ঢাকা ০৭:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবি প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ আগামী ১ জুন শিশু রামিসা হত্যা মামলার বিচার শুরু : আইনমন্ত্রী ঘুষি মেরে অটোচালকের নাক ফাটিয়ে দিলেন ট্রাফিক পুলিশ বিধবা ইয়াসমিনকে ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছে মাদারগঞ্জ উপজেলা যুবদল আইন সহায়তা ফাউন্ডেশনের বগারচর ইউনিয়ন শাখার কমিটি অনুমোদন বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল জ্বালানি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী রামিসা হত্যা মামলার বিচার ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যেই সম্পন্ন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদরাসাশিক্ষার্থী কন্যাশিশু নিখোঁজ ঈদযাত্রায় রেলে বাড়তি চাপের মধ্যেও শিডিউল বিপর্যয়ের শঙ্কা নেই : রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম কিশোরীকে যৌন নিপীড়ন, কৃষক গ্রেপ্তার

নকলায় সরিষার বাম্পার ফলন

কৃষি কর্মকর্তার সরিষার ক্ষেত পরিদর্শন করেন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

কৃষি কর্মকর্তার সরিষার ক্ষেত পরিদর্শন করেন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

শফিউল আলম লাভলু, নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

সরিষা চাষে আগ্রহ বাড়ছে শেরপুরের নকলা উপজেলার কৃষকদের। দিগন্তজুড়ে যতদূর চোখ যায় শুধু হলুদ আর হলুদ। দূর থেকে দেখলে মনেই হবে না যে, সরিষার চাষ। এ যেন প্রকৃতির ঢেলে দেওয়া হলুদের সমাহার। বাড়তি ফসল হিসেবে কৃষকদের সরিষা চাষে আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। এদিকে উপজেলা কৃষি বিভাগ বলছে সরিষা আবাদে আগ্রহ বৃদ্ধি করতে চাষীদের দেওয়া হচ্ছে প্রণোদনা ও নিয়মিত পরামর্শ।

উপজেলার চন্দ্রকোনা, নারায়নখোল, উরফা ও নকলা ইউনিয়নে সরিষার আবাদ বেশি হয়ে থাকে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গেল বছর নকলা উপজেলায় ১৪শ ৫০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। আর চাষ হয়েছে ১৬শ ৫০ হেক্টর জমিতে। এবছর ১৬শ ৫০ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর চাষ হয়েছে ১৮শ ৫০ হেক্টর। এবার কৃষকরা স্থানীয় জাতের পাশাপাশি বারি সরিষা-১৪, ১৫, ১৭, বিনা-৯, ৪ ও ১১, টরি-৭ সরিষার আবাদ করে লাভের মুখ দেখছেন। নভেম্বর মাস থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত সরিষা চাষের উপযুক্ত সময়। তাই এই সময় সরিষার ফুলে ভরে গেছে মাঠ। সরিষা চাষে বাম্পার ফলন পেয়ে কৃষকরাও বেশ খুশি।

চলতি মৌসুমে জেলায় রেকর্ড পরিমাণ জমিতে সরিষার চাষ করা হয়েছে। এবছর ২ হাজার ৯২০ জন কৃষককে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে প্রণোদনা। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সরিষার আবাদ থেকে কৃষকরা বাড়তি মুনাফা আয় করতে পারবেন এই অঞ্চলের কৃষকরা।

স্থানীয় সরিষা চাষীরা জানান, গত কয়েক বছর ধরেই ধান চাষে তেমন লাভ হয় না। আর এ কারণেই প্রতি বছরই লোকসান গুনতে হচ্ছে। তাই বিকল্প এবং বাড়তি ফসল হিসেবে অন্য ফসলের পাশাপাশি সরিষা চাষের প্রতি আগ্রহী হচ্ছেন তারা। খুব বেশি খরচ হয়নি। তারপরও সরিষা গাছে ভালো ফুল ধরেছে। তারা আশা করছেন, ফলনও ভালো হবে। গতবারের চেয়ে উৎপাদন আরও বেশি হবে। সে কারণে এবার বেশি লাভের আশা করছেন চাষীরা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ পরেশ চন্দ্র দাস বলেন, উপজেলা কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের দেওয়া হচ্ছে নিয়মতি প্রণোদনা। আর কৃষকদের সবসময় কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে করা হচ্ছে সহযোগিতা। আমরা নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন করছি। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারাও সব সময় মাঠে কাছ করছে। অনুক‚ল আবহাওয়া আর যথাযথ পরিচর্চার কারণে এবার সরিষার বাম্পার ফলন হয়েছে। অন্যান্য ফসলের তুলনায় সরিষার উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় এবং গত কয়েক বছর ধরে বাজারে সরিষার ভালো দাম থাকায় চাষিরা দিন দিন সরিষা চাষের দিকে ঝুঁকছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবি প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ

