ঢাকা ০৬:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভিক্ষার চালেই চলে বৃদ্ধ দম্পতির সংসার, সড়কের পাশে ঝুপড়িতে মানবেতর জীবন বকশীগঞ্জে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা জামালপুরে ১০০ এতিম শিক্ষার্থী পেল দোস্ত এইডের শিক্ষাবৃত্তি সরকার কারিগরি শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে : ওয়ারেছ আলী মামুন নকলায় ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করলেন ফাহিম চৌধুরী ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন মির্জা ফখরুল তিন দিনের নাট্যোৎসবে মঞ্চস্থ হচ্ছে সাদিয়া তাবাসসুম বৃষ্টি রচিত নাটক ‘ঊনচাঁদ’ বিএনপির সাবেক মহাসচিব ব্যারিস্টার সালাম তালুকদারের ২৭তম মৃত্যুবার্ষিক পালিত বিএনপির সাবেক মহাসচিব সালাম তালুকদার স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ধানুয়া কামালপুর ইউপি চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত কার্যালয় পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা

বকশীগঞ্জের ধানুয়া কামালপুর ইউপি চেয়ারম্যান লাকপতির কার্যালয় পুড়িয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জে গভীর রাতে ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মশিউর রহমান লাকপতির ব্যক্তিগত কার্যালয় পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ৯ নভেম্বর শুক্রবার দিবাগত রাতে ২টার দিকে কামালপুর মির্ধাপাড়া মোড়ে অবস্থিত ওই কার্যালয়ে আগুনে পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে যায়। এনিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে।

ধানুয়া কামালপুর ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান লাকপতির দাবি, ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বারদের সাথে দ্বন্দ্ব ও রাজনৈতিক কারণে তার কার্যালয় পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বকশীগঞ্জ থানা পুলিশ।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০২২ সালে ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মশিউর রহমান লাকপতি।

তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর কামালপুর মির্ধাপাড়া মোড়ে একটি ব্যক্তিগত কার্যালয় স্থাপন করেন। অফিসের কাজের বাইরে তিনি তার ঠিকাদারী কাজ দেখভাল করার জন্য এই কার্যালয় ব্যবহার করতেন।

গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে প্রথম বার এই কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়। সর্বশেষ ৮ নভেম্বর শুক্রবার রাতে লাকপতির ব্যক্তিগত এই কার্যালয় পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে করে কার্যালয়ের আসবাবপত্রসহ ঠিকাদারী কাজের মালামাল পুড়ে যায়। আগুনে পুড়ে ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তা স্পষ্ট নয়।

ঘটনাটি সত্যি হয়ে থাকলে এই নেক্ক্যারজনক কাজের জন্য আইনি ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান অনেকেই।

এঘটনায় ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মশিউর রহমান লাকপতি বলেন, স্থানীয় এক ব্যক্তি ও তার পরিষদের কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে তার বিরোধ চলছে। এর আগেও তারা তার বাড়ির সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর করেছেন। তিনি আইনগত ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন।

বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন, ইউপি চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে আগুন দেওয়ার ঘটনাটি কিভাবে ঘটেছে তা সরেজমিনে তদন্ত করা হচ্ছে। কেউ যদি নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে থাকে অবশ্যই তা খুঁজে বের করা হবে। এ ব্যাপারে পুলিশ কাজ করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ধানুয়া কামালপুর ইউপি চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত কার্যালয় পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা

আপডেট সময় ০৬:৫৯:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৪

জামালপুরের বকশীগঞ্জে গভীর রাতে ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মশিউর রহমান লাকপতির ব্যক্তিগত কার্যালয় পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ৯ নভেম্বর শুক্রবার দিবাগত রাতে ২টার দিকে কামালপুর মির্ধাপাড়া মোড়ে অবস্থিত ওই কার্যালয়ে আগুনে পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে যায়। এনিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে।

ধানুয়া কামালপুর ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান লাকপতির দাবি, ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বারদের সাথে দ্বন্দ্ব ও রাজনৈতিক কারণে তার কার্যালয় পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বকশীগঞ্জ থানা পুলিশ।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০২২ সালে ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মশিউর রহমান লাকপতি।

তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর কামালপুর মির্ধাপাড়া মোড়ে একটি ব্যক্তিগত কার্যালয় স্থাপন করেন। অফিসের কাজের বাইরে তিনি তার ঠিকাদারী কাজ দেখভাল করার জন্য এই কার্যালয় ব্যবহার করতেন।

গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে প্রথম বার এই কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়। সর্বশেষ ৮ নভেম্বর শুক্রবার রাতে লাকপতির ব্যক্তিগত এই কার্যালয় পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে করে কার্যালয়ের আসবাবপত্রসহ ঠিকাদারী কাজের মালামাল পুড়ে যায়। আগুনে পুড়ে ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তা স্পষ্ট নয়।

ঘটনাটি সত্যি হয়ে থাকলে এই নেক্ক্যারজনক কাজের জন্য আইনি ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান অনেকেই।

এঘটনায় ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মশিউর রহমান লাকপতি বলেন, স্থানীয় এক ব্যক্তি ও তার পরিষদের কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে তার বিরোধ চলছে। এর আগেও তারা তার বাড়ির সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর করেছেন। তিনি আইনগত ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন।

বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন, ইউপি চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে আগুন দেওয়ার ঘটনাটি কিভাবে ঘটেছে তা সরেজমিনে তদন্ত করা হচ্ছে। কেউ যদি নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে থাকে অবশ্যই তা খুঁজে বের করা হবে। এ ব্যাপারে পুলিশ কাজ করছে।