ঢাকা ০৯:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভিক্ষার চালেই চলে বৃদ্ধ দম্পতির সংসার, সড়কের পাশে ঝুপড়িতে মানবেতর জীবন বকশীগঞ্জে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা জামালপুরে ১০০ এতিম শিক্ষার্থী পেল দোস্ত এইডের শিক্ষাবৃত্তি সরকার কারিগরি শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে : ওয়ারেছ আলী মামুন নকলায় ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করলেন ফাহিম চৌধুরী ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন মির্জা ফখরুল তিন দিনের নাট্যোৎসবে মঞ্চস্থ হচ্ছে সাদিয়া তাবাসসুম বৃষ্টি রচিত নাটক ‘ঊনচাঁদ’ বিএনপির সাবেক মহাসচিব ব্যারিস্টার সালাম তালুকদারের ২৭তম মৃত্যুবার্ষিক পালিত

দুর্নীতি : খাতেমুন মঈন মহিলা কলেজের অধ্যক্ষকে কারণ দর্শানোর চিঠি দিলেন বকশীগঞ্জের ইউএনও

বকশীগঞ্জ খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজ ও অধ্যক্ষ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বকশীগঞ্জ খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজ ও অধ্যক্ষ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজ পরিচালনায় অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠায় কলেজটির অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নড়েচড়ে বসেছেন বকশীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন। কলেজটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অধ্যক্ষ মো. বজলুল করিম তালুকদারকে কারণ দর্শানোর জন্য পত্রাদেশ দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইউএনও।

সাংবাদিক কাফি পারভেজের অভিযোগের ভিত্তিতে ২৮ আগস্ট অধ্যক্ষ মো. বজলুল করিম তালুকদরারকে কারণ দর্শানোর পত্রাদেশ দিয়েছেন কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও ইউএনও অহনা জিন্নাত। কারণ দর্শানোর ওই পত্রাদেশে শিক্ষক-কর্মচারীগণের শৃংখলা ও আইনের ৫৩ ধারার উপধারা ২ মোতাবেক আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব আদেশদাতা কলেজের সভাপতি ও ইউএনওর কার্যালয়ে দাখিল করতে বলা হয়েছে। এছাড়াও কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের পক্ষ থেকে জামালপুরের জেলা প্রশাসক ও কলেজটির পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ইউএনও’র কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে অধ্যক্ষকে অপসারণের দাবি জানানো হয়েছে।

কলেজ সূত্রে জানা গেছে, খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. বজলুল করিম তালুকদারের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা, আত্মীয়করণ ও অবৈধ নিয়োগ বাণিজ্যের ঘোরতর অভিযোগ থাকায় কলেজ পরিচালনায় দেখা দিয়েছে স্থবিরতা। তার নির্দেশনায় কলেজ পরিচালনার সাথে যুক্ত থাকতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছেন কলেজের সকল শিক্ষক-কর্মচারীরা। এতে করে কলেজে ছাত্রীদের পাঠদান, কলেজের প্রশাসনিক কাজসহ সকল কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তাকে অধ্যক্ষ পদ থেকে অপসারণ করে তার বিরুদ্ধে উঠা বিভিন্ন অভিযোগের তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীরা কলেজে কর্মবিরতি পালনসহ বিভিন্নভাবে আন্দোলন করে আসছেন।

সংবাদপত্রে সংবাদ প্রকাশের জন্য অধ্যক্ষের বিভিন্ন দুনীর্তি ও অনিয়মের তথ্য চেয়ে তথ্য অধিকার ফরমে অধ্যক্ষের কাছে চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি আবেদন করেছিলেন দৈনিক মানবকণ্ঠের জামালপুর জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক কাফি পারভেজ। কিন্তু বিগত ছয় মাসেও অধ্যক্ষের কাছ থেকে কোনো তথ্য পাননি সাংবাদিক কাফি পারভেজ। অধ্যক্ষ বকশীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পদে থাকায় উল্টো কাফি পারভেজকে নানাভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিলেন। একপর্যায়ে বানোয়াট অভিযোগে কাফি পারভেজের বিরুদ্ধে ১৯ আগস্ট বকশীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন অধ্যক্ষ মো. বজলুল করিম তালুকদার। থানায় জমা দেওয়া অধ্যক্ষের বানোয়াট অভিযোগ এবং নানাভাবে কাফি পারভেজকে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে ২০ আগস্ট কাফি পারভেজ জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বকশীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

