্শে শান্তি-সম্প্রীতির সমাজ গড়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই : ত্রাণমন্ত্রী জামালপুরে জশনে জুলুসে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (দ.) উদযাপিত প্রাণিসম্পদ পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বকশীগঞ্জে বসতভিটা দখলের চেষ্টাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন জামালপুরে বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে শিক্ষকদের সমন্বয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নকলায় সরিষার বাম্পার ফলন

কৃষি কর্মকর্তার সরিষার ক্ষেত পরিদর্শন করেন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

কৃষি কর্মকর্তার সরিষার ক্ষেত পরিদর্শন করেন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

শফিউল আলম লাভলু, নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

সরিষা চাষে আগ্রহ বাড়ছে শেরপুরের নকলা উপজেলার কৃষকদের। দিগন্তজুড়ে যতদূর চোখ যায় শুধু হলুদ আর হলুদ। দূর থেকে দেখলে মনেই হবে না যে, সরিষার চাষ। এ যেন প্রকৃতির ঢেলে দেওয়া হলুদের সমাহার। বাড়তি ফসল হিসেবে কৃষকদের সরিষা চাষে আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। এদিকে উপজেলা কৃষি বিভাগ বলছে সরিষা আবাদে আগ্রহ বৃদ্ধি করতে চাষীদের দেওয়া হচ্ছে প্রণোদনা ও নিয়মিত পরামর্শ।

উপজেলার চন্দ্রকোনা, নারায়নখোল, উরফা ও নকলা ইউনিয়নে সরিষার আবাদ বেশি হয়ে থাকে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গেল বছর নকলা উপজেলায় ১৪শ ৫০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। আর চাষ হয়েছে ১৬শ ৫০ হেক্টর জমিতে। এবছর ১৬শ ৫০ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর চাষ হয়েছে ১৮শ ৫০ হেক্টর। এবার কৃষকরা স্থানীয় জাতের পাশাপাশি বারি সরিষা-১৪, ১৫, ১৭, বিনা-৯, ৪ ও ১১, টরি-৭ সরিষার আবাদ করে লাভের মুখ দেখছেন। নভেম্বর মাস থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত সরিষা চাষের উপযুক্ত সময়। তাই এই সময় সরিষার ফুলে ভরে গেছে মাঠ। সরিষা চাষে বাম্পার ফলন পেয়ে কৃষকরাও বেশ খুশি।

চলতি মৌসুমে জেলায় রেকর্ড পরিমাণ জমিতে সরিষার চাষ করা হয়েছে। এবছর ২ হাজার ৯২০ জন কৃষককে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে প্রণোদনা। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সরিষার আবাদ থেকে কৃষকরা বাড়তি মুনাফা আয় করতে পারবেন এই অঞ্চলের কৃষকরা।

স্থানীয় সরিষা চাষীরা জানান, গত কয়েক বছর ধরেই ধান চাষে তেমন লাভ হয় না। আর এ কারণেই প্রতি বছরই লোকসান গুনতে হচ্ছে। তাই বিকল্প এবং বাড়তি ফসল হিসেবে অন্য ফসলের পাশাপাশি সরিষা চাষের প্রতি আগ্রহী হচ্ছেন তারা। খুব বেশি খরচ হয়নি। তারপরও সরিষা গাছে ভালো ফুল ধরেছে। তারা আশা করছেন, ফলনও ভালো হবে। গতবারের চেয়ে উৎপাদন আরও বেশি হবে। সে কারণে এবার বেশি লাভের আশা করছেন চাষীরা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ পরেশ চন্দ্র দাস বলেন, উপজেলা কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের দেওয়া হচ্ছে নিয়মতি প্রণোদনা। আর কৃষকদের সবসময় কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে করা হচ্ছে সহযোগিতা। আমরা নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন করছি। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারাও সব সময় মাঠে কাছ করছে। অনুক‚ল আবহাওয়া আর যথাযথ পরিচর্চার কারণে এবার সরিষার বাম্পার ফলন হয়েছে। অন্যান্য ফসলের তুলনায় সরিষার উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় এবং গত কয়েক বছর ধরে বাজারে সরিষার ভালো দাম থাকায় চাষিরা দিন দিন সরিষা চাষের দিকে ঝুঁকছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি

নকলায় সরিষার বাম্পার ফলন

আপডেট সময় ০২:৪৫:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১
কৃষি কর্মকর্তার সরিষার ক্ষেত পরিদর্শন করেন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

শফিউল আলম লাভলু, নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

সরিষা চাষে আগ্রহ বাড়ছে শেরপুরের নকলা উপজেলার কৃষকদের। দিগন্তজুড়ে যতদূর চোখ যায় শুধু হলুদ আর হলুদ। দূর থেকে দেখলে মনেই হবে না যে, সরিষার চাষ। এ যেন প্রকৃতির ঢেলে দেওয়া হলুদের সমাহার। বাড়তি ফসল হিসেবে কৃষকদের সরিষা চাষে আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। এদিকে উপজেলা কৃষি বিভাগ বলছে সরিষা আবাদে আগ্রহ বৃদ্ধি করতে চাষীদের দেওয়া হচ্ছে প্রণোদনা ও নিয়মিত পরামর্শ।

উপজেলার চন্দ্রকোনা, নারায়নখোল, উরফা ও নকলা ইউনিয়নে সরিষার আবাদ বেশি হয়ে থাকে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গেল বছর নকলা উপজেলায় ১৪শ ৫০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। আর চাষ হয়েছে ১৬শ ৫০ হেক্টর জমিতে। এবছর ১৬শ ৫০ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর চাষ হয়েছে ১৮শ ৫০ হেক্টর। এবার কৃষকরা স্থানীয় জাতের পাশাপাশি বারি সরিষা-১৪, ১৫, ১৭, বিনা-৯, ৪ ও ১১, টরি-৭ সরিষার আবাদ করে লাভের মুখ দেখছেন। নভেম্বর মাস থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত সরিষা চাষের উপযুক্ত সময়। তাই এই সময় সরিষার ফুলে ভরে গেছে মাঠ। সরিষা চাষে বাম্পার ফলন পেয়ে কৃষকরাও বেশ খুশি।

চলতি মৌসুমে জেলায় রেকর্ড পরিমাণ জমিতে সরিষার চাষ করা হয়েছে। এবছর ২ হাজার ৯২০ জন কৃষককে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে প্রণোদনা। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সরিষার আবাদ থেকে কৃষকরা বাড়তি মুনাফা আয় করতে পারবেন এই অঞ্চলের কৃষকরা।

স্থানীয় সরিষা চাষীরা জানান, গত কয়েক বছর ধরেই ধান চাষে তেমন লাভ হয় না। আর এ কারণেই প্রতি বছরই লোকসান গুনতে হচ্ছে। তাই বিকল্প এবং বাড়তি ফসল হিসেবে অন্য ফসলের পাশাপাশি সরিষা চাষের প্রতি আগ্রহী হচ্ছেন তারা। খুব বেশি খরচ হয়নি। তারপরও সরিষা গাছে ভালো ফুল ধরেছে। তারা আশা করছেন, ফলনও ভালো হবে। গতবারের চেয়ে উৎপাদন আরও বেশি হবে। সে কারণে এবার বেশি লাভের আশা করছেন চাষীরা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ পরেশ চন্দ্র দাস বলেন, উপজেলা কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের দেওয়া হচ্ছে নিয়মতি প্রণোদনা। আর কৃষকদের সবসময় কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে করা হচ্ছে সহযোগিতা। আমরা নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন করছি। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারাও সব সময় মাঠে কাছ করছে। অনুক‚ল আবহাওয়া আর যথাযথ পরিচর্চার কারণে এবার সরিষার বাম্পার ফলন হয়েছে। অন্যান্য ফসলের তুলনায় সরিষার উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় এবং গত কয়েক বছর ধরে বাজারে সরিষার ভালো দাম থাকায় চাষিরা দিন দিন সরিষা চাষের দিকে ঝুঁকছেন।