নকলায় সরিষার বাম্পার ফলন

আপডেট সময় ০২:৪৫:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১
কৃষি কর্মকর্তার সরিষার ক্ষেত পরিদর্শন করেন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

শফিউল আলম লাভলু, নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

সরিষা চাষে আগ্রহ বাড়ছে শেরপুরের নকলা উপজেলার কৃষকদের। দিগন্তজুড়ে যতদূর চোখ যায় শুধু হলুদ আর হলুদ। দূর থেকে দেখলে মনেই হবে না যে, সরিষার চাষ। এ যেন প্রকৃতির ঢেলে দেওয়া হলুদের সমাহার। বাড়তি ফসল হিসেবে কৃষকদের সরিষা চাষে আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। এদিকে উপজেলা কৃষি বিভাগ বলছে সরিষা আবাদে আগ্রহ বৃদ্ধি করতে চাষীদের দেওয়া হচ্ছে প্রণোদনা ও নিয়মিত পরামর্শ।

উপজেলার চন্দ্রকোনা, নারায়নখোল, উরফা ও নকলা ইউনিয়নে সরিষার আবাদ বেশি হয়ে থাকে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গেল বছর নকলা উপজেলায় ১৪শ ৫০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। আর চাষ হয়েছে ১৬শ ৫০ হেক্টর জমিতে। এবছর ১৬শ ৫০ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর চাষ হয়েছে ১৮শ ৫০ হেক্টর। এবার কৃষকরা স্থানীয় জাতের পাশাপাশি বারি সরিষা-১৪, ১৫, ১৭, বিনা-৯, ৪ ও ১১, টরি-৭ সরিষার আবাদ করে লাভের মুখ দেখছেন। নভেম্বর মাস থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত সরিষা চাষের উপযুক্ত সময়। তাই এই সময় সরিষার ফুলে ভরে গেছে মাঠ। সরিষা চাষে বাম্পার ফলন পেয়ে কৃষকরাও বেশ খুশি।

চলতি মৌসুমে জেলায় রেকর্ড পরিমাণ জমিতে সরিষার চাষ করা হয়েছে। এবছর ২ হাজার ৯২০ জন কৃষককে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে প্রণোদনা। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সরিষার আবাদ থেকে কৃষকরা বাড়তি মুনাফা আয় করতে পারবেন এই অঞ্চলের কৃষকরা।

স্থানীয় সরিষা চাষীরা জানান, গত কয়েক বছর ধরেই ধান চাষে তেমন লাভ হয় না। আর এ কারণেই প্রতি বছরই লোকসান গুনতে হচ্ছে। তাই বিকল্প এবং বাড়তি ফসল হিসেবে অন্য ফসলের পাশাপাশি সরিষা চাষের প্রতি আগ্রহী হচ্ছেন তারা। খুব বেশি খরচ হয়নি। তারপরও সরিষা গাছে ভালো ফুল ধরেছে। তারা আশা করছেন, ফলনও ভালো হবে। গতবারের চেয়ে উৎপাদন আরও বেশি হবে। সে কারণে এবার বেশি লাভের আশা করছেন চাষীরা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ পরেশ চন্দ্র দাস বলেন, উপজেলা কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের দেওয়া হচ্ছে নিয়মতি প্রণোদনা। আর কৃষকদের সবসময় কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে করা হচ্ছে সহযোগিতা। আমরা নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন করছি। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারাও সব সময় মাঠে কাছ করছে। অনুক‚ল আবহাওয়া আর যথাযথ পরিচর্চার কারণে এবার সরিষার বাম্পার ফলন হয়েছে। অন্যান্য ফসলের তুলনায় সরিষার উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় এবং গত কয়েক বছর ধরে বাজারে সরিষার ভালো দাম থাকায় চাষিরা দিন দিন সরিষা চাষের দিকে ঝুঁকছেন।