ঢাকা ১২:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নকলায় বিদ্যুতায়িত হয়ে নারীসহ দুই জনের মৃত্যু, আহত ১

শফিউল আলম লাভলু
নিজস্ব প্রতিবেদক, নকলা (শেরপুর), বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুর নকলায় ঝড়ে ছেঁড়া পল্লী বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে এক নারীসহ দুই জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছে আরও একজন। ২৯ মে বুধবার বিকেলে উপজেলার টালকী ইউনিয়নের বিবিরচরের মজিদবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন একই এলাকার মাসুদ মিয়ার স্ত্রী পারভিন বেগম (৩৫) ও মোহাম্মদ আলীর ছেলে নিহতের চাচা শ্বশুর ফিরুজ মিয়া (৪০)। এ ঘটনায় আহত হয়েছে নিহত ফিরোজ মিয়ার ছেলে রুকন মিয়া (১৩)।

স্থানীয় সূত্র ও নিহতের স্বজনেরা জানান, ২৮ মে মঙ্গলবার ঝড়ে নিহত পারভীন বেগমের বাড়ির সামনে কাঠের একটি বৈদ্যুতিক পিলারের তার ছিঁড়ে পরে থাকে। তাদের অভিযোগ পল্লী বিদ্যুতে বার বার অভিযোগ দেবার পরও তারটি ঠিক না করে লাইনম্যান লোকাল মিস্ত্রি দিয়ে তারটি লাগিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেয়। নিহত পারভীন কাজ করার সময় অসাবধানবশত ছেঁড়া তারে জড়িয়ে যান। এসময় তার চাচা শ্বশুর ফিরুজ ও তার ছেলে তাকে বাচাঁতে গেলে চাচা শ্বশুর ফিরুজ মিয়াও ছেঁড়া তারে জড়িয়ে যান। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে নকলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় গ্রামটিতে শোকের ছায়া নেমে আসে।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল কাদের মিয়া বলেন, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নকলায় বিদ্যুতায়িত হয়ে নারীসহ দুই জনের মৃত্যু, আহত ১

আপডেট সময় ১১:১২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪

শফিউল আলম লাভলু
নিজস্ব প্রতিবেদক, নকলা (শেরপুর), বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুর নকলায় ঝড়ে ছেঁড়া পল্লী বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে এক নারীসহ দুই জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছে আরও একজন। ২৯ মে বুধবার বিকেলে উপজেলার টালকী ইউনিয়নের বিবিরচরের মজিদবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন একই এলাকার মাসুদ মিয়ার স্ত্রী পারভিন বেগম (৩৫) ও মোহাম্মদ আলীর ছেলে নিহতের চাচা শ্বশুর ফিরুজ মিয়া (৪০)। এ ঘটনায় আহত হয়েছে নিহত ফিরোজ মিয়ার ছেলে রুকন মিয়া (১৩)।

স্থানীয় সূত্র ও নিহতের স্বজনেরা জানান, ২৮ মে মঙ্গলবার ঝড়ে নিহত পারভীন বেগমের বাড়ির সামনে কাঠের একটি বৈদ্যুতিক পিলারের তার ছিঁড়ে পরে থাকে। তাদের অভিযোগ পল্লী বিদ্যুতে বার বার অভিযোগ দেবার পরও তারটি ঠিক না করে লাইনম্যান লোকাল মিস্ত্রি দিয়ে তারটি লাগিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেয়। নিহত পারভীন কাজ করার সময় অসাবধানবশত ছেঁড়া তারে জড়িয়ে যান। এসময় তার চাচা শ্বশুর ফিরুজ ও তার ছেলে তাকে বাচাঁতে গেলে চাচা শ্বশুর ফিরুজ মিয়াও ছেঁড়া তারে জড়িয়ে যান। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে নকলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় গ্রামটিতে শোকের ছায়া নেমে আসে।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল কাদের মিয়া বলেন, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলার প্রস্তুতি চলছে।