ঢাকা ১২:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপিনেতা শাহ মাসুদের নির্বাচনী গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ মেলান্দহে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ইটভাটার চিমনি ধ্বংস বকশীগঞ্জে অ্যাপসে সার বিতরণের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জ : সিলিং ফ্যানে ঝুলে যুবকের আত্মহত্যা মরিয়ম হত্যা : খুনির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন মাদারগঞ্জে ট্রান্সফরমার চুরি, গ্রেপ্তার ৫ মরিয়ম হত্যা : জড়িতদের বিচারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন বকশীগঞ্জে দশানী নদীতে সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন ‘উপমহাদেশের রাজনীতি : স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ও গ্রন্থের পাঠ-পর্যালোচনা মোটরসাইকেলে আগুন দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

শান্তিপূর্ণ সমাজ নির্মাণে ইসলামের আদর্শ সমুন্নত রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ইসলামকে শান্তি ও কল্যাণের ধর্ম হিসেবে উল্লেখ করে সকলের মাঝে এই মহান ধর্মের মহত্ব ও আদর্শ ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য মুসলমানদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৫ জুন সকালে বঙ্গভবনে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ভাষণ দানকালে বলেন, ‘এখানে হিংসা-বিদ্বেষ ও সহিংসতার কোন জায়গা নেই।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ইসলাম এমন এক ধর্ম যেখানে মানবিক মূল্যবোধ, শান্তিপূর্ণ সহঅবস্থান, পরম সহিষ্ণুতা, সাম্য, বন্ধুত্ব ও শাশ্বত কল্যাণের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

আবদুল হামিদ বলেন, ঈদুল ফিতরের মর্মার্থ হচ্ছে শান্তিপূর্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণ, যা ধনী-দরিদ্র, আমির-ফকির সকল শ্রেণীর লোকদের এক কাতারে নিয়ে আসে।

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ এক মাস রোজা শেষে পবিত্র ঈদ ধনী-নির্ধন, উঁচু-নিচু নির্বিশেষে সকল শ্রেণীর লোকদের মাঝে ভালবাসা, সম্প্রীতি ও ঐক্যের সুদৃঢ় বন্ধন তৈরি করে।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও তার পত্নী রাশিদা খানম আহুত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর পর্যন্ত চলে।

ঈদুল ফিতরের এই শিক্ষা সকলের মাঝে ছড়িয়ে যাবে এবং একটি সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণে সহায়ক হবে বলেও রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আবদুল্লাহ, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, সংসদ সদস্য, মহা পুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি), বিচারপতিগণ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিবৃন্দ, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, শিল্পীবৃন্দ এবং ঊর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাগণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

তাছাড়া কূটনৈতিক কোরের ডীন, বাংলাদেশে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারগণ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের প্রধানগণও অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সূত্র : বাসস

আপলোডকারীর তথ্য

বিএনপিনেতা শাহ মাসুদের নির্বাচনী গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ

শান্তিপূর্ণ সমাজ নির্মাণে ইসলামের আদর্শ সমুন্নত রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

আপডেট সময় ০৪:৩৩:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ জুন ২০১৯

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ইসলামকে শান্তি ও কল্যাণের ধর্ম হিসেবে উল্লেখ করে সকলের মাঝে এই মহান ধর্মের মহত্ব ও আদর্শ ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য মুসলমানদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৫ জুন সকালে বঙ্গভবনে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ভাষণ দানকালে বলেন, ‘এখানে হিংসা-বিদ্বেষ ও সহিংসতার কোন জায়গা নেই।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ইসলাম এমন এক ধর্ম যেখানে মানবিক মূল্যবোধ, শান্তিপূর্ণ সহঅবস্থান, পরম সহিষ্ণুতা, সাম্য, বন্ধুত্ব ও শাশ্বত কল্যাণের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

আবদুল হামিদ বলেন, ঈদুল ফিতরের মর্মার্থ হচ্ছে শান্তিপূর্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণ, যা ধনী-দরিদ্র, আমির-ফকির সকল শ্রেণীর লোকদের এক কাতারে নিয়ে আসে।

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ এক মাস রোজা শেষে পবিত্র ঈদ ধনী-নির্ধন, উঁচু-নিচু নির্বিশেষে সকল শ্রেণীর লোকদের মাঝে ভালবাসা, সম্প্রীতি ও ঐক্যের সুদৃঢ় বন্ধন তৈরি করে।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও তার পত্নী রাশিদা খানম আহুত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর পর্যন্ত চলে।

ঈদুল ফিতরের এই শিক্ষা সকলের মাঝে ছড়িয়ে যাবে এবং একটি সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণে সহায়ক হবে বলেও রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আবদুল্লাহ, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, সংসদ সদস্য, মহা পুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি), বিচারপতিগণ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিবৃন্দ, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, শিল্পীবৃন্দ এবং ঊর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাগণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

তাছাড়া কূটনৈতিক কোরের ডীন, বাংলাদেশে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারগণ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের প্রধানগণও অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সূত্র : বাসস