জানা গেছে, ২৫ আগস্ট কলেজে এক ঘণ্টার কর্মবিরতির কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কলেজের অধ্যক্ষ বহিরাগতদের লেলিয়ে দিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসী হামলা করান। ওই হামলায় কলেজের শিক্ষকসহ অন্তত ছয়জন গুরুতর আহত হন। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বকশীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীরা ২৭ আগস্ট অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে কলেজের সভাপতি ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ দলীয় সরকার পতন হলেও বকশীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও কলেজটির অধ্যক্ষ মো. বজলুল করিম তালুকদার নিজের অনিয়ম-দুর্নীতিকে আড়াল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন।

সাংবাদিক কাফি পারভেজ এ প্রতিবেদককে বলেন, কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী এবং বিভিন্ন সূত্র থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর আমি ২৮ ফেব্রুয়ারি তথ্য অধিকার আইন অনুসরণ করে কলেজটির অধ্যক্ষ মো. বজলুল করিম তালুকদারের কাছে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি সংক্রান্ত তথ্য চেয়ে আবেদন করি। আইন মেনে আবেদন করেও তার কাছ থেকে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। একপর্যায়ে তিনি আমাকে তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান। পরবর্তীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে বিগত আওয়ামী লীগ দলীয় সরকার ক্ষমতাচ্যূত হলে অধ্যক্ষ আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেন। কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের আন্দোলন চলাকালে ১৯ আগস্ট তার কার্যালয়ে ফের তথ্য চাইতে গেলে তিনি আমার উপর ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। অবশেষে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়ে তাকে অপসারণ ও তার দুর্নীতি ও অনিয়মের তদন্ত করে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছি।

কারণ দর্শানোর পত্র প্রসঙ্গে জানার জন্য কলেজটির অধ্যক্ষ মো. বজলুল করিম তালুকদারকে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোন সেট বন্ধ পাওয়া যায়।

খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষকে কারণ দর্শানোর পত্রাদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে কলেজটির পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও বকশীগঞ্জের ইএনও অহনা জিন্নাত বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, কলেজের অধ্যক্ষ মো. বজলুল করিম তালুকদারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে শিক্ষক-কর্মচারীগণের শৃংখলা ও আইনের ৫৩ ধারার উপধারা ২ মোতাবেক অধ্যক্ষকে আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর পত্রাদেশের জবাব দাখিল করতে বলা হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

দুর্নীতি : খাতেমুন মঈন মহিলা কলেজের অধ্যক্ষকে কারণ দর্শানোর চিঠি দিলেন বকশীগঞ্জের ইউএনও

আপডেট সময় ০৭:০৬:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৪
বকশীগঞ্জ খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজ ও অধ্যক্ষ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজ পরিচালনায় অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠায় কলেজটির অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নড়েচড়ে বসেছেন বকশীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন। কলেজটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অধ্যক্ষ মো. বজলুল করিম তালুকদারকে কারণ দর্শানোর জন্য পত্রাদেশ দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইউএনও।

সাংবাদিক কাফি পারভেজের অভিযোগের ভিত্তিতে ২৮ আগস্ট অধ্যক্ষ মো. বজলুল করিম তালুকদরারকে কারণ দর্শানোর পত্রাদেশ দিয়েছেন কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও ইউএনও অহনা জিন্নাত। কারণ দর্শানোর ওই পত্রাদেশে শিক্ষক-কর্মচারীগণের শৃংখলা ও আইনের ৫৩ ধারার উপধারা ২ মোতাবেক আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব আদেশদাতা কলেজের সভাপতি ও ইউএনওর কার্যালয়ে দাখিল করতে বলা হয়েছে। এছাড়াও কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের পক্ষ থেকে জামালপুরের জেলা প্রশাসক ও কলেজটির পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ইউএনও’র কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে অধ্যক্ষকে অপসারণের দাবি জানানো হয়েছে।

কলেজ সূত্রে জানা গেছে, খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. বজলুল করিম তালুকদারের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা, আত্মীয়করণ ও অবৈধ নিয়োগ বাণিজ্যের ঘোরতর অভিযোগ থাকায় কলেজ পরিচালনায় দেখা দিয়েছে স্থবিরতা। তার নির্দেশনায় কলেজ পরিচালনার সাথে যুক্ত থাকতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছেন কলেজের সকল শিক্ষক-কর্মচারীরা। এতে করে কলেজে ছাত্রীদের পাঠদান, কলেজের প্রশাসনিক কাজসহ সকল কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তাকে অধ্যক্ষ পদ থেকে অপসারণ করে তার বিরুদ্ধে উঠা বিভিন্ন অভিযোগের তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীরা কলেজে কর্মবিরতি পালনসহ বিভিন্নভাবে আন্দোলন করে আসছেন।

সংবাদপত্রে সংবাদ প্রকাশের জন্য অধ্যক্ষের বিভিন্ন দুনীর্তি ও অনিয়মের তথ্য চেয়ে তথ্য অধিকার ফরমে অধ্যক্ষের কাছে চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি আবেদন করেছিলেন দৈনিক মানবকণ্ঠের জামালপুর জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক কাফি পারভেজ। কিন্তু বিগত ছয় মাসেও অধ্যক্ষের কাছ থেকে কোনো তথ্য পাননি সাংবাদিক কাফি পারভেজ। অধ্যক্ষ বকশীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পদে থাকায় উল্টো কাফি পারভেজকে নানাভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিলেন। একপর্যায়ে বানোয়াট অভিযোগে কাফি পারভেজের বিরুদ্ধে ১৯ আগস্ট বকশীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন অধ্যক্ষ মো. বজলুল করিম তালুকদার। থানায় জমা দেওয়া অধ্যক্ষের বানোয়াট অভিযোগ এবং নানাভাবে কাফি পারভেজকে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে ২০ আগস্ট কাফি পারভেজ জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বকশীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

জানা গেছে, ২৫ আগস্ট কলেজে এক ঘণ্টার কর্মবিরতির কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কলেজের অধ্যক্ষ বহিরাগতদের লেলিয়ে দিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসী হামলা করান। ওই হামলায় কলেজের শিক্ষকসহ অন্তত ছয়জন গুরুতর আহত হন। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বকশীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীরা ২৭ আগস্ট অধ্যক্ষের অপসারণের দাবিতে কলেজের সভাপতি ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ দলীয় সরকার পতন হলেও বকশীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও কলেজটির অধ্যক্ষ মো. বজলুল করিম তালুকদার নিজের অনিয়ম-দুর্নীতিকে আড়াল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন।

সাংবাদিক কাফি পারভেজ এ প্রতিবেদককে বলেন, কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী এবং বিভিন্ন সূত্র থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর আমি ২৮ ফেব্রুয়ারি তথ্য অধিকার আইন অনুসরণ করে কলেজটির অধ্যক্ষ মো. বজলুল করিম তালুকদারের কাছে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি সংক্রান্ত তথ্য চেয়ে আবেদন করি। আইন মেনে আবেদন করেও তার কাছ থেকে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। একপর্যায়ে তিনি আমাকে তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান। পরবর্তীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে বিগত আওয়ামী লীগ দলীয় সরকার ক্ষমতাচ্যূত হলে অধ্যক্ষ আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেন। কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের আন্দোলন চলাকালে ১৯ আগস্ট তার কার্যালয়ে ফের তথ্য চাইতে গেলে তিনি আমার উপর ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। অবশেষে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়ে তাকে অপসারণ ও তার দুর্নীতি ও অনিয়মের তদন্ত করে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছি।

কারণ দর্শানোর পত্র প্রসঙ্গে জানার জন্য কলেজটির অধ্যক্ষ মো. বজলুল করিম তালুকদারকে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোন সেট বন্ধ পাওয়া যায়।

খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষকে কারণ দর্শানোর পত্রাদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে কলেজটির পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও বকশীগঞ্জের ইএনও অহনা জিন্নাত বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, কলেজের অধ্যক্ষ মো. বজলুল করিম তালুকদারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে শিক্ষক-কর্মচারীগণের শৃংখলা ও আইনের ৫৩ ধারার উপধারা ২ মোতাবেক অধ্যক্ষকে আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর পত্রাদেশের জবাব দাখিল করতে বলা হয়েছে।