‘যদি সুস্থ থাকতে চান, ভেজালমুক্ত খাদ্য খান’ এই মূলসুর তুলে জামালপুরে অনিরাপদ খাদ্যের স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও প্রতিরোধে করণীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ৩০ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার জামালপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুপ আলী। তিনি বলেন, হোটেল মালিক, পথ খাবার বিক্রেতা থেকে শুরু করে খাদ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ, বিপননের সাথে যুক্ত সকলকেই সচেতন হতে হবে। সবকিছুতেই পুলিশিং ব্যবস্থা দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তবে প্রচলিত আইনের প্রয়োগ করতে হবে। প্রয়োজনে ভেজাল খাদ্য তৈরির সাথে যুক্ত প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিতে হবে। স্কুলের সামনে অস্বাস্থ্যকর খাদ্য বিক্রেতাদের প্রথমে সতর্ক করতে হবে। সতর্ক না মানলে পেনাল কোডের নির্দেশনা অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে হবে। যে প্রতিষ্ঠানই অনিয়ম করবে সেখানেই পদক্ষেপ নিতে হবে।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম আব্দুল্লাহ বিন রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ক্যাব জামালপুর জেলা শাখার সদস্য ও উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম, হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি ইকরামুল হক নবীন, গোয়াবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সানিয়া সুলতানা প্রমুখ। সভা সঞ্চালনা করেন জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা আবু নাসের মোহাম্মদ শফিউল্লাহ।
সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম আব্দুল্লাহ বিন রশিদ বলেন, খাদ্য নিরাপদ রাখার পাঁচটি চাবিকাঠি অভ্যাস করলে সবাই সুস্থ থাকবে। যেমন পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, কাঁচা ও রান্না করা খাদ্য আলাদা রাখা, সঠিকভাবে রান্না করা, নিরাপদ তাপমাত্রায় খাদ্য সংরক্ষণ করা এবং নিরাপদ পানি ও খাদ্য উপকরণ ব্যবহার করা।
সভায় শিক্ষক, স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, হোটেল মালিক সমিতির প্রতিনিধি, ফুচকা, চটপটি বিক্রেতাসহ বিভিন্ন শ্রেণি, পেশার অর্ধশতাধিক প্রতিনিধি অংশ নেন।
উল্লেখ, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের আওতায় সারাদেশের মত জামালপুরের সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আসছে।
বাংলার চিঠি ডেস্ক : 


















