ঢাকা ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার : আইনমন্ত্রী স্বাধীনতা পুরস্কার হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী ২৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ প্রতারক কন্টেন্ট ক্রিয়েটর মনির গ্রেপ্তার মুন মেমোরিয়ালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা বকশীগঞ্জের কৃষকেরা বিনামূল্যে পেল বীজ সার গণপরিবহনে যাত্রীবান্ধব সেবার দাবিতে সনাকের মানববন্ধন শেরপুরে ১ লাখ ৬১ হাজার শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হবে টাইমের ২০২৬ সালের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় তারেক রহমান আগামী দুই মাসেও জ্বালানি তেলের সমস্যা হবে না : জ্বালানি মুখপাত্র

ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরী সড়ক নামফলক ভাংচুর

ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরী সড়ক নামফলক ভাংচুর করে দুর্বৃত্তরা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরী সড়ক নামফলক ভাংচুর করে দুর্বৃত্তরা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

মাহমুদুল হাসান মুক্তা
নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরীর নামে স্থাপিত রাস্তার নামফলক ভাংচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। ১৪ মে বেলা আনুমানিক ১২টার সময় শহরের মির্জা আজম চত্বর সংলগ্ন স্থানে এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, বেলা ১২টার দিকে শহরের পাথালিয়া এলাকার রাসেল ও রশিদপুর এলাকার সুমনসহ চারজন এসে প্রথমে নামফলকের কিছু অংশ খুলে ফেলেন। পরে সেটি তারা ভাংচুর করেন ও কয়েকবার পদদলিত করেন। এরপর তারা অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে স্থান ত্যাগ করেন।

জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের একজন জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদের নামফলক দিনে-দুপুরে ভাংচুরের ঘটনায় জেলা জুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সুধীমহলের অনেকেই মনে করছেন এই ঘটনাকে জেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতি নতুন মেরুকরণের দিকে ধাবিত করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। আবার কেউ কেউ বলছেন নির্বাচন পরবর্তী প্রতিহিংসা হতে পারে।

জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরী এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘জামালপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি পক্ষ রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় এই কাজটি করেছেন। তারা শান্ত জামালপুরকে অশান্ত করার চেষ্টা করছেন। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’

জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আইনজীবী মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ মোবাইল ফোনে এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরী এ জেলার একজন জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ। তাঁর নামফলক ভাংচুরের ঘটনা খুবই নিন্দনীয় একটি কাজ। যারা এই ঘটনার সাথে জড়িত তাদের যদি দলীয় কোনো পদ থাকে তাহলে তদন্ত করে দল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এছাড়াও জেলা আওয়ামী লীগ এ ঘটনার সাথে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছে।’

জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহব্বত কবির এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘শোনার সাথে সাথে আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করছি। আমরা এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। এই বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ’

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জনজীবনে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই সরকারের অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী

ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরী সড়ক নামফলক ভাংচুর

আপডেট সময় ০৪:৪৩:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মে ২০২৪
ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরী সড়ক নামফলক ভাংচুর করে দুর্বৃত্তরা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

মাহমুদুল হাসান মুক্তা
নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরীর নামে স্থাপিত রাস্তার নামফলক ভাংচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। ১৪ মে বেলা আনুমানিক ১২টার সময় শহরের মির্জা আজম চত্বর সংলগ্ন স্থানে এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, বেলা ১২টার দিকে শহরের পাথালিয়া এলাকার রাসেল ও রশিদপুর এলাকার সুমনসহ চারজন এসে প্রথমে নামফলকের কিছু অংশ খুলে ফেলেন। পরে সেটি তারা ভাংচুর করেন ও কয়েকবার পদদলিত করেন। এরপর তারা অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে স্থান ত্যাগ করেন।

জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের একজন জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদের নামফলক দিনে-দুপুরে ভাংচুরের ঘটনায় জেলা জুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সুধীমহলের অনেকেই মনে করছেন এই ঘটনাকে জেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতি নতুন মেরুকরণের দিকে ধাবিত করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। আবার কেউ কেউ বলছেন নির্বাচন পরবর্তী প্রতিহিংসা হতে পারে।

জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরী এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘জামালপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি পক্ষ রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় এই কাজটি করেছেন। তারা শান্ত জামালপুরকে অশান্ত করার চেষ্টা করছেন। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’

জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আইনজীবী মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ মোবাইল ফোনে এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরী এ জেলার একজন জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ। তাঁর নামফলক ভাংচুরের ঘটনা খুবই নিন্দনীয় একটি কাজ। যারা এই ঘটনার সাথে জড়িত তাদের যদি দলীয় কোনো পদ থাকে তাহলে তদন্ত করে দল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এছাড়াও জেলা আওয়ামী লীগ এ ঘটনার সাথে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছে।’

জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহব্বত কবির এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘শোনার সাথে সাথে আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করছি। আমরা এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। এই বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ’