ঢাকা ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কন্যাশিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক জনতার হাতে আটক যোগিরঘোপায় পানিবন্দি ২০০ পরিবার পেল বিএনপির ত্রাণ সহায়তা শেরপুরে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের কৃষি উপকরণ বিতরণ দেওয়ানগঞ্জে সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিডি ক্লিন প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ জামানত ছাড়াই ৫ কোটি টাকা ঋণ পাবে তরুণ উদ্যোক্তারা : প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এগিয়ে ইংল্যান্ড জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের কার্যক্রমকে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হেফাজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ

বাঁচামরার লড়াই আফগানিস্তান ও বাংলাদেশের

বাংলার চিঠি ডটকম ডেস্ক॥
সুপার ফোরে প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান উভয় দলই হেরেছে। তাই এই দু’দলের জন্যই দ্বিতীয় ম্যাচ খুব গুরুত্বপূর্ণ, বলা যায় বাঁচামরার লড়াই। সেই লড়াইয়ে এবার আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ২৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সময় বিকাল সাড়ে পাঁচটায় শুরু হবে ম্যাচটি।

পাকিস্তানের কাছে সুপার ফোর ম্যাচে হেরেছে আফগানিস্তান। তবে বাংলাদেশের বিপক্ষে গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচ তাদের আত্মবিশ্বাসের দিকে কিছুটা এগিয়ে রাখতে পারে। কারণ শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশ দু’দলকে হারিয়ে তারা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আসে সুপার ফোরে। বিশেষ করে শেষ দুই ম্যাচে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা যেভাবে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে তা এই ম্যাচেও কাজে লাগাতে চাইবে আফগানরা।

প্রথম পাওয়ার প্লে-তে মোহাম্মদ শাহজাদ ও ইহসানুল্লাহ পাওয়ার প্লে-তে ভালো খেলেন। সেই সুযোগ তারা কাজে লাগাতে চাইবেন। তাদের মিডল অর্ডারই মূল কাজটি করে দেয়। আর শেষ ১০ ওভারে স্কোর যতোটা বাড়ানো যায় সেই চেষ্টা তারা করবেন। শেষ দুই ম্যাচে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বিপক্ষে শেষ ১০ ওভারে যথাক্রমে ৯৭ ও ৮৭ রান করে দলটি।

বোলিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছে তাদের তিন স্পিনার মুজিব উর রহমান, রাশিদ খান ও মোহাম্মদ নবী। এই ম্যাচেও তারা থাকবেন বোলারদের জন্য আতঙ্ক হিসেবে।

বাংলাদেশের জন্য এই ম্যাচও চ্যালেঞ্জিং। কারণ ইনজুরির কারণে দলের বাইরে আছেন দেশের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান ওপেনার তামিম ইকবাল। তাই ওপেনিংয়ে খেলছেন লিটন দাস ও নাজমুল হাসান শান্ত। গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থাকছে মোসাদ্দেক হোসেনের কাঁধে। নির্বাচকদের তালিকায় আছেন সৌম্য সরকার ও ইমরুল কায়েস। তবে মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ থাকায় কিছুটা স্বস্তি থাকছে।

এই ম্যাচ নিয়ে বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা বলেছেন, আমরা পরপর দুটি ম্যাচে ব্যর্থ হয়েছি। দ্রুত উইকেট পতনে সবাই উদ্বিগ্ন। আমরা সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচে ওই অবস্থা থেকে উত্তোরণের চেষ্টা করেছি, কিন্তু সম্ভব হয়নি। আমাদের অবশ্য আফগানিস্তান এবং ভারতের বিপক্ষে বিশ্বমানের বোলারদের বিপক্ষে খেলতে হয়েছে। আমাদেরকে অবশ্যই ভালো কিছু পার্টনারশিপ গড়ে তুলতে হবে। কেননা আমরা প্রথম ৩০ ওভারে সেভাবে লড়তে পারিনি।

সূত্র : ইত্তেফাক

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বাঁচামরার লড়াই আফগানিস্তান ও বাংলাদেশের

আপডেট সময় ০৭:০০:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

বাংলার চিঠি ডটকম ডেস্ক॥
সুপার ফোরে প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান উভয় দলই হেরেছে। তাই এই দু’দলের জন্যই দ্বিতীয় ম্যাচ খুব গুরুত্বপূর্ণ, বলা যায় বাঁচামরার লড়াই। সেই লড়াইয়ে এবার আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ২৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সময় বিকাল সাড়ে পাঁচটায় শুরু হবে ম্যাচটি।

পাকিস্তানের কাছে সুপার ফোর ম্যাচে হেরেছে আফগানিস্তান। তবে বাংলাদেশের বিপক্ষে গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচ তাদের আত্মবিশ্বাসের দিকে কিছুটা এগিয়ে রাখতে পারে। কারণ শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশ দু’দলকে হারিয়ে তারা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আসে সুপার ফোরে। বিশেষ করে শেষ দুই ম্যাচে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা যেভাবে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে তা এই ম্যাচেও কাজে লাগাতে চাইবে আফগানরা।

প্রথম পাওয়ার প্লে-তে মোহাম্মদ শাহজাদ ও ইহসানুল্লাহ পাওয়ার প্লে-তে ভালো খেলেন। সেই সুযোগ তারা কাজে লাগাতে চাইবেন। তাদের মিডল অর্ডারই মূল কাজটি করে দেয়। আর শেষ ১০ ওভারে স্কোর যতোটা বাড়ানো যায় সেই চেষ্টা তারা করবেন। শেষ দুই ম্যাচে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বিপক্ষে শেষ ১০ ওভারে যথাক্রমে ৯৭ ও ৮৭ রান করে দলটি।

বোলিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছে তাদের তিন স্পিনার মুজিব উর রহমান, রাশিদ খান ও মোহাম্মদ নবী। এই ম্যাচেও তারা থাকবেন বোলারদের জন্য আতঙ্ক হিসেবে।

বাংলাদেশের জন্য এই ম্যাচও চ্যালেঞ্জিং। কারণ ইনজুরির কারণে দলের বাইরে আছেন দেশের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান ওপেনার তামিম ইকবাল। তাই ওপেনিংয়ে খেলছেন লিটন দাস ও নাজমুল হাসান শান্ত। গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থাকছে মোসাদ্দেক হোসেনের কাঁধে। নির্বাচকদের তালিকায় আছেন সৌম্য সরকার ও ইমরুল কায়েস। তবে মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ থাকায় কিছুটা স্বস্তি থাকছে।

এই ম্যাচ নিয়ে বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা বলেছেন, আমরা পরপর দুটি ম্যাচে ব্যর্থ হয়েছি। দ্রুত উইকেট পতনে সবাই উদ্বিগ্ন। আমরা সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচে ওই অবস্থা থেকে উত্তোরণের চেষ্টা করেছি, কিন্তু সম্ভব হয়নি। আমাদের অবশ্য আফগানিস্তান এবং ভারতের বিপক্ষে বিশ্বমানের বোলারদের বিপক্ষে খেলতে হয়েছে। আমাদেরকে অবশ্যই ভালো কিছু পার্টনারশিপ গড়ে তুলতে হবে। কেননা আমরা প্রথম ৩০ ওভারে সেভাবে লড়তে পারিনি।

সূত্র : ইত্তেফাক