ঢাকা ০২:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খাল খনন গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে : ফাহিম চৌধুরী

নকলা : খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরের নকলা উপজেলায় অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির (ইজিপিপি) আওতায় দুটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ উদ্বোধন করা হয়েছে। ১২ মে, মঙ্গলবার উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এসব প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও ফরিদা ইয়াসমিন।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় নকলা উপজেলায় দুটি খাল পুনঃখনন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে গনপদ্দী ইউনিয়নের পেকুয়া বিলের মোহনা হতে বিহারীরপাড় উট ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় ৩ দশমিক ৯৩০ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৭৭ লাখ ২৮ হাজার ৮৪২ টাকা। এ প্রকল্পে ১৭৮ জন উপকারভোগী কাজের সুযোগ পাবেন।

অপরদিকে পাঠাকাটা ইউনিয়নের বুরুডুবি খাল হিসেবে পরিচিত কামরুলের বাড়ির সামনের এলাকা হতে গোদাডাংগা হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদী পর্যন্ত প্রায় ৩ দশমিক ৪৮৮ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এক কোটি ২৮ লাখ সাত হাজার ৮০০ টাকা। এ প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন ২১৬ জন উপকারভোগী। খাল খনন কার্যক্রমের পরে খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমও উদ্বোধন করেন তিনি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য ফাহিম চৌধুরী বলেন, ১৯৭৭ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান খাল খনন কার্যক্রম শুরু করেছিলেন। দীর্ঘ সময় রাজনৈতিক জটিলতায় এ কার্যক্রম বন্ধ ছিল। বর্তমান সরকারের উদ্যোগে আবারও খাল পুনঃখনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, খাল পুনঃখননের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। পাশাপাশি অতিদরিদ্র মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হবে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রশাসনের কর্মকর্তা, প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, সাংবাদিকসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

খাল খনন গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে : ফাহিম চৌধুরী

আপডেট সময় ০৮:১৩:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

শেরপুরের নকলা উপজেলায় অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির (ইজিপিপি) আওতায় দুটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ উদ্বোধন করা হয়েছে। ১২ মে, মঙ্গলবার উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এসব প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও ফরিদা ইয়াসমিন।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় নকলা উপজেলায় দুটি খাল পুনঃখনন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে গনপদ্দী ইউনিয়নের পেকুয়া বিলের মোহনা হতে বিহারীরপাড় উট ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় ৩ দশমিক ৯৩০ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৭৭ লাখ ২৮ হাজার ৮৪২ টাকা। এ প্রকল্পে ১৭৮ জন উপকারভোগী কাজের সুযোগ পাবেন।

অপরদিকে পাঠাকাটা ইউনিয়নের বুরুডুবি খাল হিসেবে পরিচিত কামরুলের বাড়ির সামনের এলাকা হতে গোদাডাংগা হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদী পর্যন্ত প্রায় ৩ দশমিক ৪৮৮ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এক কোটি ২৮ লাখ সাত হাজার ৮০০ টাকা। এ প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন ২১৬ জন উপকারভোগী। খাল খনন কার্যক্রমের পরে খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমও উদ্বোধন করেন তিনি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য ফাহিম চৌধুরী বলেন, ১৯৭৭ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান খাল খনন কার্যক্রম শুরু করেছিলেন। দীর্ঘ সময় রাজনৈতিক জটিলতায় এ কার্যক্রম বন্ধ ছিল। বর্তমান সরকারের উদ্যোগে আবারও খাল পুনঃখনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, খাল পুনঃখননের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। পাশাপাশি অতিদরিদ্র মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হবে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রশাসনের কর্মকর্তা, প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, সাংবাদিকসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।