ঢাকা ১০:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার : আইনমন্ত্রী স্বাধীনতা পুরস্কার হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী ২৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রতারক কন্টেন্ট ক্রিয়েটর মনির গ্রেপ্তার মুন মেমোরিয়ালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা বকশীগঞ্জের কৃষকেরা বিনামূল্যে পেল বীজ সার গণপরিবহনে যাত্রীবান্ধব সেবার দাবিতে সনাকের মানববন্ধন শেরপুরে ১ লাখ ৬১ হাজার শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হবে টাইমের ২০২৬ সালের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় তারেক রহমান আগামী দুই মাসেও জ্বালানি তেলের সমস্যা হবে না : জ্বালানি মুখপাত্র

পাকিস্তানের কাছে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বড় হার বাংলাদেশের

জামালপুর : সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে পাকিস্তানের কাছে বৃষ্টি আইনে ১২৮ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। ছবি : সংগৃহীত

ব্যাটিং ব্যর্থতায় সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে পাকিস্তানের কাছে বৃষ্টি আইনে ১২৮ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ।

প্রথমে ব্যাট করে ২৭৪ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। এরপর বৃষ্টি আইনে ৩২ ওভারে ২৪৩ রানের নতুন টার্গেট পায় বাংলাদেশ। জবাবে ২৩ দশমিক ৩ ওভারে ১১৪ রানে গুটিয়ে যায় টাইগাররা। এই জয়ে সিরিজে ১-১ সমতা ফেরাল পাকিস্তান। সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ৮ উইকেটে জিতেছিল বাংলাদেশ।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১৩ মার্চ, শুক্রবার টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তানকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান ও সাদাকাত। উদ্বোধনী জুটিতে ৭৯ বলে ১০৩ রান যোগ করেন তারা।

সাদাকাতের মারমুখী ব্যাটিংয়ে সপ্তম ওভারে ৫০ এবং ১৩তম ওভারে শতরানে রানে পা রাখে পাকিস্তান। ৩১ বলে হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করে বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজের বলে আউট হন সাদাকাত। ৬টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৪৬ বলে ৭৫ রান করেন তিনি।

মিরাজের ব্রেক-থ্রুর পর পাকিস্তানকে চেপে ধরার চেষ্টা করেন বাংলাদেশের দুই পেসার তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানা। ১ রানের ব্যবধানে দুই উইকেট শিকার করেন তারা। ফারহানকে ৩১ রানে তাসকিন এবং শামিল হুসেনকে ৬ রানে বিদায় দেন রানা। এতে ১২২ রানে ৩ উইকেট হারায় পাকিস্তান।

চতুর্থ উইকেটে বাংলাদেশ বোলারদের সামনে প্রতিরোধ গড়ে ১১৫ বলে ১০৯ রানের জুটি গড়েন উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান। হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করে ব্যক্তিগত ৬৪ রানে রান আউটের ফাঁদে পড়েন সালমান। ৬২ বলের ইনিংসে ৭টি চার ও ২টি ছক্কা মারেন তিনি। সালমান ফেরার ওভারেই মিরাজের দ্বিতীয় শিকার হন রিজওয়ান। ডিপ মিড উইকেট দিয়ে ছক্কা মারতে গিয়ে রিশাদকে ক্যাচ দেন ৫টি চারে ৪৪ রান করা রিজওয়ান।

দলীয় ২৩১ রানে পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে রিজওয়ান আউট হবার পর স্পিনার রিশাদের ঘূর্ণি সামলাতে না পেরে বড় সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারেনি পাকিস্তান। ৪৭ দশমিক ৩ ওভারে ২৭৪ রানে অলআউট হয় সফরকারীরা। লোয়ার অর্ডারে আব্দুল সামাদ ১১ ও ফাহিম আশরাফ ১৪ রানে আউট হন। ৫৬ রানে ৩ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের সফল বোলার রিশাদ। এছাড়া মিরাজ ২টি, তাসকিন-মুস্তাফিজ ও রানা ১টি করে উইকেট নেন।

জবাব দিতে নেমে ৬ দশমিক ৩ ওভারে ৩ উইকেট ২৭ রান করে বাংলাদেশ। এরপর বৃষ্টির কারনে দুই ঘন্টা খেলা বন্ধ থাকায় বৃষ্টি আইনে ৩২ ওভারে ২৪৩ রানের নতুন টার্গেট পায় টাইগাররা।

নতুন লক্ষ্যের পেছনে ছুটতে গিয়ে ব্যাটারদের ব্যর্থতায় ২৩ দশমিক ৩ ওভারে ১১৪ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪১ রান করেন লিটন দাস। এছাড়া তাওহিদ হৃদয় ২৮ ও আফিফ হোসেন ১৪ রান করেন। পাকিস্তানের হারিস রউফ ও সাদাকাত ৩টি করে উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা হন সাদাকাত।

আগামী ১৫ মার্চ একই ভেন্যুতে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী

পাকিস্তানের কাছে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বড় হার বাংলাদেশের

আপডেট সময় ১১:৪০:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

ব্যাটিং ব্যর্থতায় সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে পাকিস্তানের কাছে বৃষ্টি আইনে ১২৮ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ।

প্রথমে ব্যাট করে ২৭৪ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। এরপর বৃষ্টি আইনে ৩২ ওভারে ২৪৩ রানের নতুন টার্গেট পায় বাংলাদেশ। জবাবে ২৩ দশমিক ৩ ওভারে ১১৪ রানে গুটিয়ে যায় টাইগাররা। এই জয়ে সিরিজে ১-১ সমতা ফেরাল পাকিস্তান। সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ৮ উইকেটে জিতেছিল বাংলাদেশ।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১৩ মার্চ, শুক্রবার টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তানকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান ও সাদাকাত। উদ্বোধনী জুটিতে ৭৯ বলে ১০৩ রান যোগ করেন তারা।

সাদাকাতের মারমুখী ব্যাটিংয়ে সপ্তম ওভারে ৫০ এবং ১৩তম ওভারে শতরানে রানে পা রাখে পাকিস্তান। ৩১ বলে হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করে বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজের বলে আউট হন সাদাকাত। ৬টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৪৬ বলে ৭৫ রান করেন তিনি।

মিরাজের ব্রেক-থ্রুর পর পাকিস্তানকে চেপে ধরার চেষ্টা করেন বাংলাদেশের দুই পেসার তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানা। ১ রানের ব্যবধানে দুই উইকেট শিকার করেন তারা। ফারহানকে ৩১ রানে তাসকিন এবং শামিল হুসেনকে ৬ রানে বিদায় দেন রানা। এতে ১২২ রানে ৩ উইকেট হারায় পাকিস্তান।

চতুর্থ উইকেটে বাংলাদেশ বোলারদের সামনে প্রতিরোধ গড়ে ১১৫ বলে ১০৯ রানের জুটি গড়েন উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান। হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করে ব্যক্তিগত ৬৪ রানে রান আউটের ফাঁদে পড়েন সালমান। ৬২ বলের ইনিংসে ৭টি চার ও ২টি ছক্কা মারেন তিনি। সালমান ফেরার ওভারেই মিরাজের দ্বিতীয় শিকার হন রিজওয়ান। ডিপ মিড উইকেট দিয়ে ছক্কা মারতে গিয়ে রিশাদকে ক্যাচ দেন ৫টি চারে ৪৪ রান করা রিজওয়ান।

দলীয় ২৩১ রানে পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে রিজওয়ান আউট হবার পর স্পিনার রিশাদের ঘূর্ণি সামলাতে না পেরে বড় সংগ্রহ দাঁড় করাতে পারেনি পাকিস্তান। ৪৭ দশমিক ৩ ওভারে ২৭৪ রানে অলআউট হয় সফরকারীরা। লোয়ার অর্ডারে আব্দুল সামাদ ১১ ও ফাহিম আশরাফ ১৪ রানে আউট হন। ৫৬ রানে ৩ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের সফল বোলার রিশাদ। এছাড়া মিরাজ ২টি, তাসকিন-মুস্তাফিজ ও রানা ১টি করে উইকেট নেন।

জবাব দিতে নেমে ৬ দশমিক ৩ ওভারে ৩ উইকেট ২৭ রান করে বাংলাদেশ। এরপর বৃষ্টির কারনে দুই ঘন্টা খেলা বন্ধ থাকায় বৃষ্টি আইনে ৩২ ওভারে ২৪৩ রানের নতুন টার্গেট পায় টাইগাররা।

নতুন লক্ষ্যের পেছনে ছুটতে গিয়ে ব্যাটারদের ব্যর্থতায় ২৩ দশমিক ৩ ওভারে ১১৪ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪১ রান করেন লিটন দাস। এছাড়া তাওহিদ হৃদয় ২৮ ও আফিফ হোসেন ১৪ রান করেন। পাকিস্তানের হারিস রউফ ও সাদাকাত ৩টি করে উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা হন সাদাকাত।

আগামী ১৫ মার্চ একই ভেন্যুতে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে।