দুর্নীতি প্রতিরোধ ও গণসচেতনতা বৃদ্ধির কৌশল শীর্ষক দিনব্যপী এক প্রশিক্ষণ ২১ সেপ্টেম্বর, সোমবার জামালপুর পৌরসভা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুপ আলী। এতে সভাপতিত্ব করেন দুর্নীতি দমন কমিশন ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান। প্রশিক্ষণে সহায়কের দায়িত্ব পালন করেন দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয়, জামালপুরের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক মো. কামরুজ্জামান ও জেলা জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা জালাল উদ্দিন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক জিহাদুল ইসলাম।
মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. মুজাহিদ বিল্লাহ ফারুকী, সহ-সভাপতি আইনজীবী শামীম আরা, মনোয়ারা খানম, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর সেলিম, সদস্য গৌতম সাহা, সরিষাবাড়ী উপজেলা দুপ্রকের সভাপতি আন্নু মিয়া প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুপ আলী বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধ করা জটিল হলেও দুর্নীতিকে সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে প্রতিরোধ কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। প্রতিরোধ কমিটিতে সমাজের বাছাই করা ভাল মানুষগুলোকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। যারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বললে মানুষ শুনবেন। চুপ থাকার চেয়ে কথা বলতেই হবে।
জেলা প্রশাসক বিদ্যালয়পর্যায়ে সততা স্টোরের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এখান থেকে একজন শিক্ষার্থী মানসিকভাবে দুর্নীতিবিরোধী চেতনা ধারণ করতে শিখবে। স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং কমিউনিটির সম্পৃক্ততায় সততা স্টোর প্রতিটি বিদ্যালয়ে গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
দুদকের বিভাগীয় পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান বলেন, গণসচেতনতা সৃষ্টির জন্য প্রতিরোধ কমিটির ভূমিকা অনস্বীকার্য। শুধুমাত্র দুর্নীতি প্রতিরোধ দিবস এবং প্রতিরোধ সপ্তাহের মধ্যে দুপ্রকের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। দুর্নীতিবিরোধী প্রচারণার পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতা, পরিবেশ সুরক্ষা, মানবাধিকার, সড়ক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন সামাজিক ইস্যু নিয়ে দুপ্রকের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
প্রশিক্ষণে উপস্থিত সদস্যরা দুর্নীতি প্রতিরোধ কার্যক্রম শক্তিশালীকরণে জেলা, উপজেলা দুপ্রকের কার্যালয় প্রতিষ্ঠা, নিয়মিত কমিটির সভার আয়োজন, কর্মপরিকল্পনাভিত্তিক গনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা, কমিটির ভাল কাজের স্বীকৃতি দেওয়া, সততা সংঘ ও সততা স্টোরের কার্যক্রম সক্রিয় করতে নিয়মিত পরিবীক্ষণ করা, জেলা ও উপজেলা কমিটির ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভায় আয়োজন করা, কার্যক্রম সফল বাস্তবায়নে বাজেট বরাদ্দসহ বিভিন্ন বাস্তবসম্মত প্রস্তাব তুলে ধরেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলারচিঠিডটকম 



















