ঢাকা ১২:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালপুরে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত জামালপুরে প্রয়াত বিএনপি নেতা সাইদুর রহমান খোকা স্মরণে দোয়া মাহফিল গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রায়ে ইউপি সদস্যসহ ৭ জনকে মৃত্যুদন্ড বকশীগঞ্জে অপপ্রচার রোধে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সরিষাবাড়ীতে মৃত দুই গ্রাহকের নমিনির হাতে বীমা দাবির চেক হস্তান্তর মাদারগঞ্জে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত সরিষাবাড়ীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত উদ্ধার হলো খাস জমি, বন্ধ রাস্তা খুলে দেওয়ায় স্বস্তি নকলায় মাদক, দুর্নীতি ও বাল্যবিবাহ বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন সরকারের পবিত্র দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী

সরিষাবাড়ীতে নির্যাতনের শিকার এক স্কুলশিক্ষক

এলাকাবাসীর প্রতিবাদ সভা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

এলাকাবাসীর প্রতিবাদ সভা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলোয় চাঁদা না পেয়ে শিক্ষককে মারধর করেছে যুবলীগ নেতা। এ ঘটনার বিচারের দাবিতে ২৪ ডিসেম্বর সকালে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী।

প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন- সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযুদ্ধা আব্দুল হাকিম, শিক্ষক তোতা মিয়া, রতন মিয়া, ইউপি সদস্য আফসার আলী, স্থানীয় মোয়াজ্জেম হোসেন মিরন, উম্মত আলী, কোরবান আলী, আলমগীর মেম্বার, নজরুল ইসলাম, মোফাজ্জল হোসেন প্রমুখ।

বিদ্যালয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সাতপোয়া ইউনিয়নের চর সরিষাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক শফিকুল ইসলামের কাছে দীর্ঘদিন যাবৎ চাঁদার দাবি করে আসছিল স্থানীয় নামধারী যুবলীগ নেতা উজ্জ্বল, সবুজ ও সৌরভ পন্ডিত। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় ২৩ ডিসেম্বর দুপুরে উজ্জ্বল ও তার সমর্থকরা বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে ধর্মীয় শিক্ষক শফিকুল ইসলামকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে এবং টানা হেচঁড়া করে বিদ্যালয় থেকে রাস্তায় নিয়ে ফেলে দেয়। খবর পেয়ে এলাকাবাসী শিক্ষককে উজ্জ্বলদের হাত থেকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় উজ্জ্বল ও তার সমর্থকদের বিচায়ের দাবিতে স্থানীয় গুরামারা বাজারে এলাকাবাসী প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ করে।

আহত ধর্মীয় শিক্ষক শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, বিদ্যালয়ের সভাপতি জিয়াউল হক ও প্রধান শিক্ষক হেলাল উদ্দিনের চাচাতো ভাই যুবলীগ নেতা উজ্জ্বল মিয়া। দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছে। টাকা দিতে অস্বীকার করায় উজ্জ্বল ও তার সমর্থকরা আমাকে শারীরিকভাবে মারধর করেছে। তাদের ভয়ে থানাতেও যাইতে পারছিনা। হাসপাতালে গিয়েও চিকিৎসা নিতে ভয় পাচ্ছি।

মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করে উজ্জ্বল মিয়া বলেন, আমি কাউকে মারধর করি নাই।

এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আশরাফুল আলম হেলাল পন্ডিত এ প্রতিবেদককে জানান, ধর্মীয় শিক্ষককে উজ্জ্বল মারধর করেছে শুনে তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেই। তবে তাদের মধ্যে আগে থেকেই টাকা পয়সা নিয়ে ঝামেলা ছিল। তাকে মরধর করা ঠিক হয়নি।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত

সরিষাবাড়ীতে নির্যাতনের শিকার এক স্কুলশিক্ষক

আপডেট সময় ০৬:২৯:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২০
এলাকাবাসীর প্রতিবাদ সভা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলোয় চাঁদা না পেয়ে শিক্ষককে মারধর করেছে যুবলীগ নেতা। এ ঘটনার বিচারের দাবিতে ২৪ ডিসেম্বর সকালে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী।

প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন- সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযুদ্ধা আব্দুল হাকিম, শিক্ষক তোতা মিয়া, রতন মিয়া, ইউপি সদস্য আফসার আলী, স্থানীয় মোয়াজ্জেম হোসেন মিরন, উম্মত আলী, কোরবান আলী, আলমগীর মেম্বার, নজরুল ইসলাম, মোফাজ্জল হোসেন প্রমুখ।

বিদ্যালয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সাতপোয়া ইউনিয়নের চর সরিষাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক শফিকুল ইসলামের কাছে দীর্ঘদিন যাবৎ চাঁদার দাবি করে আসছিল স্থানীয় নামধারী যুবলীগ নেতা উজ্জ্বল, সবুজ ও সৌরভ পন্ডিত। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় ২৩ ডিসেম্বর দুপুরে উজ্জ্বল ও তার সমর্থকরা বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে ধর্মীয় শিক্ষক শফিকুল ইসলামকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে এবং টানা হেচঁড়া করে বিদ্যালয় থেকে রাস্তায় নিয়ে ফেলে দেয়। খবর পেয়ে এলাকাবাসী শিক্ষককে উজ্জ্বলদের হাত থেকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় উজ্জ্বল ও তার সমর্থকদের বিচায়ের দাবিতে স্থানীয় গুরামারা বাজারে এলাকাবাসী প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ করে।

আহত ধর্মীয় শিক্ষক শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, বিদ্যালয়ের সভাপতি জিয়াউল হক ও প্রধান শিক্ষক হেলাল উদ্দিনের চাচাতো ভাই যুবলীগ নেতা উজ্জ্বল মিয়া। দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছে। টাকা দিতে অস্বীকার করায় উজ্জ্বল ও তার সমর্থকরা আমাকে শারীরিকভাবে মারধর করেছে। তাদের ভয়ে থানাতেও যাইতে পারছিনা। হাসপাতালে গিয়েও চিকিৎসা নিতে ভয় পাচ্ছি।

মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করে উজ্জ্বল মিয়া বলেন, আমি কাউকে মারধর করি নাই।

এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আশরাফুল আলম হেলাল পন্ডিত এ প্রতিবেদককে জানান, ধর্মীয় শিক্ষককে উজ্জ্বল মারধর করেছে শুনে তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেই। তবে তাদের মধ্যে আগে থেকেই টাকা পয়সা নিয়ে ঝামেলা ছিল। তাকে মরধর করা ঠিক হয়নি।