ঢাকা ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সারাদেশে ৩ মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান শুরু ১২ সেপ্টেম্বর, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ভালো ও সৎ মানুষের রাজনীতিতে আসা প্রয়োজন : তথ্যমন্ত্রী সড়ক দুর্ঘটনা রোধে মাদারগঞ্জে ছাত্রদলের সচেতনতামূলক কর্মসূচি জামালপুরে প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার কারামুক্তি দিবস পালিত ইসলামপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে অটোরিকশা চালকের মৃত্যু বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের দায়ে এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অপপ্রচারের প্রতিবাদে ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন জালে জড়ানো জেলে জীবন, হয়ত মাছে-নয়ত ঋণে কৃষকদের ৫ বছরের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ চালিত পানির পাম্প দেওয়া হবে : প্রধানমন্ত্রী বকশীগঞ্জে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

মাছের সঙ্গে এ কেমন শত্রুতা!

ছামিদুল ইসলাম ১৬ নভেম্বর ভোরে খাবার দিতে গিয়ে দেখেন পুকুরে মরা মাছ ভেসে আছে। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরের নকলায় পুকুরে বিষাক্ত জাতীয় দ্রব্য প্রয়োগ করে মো. ছামিদুল ইসলাম নামে এক মৎস্য চাষীর প্রায় ৫ মণ মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। এতে ওই চাষীর প্রায় ৪০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। ১৫ নভেম্বর শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার টালকী ইউনিয়নের পশ্চিম টালকী এলাকার একটি পুকুরে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় স্থানীয় শহিদুল ইসলাম, শবদুল ইসলাম, আবজাল হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জনকে অভিযুক্ত করে নকলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার টালকী ইউনিয়নের পশ্চিম টালকী গ্রামে ছামিদুল ইসলাম ২০ শতাংশের একটি পুকুরে দীর্ঘদিন থেকে দেশীয় জাতের মাছ চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। ১৫ নভেম্বর রাতে পুকুরে মাছের খাবার দিয়ে চলে আসে। ১৬ নভেম্বর শনিবার ভোরে পুকুরে মাছের খাবার দিতে গিয়ে দেখেন পুকুরের সমস্ত মাছ মরে পানির উপর ভেসে আছে। পরে স্থানীয় শহিদুল ইসলাম, শবদুল ইসলাম, আবজাল হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

ছামিদুল ইসলাম ১৬ নভেম্বর ভোরে খাবার দিতে গিয়ে দেখেন পুকুরে মরা মাছ ভেসে আছে। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

মৎস্য চাষী ছামিদুল ইসলাম বলেন, শহিদুল ইসলাম, শবদুল ইসলাম ও আবজাল হোসেনদের ১৪ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে আমার পুকুর পাড় দিয়ে হাটাহাটি করতে দেখা গেছে। তাছাড়া তাদের সাথে জমিজমা নিয়েও দীর্ঘদীন যাবৎ বিরোধ চলে আসছে। সেই শত্রুতার জেরে বিষাক্ত জাতীয় দ্রব্য প্রয়োগ করে আমার পুকুরের সব মাছ মেরে ৪০ হাজার টাকার ক্ষতি স্বাধন করেছেন। তাই আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি। এর উপযুক্ত বিচার চাই।

শহিদুল ইসলাম, শবদুল ইসলাম ও আবজাল হোসেন বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণভাবে মিথ্যা। আমরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই। শত্রুতা বশত আমাদের কথা বলতেছেন। এটা হলো ঘৃণ্যতম কাজ। যেই ঘটিয়ে থাকুক এমন ঘটনার আমরাও তার বিচার চাই। পুলিশ তদন্ত করে বের করুক এর পিছনে কে আছে।

নকলা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে একটা লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সারাদেশে ৩ মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান শুরু ১২ সেপ্টেম্বর, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

মাছের সঙ্গে এ কেমন শত্রুতা!

আপডেট সময় ০৪:৫২:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৪

শেরপুরের নকলায় পুকুরে বিষাক্ত জাতীয় দ্রব্য প্রয়োগ করে মো. ছামিদুল ইসলাম নামে এক মৎস্য চাষীর প্রায় ৫ মণ মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। এতে ওই চাষীর প্রায় ৪০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। ১৫ নভেম্বর শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার টালকী ইউনিয়নের পশ্চিম টালকী এলাকার একটি পুকুরে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় স্থানীয় শহিদুল ইসলাম, শবদুল ইসলাম, আবজাল হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জনকে অভিযুক্ত করে নকলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার টালকী ইউনিয়নের পশ্চিম টালকী গ্রামে ছামিদুল ইসলাম ২০ শতাংশের একটি পুকুরে দীর্ঘদিন থেকে দেশীয় জাতের মাছ চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। ১৫ নভেম্বর রাতে পুকুরে মাছের খাবার দিয়ে চলে আসে। ১৬ নভেম্বর শনিবার ভোরে পুকুরে মাছের খাবার দিতে গিয়ে দেখেন পুকুরের সমস্ত মাছ মরে পানির উপর ভেসে আছে। পরে স্থানীয় শহিদুল ইসলাম, শবদুল ইসলাম, আবজাল হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

ছামিদুল ইসলাম ১৬ নভেম্বর ভোরে খাবার দিতে গিয়ে দেখেন পুকুরে মরা মাছ ভেসে আছে। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

মৎস্য চাষী ছামিদুল ইসলাম বলেন, শহিদুল ইসলাম, শবদুল ইসলাম ও আবজাল হোসেনদের ১৪ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে আমার পুকুর পাড় দিয়ে হাটাহাটি করতে দেখা গেছে। তাছাড়া তাদের সাথে জমিজমা নিয়েও দীর্ঘদীন যাবৎ বিরোধ চলে আসছে। সেই শত্রুতার জেরে বিষাক্ত জাতীয় দ্রব্য প্রয়োগ করে আমার পুকুরের সব মাছ মেরে ৪০ হাজার টাকার ক্ষতি স্বাধন করেছেন। তাই আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি। এর উপযুক্ত বিচার চাই।

শহিদুল ইসলাম, শবদুল ইসলাম ও আবজাল হোসেন বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণভাবে মিথ্যা। আমরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই। শত্রুতা বশত আমাদের কথা বলতেছেন। এটা হলো ঘৃণ্যতম কাজ। যেই ঘটিয়ে থাকুক এমন ঘটনার আমরাও তার বিচার চাই। পুলিশ তদন্ত করে বের করুক এর পিছনে কে আছে।

নকলা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে একটা লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।