ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মরিয়ম হত্যা : খুনির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন মাদারগঞ্জে ট্রান্সফরমার চুরি, গ্রেপ্তার ৫ মরিয়ম হত্যা : জড়িতদের বিচারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন বকশীগঞ্জে দশানী নদীতে সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন ‘উপমহাদেশের রাজনীতি : স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ও গ্রন্থের পাঠ-পর্যালোচনা মোটরসাইকেলে আগুন দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন নির্ধারিত মূল্যেই মিলছে সার, স্বস্তিতে মেলান্দহের কৃষকেরা শেরপুরে ডাক্তার কনফারেন্স ও চিকিৎসা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত ইত্তেফাকুল উলামা’র নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ফ্যাসিস্টরা থাকলে বাংলাদেশ সিকিম হয়ে যেত : বিমান পরিবহন মন্ত্রী মিল্লাত

সরিষাবাড়ীতে নির্যাতনের শিকার এক স্কুলশিক্ষক

এলাকাবাসীর প্রতিবাদ সভা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

এলাকাবাসীর প্রতিবাদ সভা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলোয় চাঁদা না পেয়ে শিক্ষককে মারধর করেছে যুবলীগ নেতা। এ ঘটনার বিচারের দাবিতে ২৪ ডিসেম্বর সকালে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী।

প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন- সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযুদ্ধা আব্দুল হাকিম, শিক্ষক তোতা মিয়া, রতন মিয়া, ইউপি সদস্য আফসার আলী, স্থানীয় মোয়াজ্জেম হোসেন মিরন, উম্মত আলী, কোরবান আলী, আলমগীর মেম্বার, নজরুল ইসলাম, মোফাজ্জল হোসেন প্রমুখ।

বিদ্যালয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সাতপোয়া ইউনিয়নের চর সরিষাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক শফিকুল ইসলামের কাছে দীর্ঘদিন যাবৎ চাঁদার দাবি করে আসছিল স্থানীয় নামধারী যুবলীগ নেতা উজ্জ্বল, সবুজ ও সৌরভ পন্ডিত। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় ২৩ ডিসেম্বর দুপুরে উজ্জ্বল ও তার সমর্থকরা বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে ধর্মীয় শিক্ষক শফিকুল ইসলামকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে এবং টানা হেচঁড়া করে বিদ্যালয় থেকে রাস্তায় নিয়ে ফেলে দেয়। খবর পেয়ে এলাকাবাসী শিক্ষককে উজ্জ্বলদের হাত থেকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় উজ্জ্বল ও তার সমর্থকদের বিচায়ের দাবিতে স্থানীয় গুরামারা বাজারে এলাকাবাসী প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ করে।

আহত ধর্মীয় শিক্ষক শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, বিদ্যালয়ের সভাপতি জিয়াউল হক ও প্রধান শিক্ষক হেলাল উদ্দিনের চাচাতো ভাই যুবলীগ নেতা উজ্জ্বল মিয়া। দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছে। টাকা দিতে অস্বীকার করায় উজ্জ্বল ও তার সমর্থকরা আমাকে শারীরিকভাবে মারধর করেছে। তাদের ভয়ে থানাতেও যাইতে পারছিনা। হাসপাতালে গিয়েও চিকিৎসা নিতে ভয় পাচ্ছি।

মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করে উজ্জ্বল মিয়া বলেন, আমি কাউকে মারধর করি নাই।

এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আশরাফুল আলম হেলাল পন্ডিত এ প্রতিবেদককে জানান, ধর্মীয় শিক্ষককে উজ্জ্বল মারধর করেছে শুনে তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেই। তবে তাদের মধ্যে আগে থেকেই টাকা পয়সা নিয়ে ঝামেলা ছিল। তাকে মরধর করা ঠিক হয়নি।

আপলোডকারীর তথ্য

মরিয়ম হত্যা : খুনির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন

সরিষাবাড়ীতে নির্যাতনের শিকার এক স্কুলশিক্ষক

আপডেট সময় ০৬:২৯:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২০
এলাকাবাসীর প্রতিবাদ সভা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলোয় চাঁদা না পেয়ে শিক্ষককে মারধর করেছে যুবলীগ নেতা। এ ঘটনার বিচারের দাবিতে ২৪ ডিসেম্বর সকালে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী।

প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন- সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযুদ্ধা আব্দুল হাকিম, শিক্ষক তোতা মিয়া, রতন মিয়া, ইউপি সদস্য আফসার আলী, স্থানীয় মোয়াজ্জেম হোসেন মিরন, উম্মত আলী, কোরবান আলী, আলমগীর মেম্বার, নজরুল ইসলাম, মোফাজ্জল হোসেন প্রমুখ।

বিদ্যালয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সাতপোয়া ইউনিয়নের চর সরিষাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক শফিকুল ইসলামের কাছে দীর্ঘদিন যাবৎ চাঁদার দাবি করে আসছিল স্থানীয় নামধারী যুবলীগ নেতা উজ্জ্বল, সবুজ ও সৌরভ পন্ডিত। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় ২৩ ডিসেম্বর দুপুরে উজ্জ্বল ও তার সমর্থকরা বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে ধর্মীয় শিক্ষক শফিকুল ইসলামকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে এবং টানা হেচঁড়া করে বিদ্যালয় থেকে রাস্তায় নিয়ে ফেলে দেয়। খবর পেয়ে এলাকাবাসী শিক্ষককে উজ্জ্বলদের হাত থেকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় উজ্জ্বল ও তার সমর্থকদের বিচায়ের দাবিতে স্থানীয় গুরামারা বাজারে এলাকাবাসী প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ করে।

আহত ধর্মীয় শিক্ষক শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, বিদ্যালয়ের সভাপতি জিয়াউল হক ও প্রধান শিক্ষক হেলাল উদ্দিনের চাচাতো ভাই যুবলীগ নেতা উজ্জ্বল মিয়া। দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছে। টাকা দিতে অস্বীকার করায় উজ্জ্বল ও তার সমর্থকরা আমাকে শারীরিকভাবে মারধর করেছে। তাদের ভয়ে থানাতেও যাইতে পারছিনা। হাসপাতালে গিয়েও চিকিৎসা নিতে ভয় পাচ্ছি।

মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করে উজ্জ্বল মিয়া বলেন, আমি কাউকে মারধর করি নাই।

এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আশরাফুল আলম হেলাল পন্ডিত এ প্রতিবেদককে জানান, ধর্মীয় শিক্ষককে উজ্জ্বল মারধর করেছে শুনে তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেই। তবে তাদের মধ্যে আগে থেকেই টাকা পয়সা নিয়ে ঝামেলা ছিল। তাকে মরধর করা ঠিক হয়নি।