ঢাকা ০৯:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মরিয়ম হত্যা : জড়িতদের বিচারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন বকশীগঞ্জে দশানী নদীতে সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন ‘উপমহাদেশের রাজনীতি : স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ও গ্রন্থের পাঠ-পর্যালোচনা মোটরসাইকেলে আগুন দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন নির্ধারিত মূল্যেই মিলছে সার, স্বস্তিতে মেলান্দহের কৃষকেরা শেরপুরে ডাক্তার কনফারেন্স ও চিকিৎসা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত ইত্তেফাকুল উলামা’র নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ফ্যাসিস্টরা থাকলে বাংলাদেশ সিকিম হয়ে যেত : বিমান পরিবহন মন্ত্রী মিল্লাত শেরপুরে ইআরটি সদস্যরা পেল সরঞ্জামাদি, ক্ষতিপূরণের চেক বাংলাদেশে মাদক নির্মূলে খেলাধুলার বিকল্প নেই : বেসামরিক বিমান মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান

দুবাই হাসপাতালে প্রসূতির মৃত্যু, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ স্বজনদের

জামালপুর : দুবাই হাসপাতালের অস্ত্রোপচার কক্ষ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুর সদর উপজেলার দিগপাইত ইউনিয়নে দুবাই হাসপাতাল বিডি নামে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ২৬ মে, সোমবার সকালে চিকিৎসার অবহেলায় অস্ত্রোপচারের পর এক প্রসূতি মারা গেছেন। এ ঘটনায় ওই হাসপাতালের অস্ত্রোপচার কক্ষ সিলগালা করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২৫ মে, রবিবার সকালে প্রসব ব্যথা নিয়ে জামালপুর সদর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের রনি মিয়া তার স্ত্রী রিতুকে (২১) ওই হাসপাতালে ভর্তি করেন। ওইদিন বিকালের দিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে প্রসূতি রিতু এক কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। রাতে ওই প্রসূতির খিচুনি শুরু হয়। তখন হাসপাতালে কোন চিকিৎসক বা নার্স কেউ ছিলেন না। পরে ২৬ মে সকালে ওই হাসপাতালেই রিতু মারা যান। ঘটনার পর থেকেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ গা-ঢাকা দিয়েছেন।

এ ঘটনায় চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ করেন রোগীর স্বজনেরা। মৃত রিতুর বড় ভাই লাবলু মন্ডল বলেন, হাসপাতালে কোন চিকিৎসক, নার্স এমনকি কোন রোগীও ছিল না। সারারাত মৃত্যুযন্ত্রণায় ছটফট করে বিনা চিকিৎসায় অবশেষে ২৬ মে সকালে মারা যান। রিতুর মৃত্যুর পর হাসপাতালের এক কর্মচারী এসে তার মৃত্যুর বিষয়টি জানিয়ে পালিয়ে যান।

তিনি আরও বলেন, আমার বোনের এটাই প্রথম সন্তান। রাতে হাসপাতালে কোন ডাক্তার ও নার্স না থাকায় চিকিৎসার অবহেলায় আমার বোন মারা গেছেন। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।

সদর উপজেলার নারায়ণপুর তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক আ. স. ম. আতিকুর রহমান এ প্রতিবেদককে বলেন, পুলিশ মরদেহের সুরতহাল সংগ্রহ করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ ব্যাপারে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. স্বাগত সাহা এ প্রতিবেদককে বলেন, দিগপাইতে দুই হাসপাতালে প্রসূতির মৃত্যুর বিষয়টি জানার পর হাসপাতাল পরিদর্শন করেছি। এ সময় মালিকপক্ষের একজন ছাড়া কাউকে পাওয়া যায়নি। আপাতত অস্ত্রোপচার কক্ষ সিলগালা করা হয়েছে। প্রসূতির মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত সাপেক্ষে কারও কোন গাফিলতি পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মরিয়ম হত্যা : জড়িতদের বিচারের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

দুবাই হাসপাতালে প্রসূতির মৃত্যু, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ স্বজনদের

আপডেট সময় ০৭:৫৫:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫

জামালপুর সদর উপজেলার দিগপাইত ইউনিয়নে দুবাই হাসপাতাল বিডি নামে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ২৬ মে, সোমবার সকালে চিকিৎসার অবহেলায় অস্ত্রোপচারের পর এক প্রসূতি মারা গেছেন। এ ঘটনায় ওই হাসপাতালের অস্ত্রোপচার কক্ষ সিলগালা করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২৫ মে, রবিবার সকালে প্রসব ব্যথা নিয়ে জামালপুর সদর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের রনি মিয়া তার স্ত্রী রিতুকে (২১) ওই হাসপাতালে ভর্তি করেন। ওইদিন বিকালের দিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে প্রসূতি রিতু এক কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। রাতে ওই প্রসূতির খিচুনি শুরু হয়। তখন হাসপাতালে কোন চিকিৎসক বা নার্স কেউ ছিলেন না। পরে ২৬ মে সকালে ওই হাসপাতালেই রিতু মারা যান। ঘটনার পর থেকেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ গা-ঢাকা দিয়েছেন।

এ ঘটনায় চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ করেন রোগীর স্বজনেরা। মৃত রিতুর বড় ভাই লাবলু মন্ডল বলেন, হাসপাতালে কোন চিকিৎসক, নার্স এমনকি কোন রোগীও ছিল না। সারারাত মৃত্যুযন্ত্রণায় ছটফট করে বিনা চিকিৎসায় অবশেষে ২৬ মে সকালে মারা যান। রিতুর মৃত্যুর পর হাসপাতালের এক কর্মচারী এসে তার মৃত্যুর বিষয়টি জানিয়ে পালিয়ে যান।

তিনি আরও বলেন, আমার বোনের এটাই প্রথম সন্তান। রাতে হাসপাতালে কোন ডাক্তার ও নার্স না থাকায় চিকিৎসার অবহেলায় আমার বোন মারা গেছেন। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।

সদর উপজেলার নারায়ণপুর তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক আ. স. ম. আতিকুর রহমান এ প্রতিবেদককে বলেন, পুলিশ মরদেহের সুরতহাল সংগ্রহ করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ ব্যাপারে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. স্বাগত সাহা এ প্রতিবেদককে বলেন, দিগপাইতে দুই হাসপাতালে প্রসূতির মৃত্যুর বিষয়টি জানার পর হাসপাতাল পরিদর্শন করেছি। এ সময় মালিকপক্ষের একজন ছাড়া কাউকে পাওয়া যায়নি। আপাতত অস্ত্রোপচার কক্ষ সিলগালা করা হয়েছে। প্রসূতির মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত সাপেক্ষে কারও কোন গাফিলতি পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।