ঢাকা ০৪:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নকলায় নির্ধারিত দামে সার বিক্রির নির্দেশ উপ-পরিচালকের আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস : মাদারগঞ্জে শোভাযাত্রা আলোচনা সভা নকলায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আগুন, ততক্ষণে পুড়ে ছাই সবকিছু শেরপুরে পূবালী ব্যাংকের ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং বুথ উদ্বোধন ৩৫ বিজিবির অভিযান : ভারতীয় মদ, কসমেটিকস পণ্য উদ্ধার একদিকে নদীভাঙন প্রতিরোধ : অন্যদিকে ড্রেজার বসিয়ে বালু লুট : এলাকাবাসীর চরম ক্ষোভ মাদারগঞ্জে ১২৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান বকশীগঞ্জে বৃদ্ধা নুরেদার ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা সড়ক দুর্ঘটনায় ওমর সানি নিহত বিএনপিনেতা শাহ্ মাসুদের গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ

দেওয়ানগঞ্জে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিক্রি শুরু

দেওয়ানগঞ্জ : হাতীভাঙ্গা বাজারে সবুজ এন্টারপ্রাইজে বিক্রি করা হচ্ছে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি শুরু হয়েছে। ৩০ মার্চ, সোমবার সকাল থেকে উপজেলার আটটি ইউনিয়নে চাল বিক্রি শুরু হয়েছে।

জানা গেছে, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার আটটি ইউনিয়নে ৩৯ জন ডিলারের মাধ্যমে ২০ হাজার ৫৯৬ জন দুঃস্থদের মাঝে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণ করছেন ডিলারেরা।

৩০ মার্চ সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, হাতীভাঙ্গা ইউনিয়নের দক্ষিণ সাপমারি রাফি এন্টারপ্রাইজ, হাতীভঙ্গা বাজার সবুজ এন্টারপ্রাইজ, পাররামরামপুর ইউনিয়নের মন্ডলপাড়ায় মাহিয়া এন্টারপাইজ, উত্তর রহিমপুর তাসনিম সিরাত এন্টারপ্রাইজ, উত্তর মোয়ামারিতে শুভ এন্টারপ্রাইজ, ডিগ্রিরচর বাজারে সাফান এন্টারপ্রাইজ চাল বিক্রি করা হচ্ছে।

রাফি এন্টারপ্রাইজের ডিলার আল আমিন এ প্রতিবেদককে বলেন, সরকারি নিয়মনীতি অনুযায়ী দরিদ্রদের মাঝে প্রতি কার্ডধারীর কাছে ১৫ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি করে চাল বিক্রি করা হচ্ছে। হাতীভঙ্গা বাজারের সবুজ এন্টারপ্রাইজের ডিলার মধু মিয়া জানান, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওয়তায় ৫৪০ জন কার্ডধারী হতদরিদ্রদের মাঝে বিক্রির জন্য ১৬ দশমিক ২০০ মেট্রিত টন চাল বরাদ্দ পেয়েছি। প্রতি কার্ডধারীদের কাছে ৩০ কেজি করে চাল বিক্রি করা হচ্ছে।

মণ্ডলপাড়ায় মাহিয়া এন্টারপাইজের ডিলার মনিরুজ্জামান জানান, ৫৩৯ জন কার্ডধারী দরিদ্র পরিবারের মাঝে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি করা হচ্ছে। কোনোপ্রকার সমস্যা হয়নি। নিযুক্ত সরকারি একজন কর্মকর্তার উপস্থিতিতেই চাল বিক্রি করা হচ্ছে। উত্তর রহিমপুরের তাসনিম সিরাত এন্টারপ্রাইজের ডিলার শামীম রায়হান জানান, ৫১৫ জন সুবিধাভোগীদের ১৫ দশমিক ৪৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ পেয়েছি। সকাল থেকে প্রতিজন কার্ডধারীর কাছে ৩০ কেজি করে চাল বিক্রি করা হচ্ছে।

উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ সায়েদুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে বলেন, অনিয়ম দুর্নীতি ঠেকাতে প্রতিটি ডিলারের সাথে একজন করে সরকারি কর্মকর্তা নিযুক্ত করা হয়েছে। সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদেরও তদারকি কর্মকর্তা নিযুক্ত করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মুরাদ হাসান এ প্রতিবেদককে বলেন, দরিদ্র ও হতদরিদ্র পরিবারেরা যেন অল্প অর্থে খাদ্য কিনতে পারেন সে জন্য সরকার ভর্তুকি দিয়ে এই চাল ডিলারদের মাধ্যমে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে চাল বিতরণে যেন কোন অনিয়ম না হয় সেই জন্য প্রতি ডিলারদের চালবিতরণের জন্য ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।  নজরদারিও করা হচ্ছে।

নকলায় নির্ধারিত দামে সার বিক্রির নির্দেশ উপ-পরিচালকের

দেওয়ানগঞ্জে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিক্রি শুরু

আপডেট সময় ০৭:৪৪:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি শুরু হয়েছে। ৩০ মার্চ, সোমবার সকাল থেকে উপজেলার আটটি ইউনিয়নে চাল বিক্রি শুরু হয়েছে।

জানা গেছে, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার আটটি ইউনিয়নে ৩৯ জন ডিলারের মাধ্যমে ২০ হাজার ৫৯৬ জন দুঃস্থদের মাঝে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণ করছেন ডিলারেরা।

৩০ মার্চ সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, হাতীভাঙ্গা ইউনিয়নের দক্ষিণ সাপমারি রাফি এন্টারপ্রাইজ, হাতীভঙ্গা বাজার সবুজ এন্টারপ্রাইজ, পাররামরামপুর ইউনিয়নের মন্ডলপাড়ায় মাহিয়া এন্টারপাইজ, উত্তর রহিমপুর তাসনিম সিরাত এন্টারপ্রাইজ, উত্তর মোয়ামারিতে শুভ এন্টারপ্রাইজ, ডিগ্রিরচর বাজারে সাফান এন্টারপ্রাইজ চাল বিক্রি করা হচ্ছে।

রাফি এন্টারপ্রাইজের ডিলার আল আমিন এ প্রতিবেদককে বলেন, সরকারি নিয়মনীতি অনুযায়ী দরিদ্রদের মাঝে প্রতি কার্ডধারীর কাছে ১৫ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি করে চাল বিক্রি করা হচ্ছে। হাতীভঙ্গা বাজারের সবুজ এন্টারপ্রাইজের ডিলার মধু মিয়া জানান, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওয়তায় ৫৪০ জন কার্ডধারী হতদরিদ্রদের মাঝে বিক্রির জন্য ১৬ দশমিক ২০০ মেট্রিত টন চাল বরাদ্দ পেয়েছি। প্রতি কার্ডধারীদের কাছে ৩০ কেজি করে চাল বিক্রি করা হচ্ছে।

মণ্ডলপাড়ায় মাহিয়া এন্টারপাইজের ডিলার মনিরুজ্জামান জানান, ৫৩৯ জন কার্ডধারী দরিদ্র পরিবারের মাঝে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি করা হচ্ছে। কোনোপ্রকার সমস্যা হয়নি। নিযুক্ত সরকারি একজন কর্মকর্তার উপস্থিতিতেই চাল বিক্রি করা হচ্ছে। উত্তর রহিমপুরের তাসনিম সিরাত এন্টারপ্রাইজের ডিলার শামীম রায়হান জানান, ৫১৫ জন সুবিধাভোগীদের ১৫ দশমিক ৪৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ পেয়েছি। সকাল থেকে প্রতিজন কার্ডধারীর কাছে ৩০ কেজি করে চাল বিক্রি করা হচ্ছে।

উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ সায়েদুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে বলেন, অনিয়ম দুর্নীতি ঠেকাতে প্রতিটি ডিলারের সাথে একজন করে সরকারি কর্মকর্তা নিযুক্ত করা হয়েছে। সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদেরও তদারকি কর্মকর্তা নিযুক্ত করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মুরাদ হাসান এ প্রতিবেদককে বলেন, দরিদ্র ও হতদরিদ্র পরিবারেরা যেন অল্প অর্থে খাদ্য কিনতে পারেন সে জন্য সরকার ভর্তুকি দিয়ে এই চাল ডিলারদের মাধ্যমে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে চাল বিতরণে যেন কোন অনিয়ম না হয় সেই জন্য প্রতি ডিলারদের চালবিতরণের জন্য ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।  নজরদারিও করা হচ্ছে।