ঢাকা ০১:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে ইসলামী চিন্তাবিদ ও উলামা মাশায়েখ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

শেরপুর : সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জামায়াত মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর-১ (সদর) সংসদীয় আসনের উদ্যোগে ইসলামী চিন্তাবিদ ও উলামা মাশায়েখ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৭  ফেব্রুয়ারি, শনিবার দুপুরে শেরপুর পৌরসভার একটি কমিউনিটি সেন্টারে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

উলামা মাশায়েখ সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াত মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি হাফেজ রাশেদুল ইসলাম। জামায়াতের জেলা আমীর মাওলানা হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের শেরপুর জেলা সভাপতি মাওলানা শফিকুল ইসলাম জিহাদী, খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা আব্দুল হালিম, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল করিম, তেরাবাজার জামিয়া সিদ্দিকীয়া মাদরাসার শিক্ষা সচিব মাওলানা ছফির উদ্দিন কাসেমী, মুফতি মাহবুবুর রহমান আকন্দ, মুফতি আল আমীন সাদী, মাওলানা খলিলুর রহমান, মাওলানা মিজানুর রহমান, হাফেজ মাওলানা রহুল আমীন, মাওলানা ইলিয়াছুর রহমান শেরপুরী, এনসিপির জেলা সমন্বয়কারী প্রকৌশলী মো. লিখন মিয়া, সদস্য সচিব প্রভাষক নূর ইসলাম প্রমুখ।

সমাবেশে ১১ দলীয় জোট নেতা-কর্মীসহ ইসলামী চিন্তাবিদ ও উলামা মাশায়েখগণ অংশ নেন। সমাবেশ সঞ্চালনায় ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস শেরপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মুফতি আবুল বাশার।

শেরপুর : উলামা মাশায়েখ সমাবেশে অংশগ্রহণকারীবৃন্দ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামায়াত মনোনীত প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম বলেন, সেই বৃটিশ শাসনামল থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত বা আগামী আরও কতদিন বাংলাদেশের আলেম উলামাদের একটি ব্রেকেটের মধ্যে বা বাক্সের মধ্যে বন্দি করে রাখা হবে তা কিন্তু আমরা জানি না। বাংলাদেশে একটি গোষ্ঠী প্রতিষ্ঠিত করে রেখেছে যে, রাষ্ট্র ক্ষমতা এটি আলেমদের জন্য না। অথচ বাংলাদেশে যদি আলেম উলামা না থাকে তাহলে বাংলাদেশ চলবে এটা সম্পূর্ণ অসম্ভব। আলেম উলামা ছাড়া যে বাংলাদেশ চালানো অসম্ভব এটি আমরা প্রতিষ্ঠিত করতে পারিনি। এটা আমাদের ব্যর্থতা। তাই এবার যেহেতু ১১ দলীয় জোটের সুযোগ এসেছে, এ সুযোগ ঐক্যবদ্ধভাবে আমাদেরকে কাজে লাগাতে হবে।

তিনি বলেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন খাছ করে এই আন্দোলনকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে আমাদেরকে সবসময় নানাভাবে সহযোগিতা প্রদান করছেন এই বিশ্বাস আমরা বুকে পোষণ করি। আমরা আশাবাদী আমাদের যদি কোন দুর্বলতা না থাকে, আমরা যদি আরও একটু সক্রিয় হই, তাহলে মহান রাব্বুল আলামীন এই জমিনে তার বান্দাদের খেদমতে আমাদের খাদেম হবার সুযোগ করে দিবেন ইনশাআল্লাহ।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুরে ইসলামী চিন্তাবিদ ও উলামা মাশায়েখ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ১১:০০:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর-১ (সদর) সংসদীয় আসনের উদ্যোগে ইসলামী চিন্তাবিদ ও উলামা মাশায়েখ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৭  ফেব্রুয়ারি, শনিবার দুপুরে শেরপুর পৌরসভার একটি কমিউনিটি সেন্টারে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

উলামা মাশায়েখ সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াত মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি হাফেজ রাশেদুল ইসলাম। জামায়াতের জেলা আমীর মাওলানা হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের শেরপুর জেলা সভাপতি মাওলানা শফিকুল ইসলাম জিহাদী, খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা আব্দুল হালিম, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল করিম, তেরাবাজার জামিয়া সিদ্দিকীয়া মাদরাসার শিক্ষা সচিব মাওলানা ছফির উদ্দিন কাসেমী, মুফতি মাহবুবুর রহমান আকন্দ, মুফতি আল আমীন সাদী, মাওলানা খলিলুর রহমান, মাওলানা মিজানুর রহমান, হাফেজ মাওলানা রহুল আমীন, মাওলানা ইলিয়াছুর রহমান শেরপুরী, এনসিপির জেলা সমন্বয়কারী প্রকৌশলী মো. লিখন মিয়া, সদস্য সচিব প্রভাষক নূর ইসলাম প্রমুখ।

সমাবেশে ১১ দলীয় জোট নেতা-কর্মীসহ ইসলামী চিন্তাবিদ ও উলামা মাশায়েখগণ অংশ নেন। সমাবেশ সঞ্চালনায় ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস শেরপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মুফতি আবুল বাশার।

শেরপুর : উলামা মাশায়েখ সমাবেশে অংশগ্রহণকারীবৃন্দ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামায়াত মনোনীত প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম বলেন, সেই বৃটিশ শাসনামল থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত বা আগামী আরও কতদিন বাংলাদেশের আলেম উলামাদের একটি ব্রেকেটের মধ্যে বা বাক্সের মধ্যে বন্দি করে রাখা হবে তা কিন্তু আমরা জানি না। বাংলাদেশে একটি গোষ্ঠী প্রতিষ্ঠিত করে রেখেছে যে, রাষ্ট্র ক্ষমতা এটি আলেমদের জন্য না। অথচ বাংলাদেশে যদি আলেম উলামা না থাকে তাহলে বাংলাদেশ চলবে এটা সম্পূর্ণ অসম্ভব। আলেম উলামা ছাড়া যে বাংলাদেশ চালানো অসম্ভব এটি আমরা প্রতিষ্ঠিত করতে পারিনি। এটা আমাদের ব্যর্থতা। তাই এবার যেহেতু ১১ দলীয় জোটের সুযোগ এসেছে, এ সুযোগ ঐক্যবদ্ধভাবে আমাদেরকে কাজে লাগাতে হবে।

তিনি বলেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন খাছ করে এই আন্দোলনকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে আমাদেরকে সবসময় নানাভাবে সহযোগিতা প্রদান করছেন এই বিশ্বাস আমরা বুকে পোষণ করি। আমরা আশাবাদী আমাদের যদি কোন দুর্বলতা না থাকে, আমরা যদি আরও একটু সক্রিয় হই, তাহলে মহান রাব্বুল আলামীন এই জমিনে তার বান্দাদের খেদমতে আমাদের খাদেম হবার সুযোগ করে দিবেন ইনশাআল্লাহ।