ঢাকা ১০:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অবৈধ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা সার্টিফিকেট সহকারী কর্মকর্তা বরখাস্ত বকশীগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছে ১২৯৫ পরিবার প্রতিবন্ধীদের অধিকার সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার : মাহদী আমিন অটিজম কোনো সীমাবদ্ধতা নয়, বরং ভিন্নধর্মী সক্ষমতা : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ চলচ্চিত্রের সার্টিফিকেশন সনদ সাময়িক স্থগিত কোরবানির চামড়ার দাম : ঢাকায় ৬২-৬৭ টাকা, ঢাকার বাইরে ৫৭-৬২ টাকা জামালপুরে জেন্ডার স্টোরিওটাইপ নিরসনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ব্রেন ট্রিউমারে আক্রান্ত শিশু শিফার চিকিৎসা সহায়তার মধ্য দিয়ে মূসা ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ

গানের সুর বিকৃতিতে এবার মুখ খুললেন নজরুলের নাতি

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের গানের সুর বিকৃতির অভিযোগে নেটিজেনদের তোপের মুখে পড়েছেন ভারতীয় অস্কারজয়ী সংগীত পরিচালক এ আর রহমান। বিষয়টি নিয়ে এবার মুখ খুললেন কবির নাতি অনির্বাণ কাজী।

১০ নভেম্বর ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে ভারতীয় সিনেমা ‘পিপ্পা’। ১৯৭১ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তৈরি সিনেমায় এ আর রহমানের সুরে ‘কারার ওই লৌহকপাট’ গানটি বিকৃত করায় দুই বাংলার মানুষই এর প্রতিবাদ করেছেন।

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ নিয়ে কবির নাতি অনির্বাণ কাজী বলেন, ‘যে চিন্তায় গানটি ব্যবহার করার লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল তার মর্যাদা রাখা হয়নি।’

অনির্বাণ আরও বলেন, ‘গানের ক্রেডিট থেকে তার পরিবারের নাম মুছে ফেলা হোক। আমরা বুঝতে পারিনি উনার মতো একজন শিল্পী এতটা অসংবেদনশীল হতে পারে।’

‘গানটিকে হত্যা করা হয়েছে। আমি চলচ্চিত্রের ক্রেডিট লাইনে “বিশেষ ধন্যবাদ”-এ আমাদের পরিবারের নাম চাই না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার মা গানটা ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন সুর এবং কথা ঠিক রেখে ব্যবহারের জন্য। মা বলেছিল, গানটা তৈরি হয়ে গেলে একবার শোনাতে। ২০২১ সালে মা অনুমতি দেন। কিন্তু ওরা কিছুই শোনায়নি। এরপর মাও মারা যান।’

‘রহমানকে সম্পূর্ণ শ্রদ্ধা জানিয়েই জানতে চাই, তাকে কে অধিকার দিল গানটি বিকৃত করার। স্বত্ব দেওয়ার সময় তো সুর বদলের কথা বলা হয়নি। এটাকে গ্রামীণ সংগীতের মতো, ভাটিয়ালির মতো করে দিয়েছে। অনেক সস্তা করে দিয়েছে।’

১৯২২ সালের ২০ জুন ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ গানটি লিখেছিলেন কবি কাজী নজরুল। এটি একটি কালজয়ী গান। ১৯৪৯ সালের জুন মাসে যা রেকর্ড করা হয়। গিরিন চক্রবর্তী গানটি গেয়েছিলেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অবৈধ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর

গানের সুর বিকৃতিতে এবার মুখ খুললেন নজরুলের নাতি

আপডেট সময় ১০:১২:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ নভেম্বর ২০২৩

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের গানের সুর বিকৃতির অভিযোগে নেটিজেনদের তোপের মুখে পড়েছেন ভারতীয় অস্কারজয়ী সংগীত পরিচালক এ আর রহমান। বিষয়টি নিয়ে এবার মুখ খুললেন কবির নাতি অনির্বাণ কাজী।

১০ নভেম্বর ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে ভারতীয় সিনেমা ‘পিপ্পা’। ১৯৭১ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তৈরি সিনেমায় এ আর রহমানের সুরে ‘কারার ওই লৌহকপাট’ গানটি বিকৃত করায় দুই বাংলার মানুষই এর প্রতিবাদ করেছেন।

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ নিয়ে কবির নাতি অনির্বাণ কাজী বলেন, ‘যে চিন্তায় গানটি ব্যবহার করার লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল তার মর্যাদা রাখা হয়নি।’

অনির্বাণ আরও বলেন, ‘গানের ক্রেডিট থেকে তার পরিবারের নাম মুছে ফেলা হোক। আমরা বুঝতে পারিনি উনার মতো একজন শিল্পী এতটা অসংবেদনশীল হতে পারে।’

‘গানটিকে হত্যা করা হয়েছে। আমি চলচ্চিত্রের ক্রেডিট লাইনে “বিশেষ ধন্যবাদ”-এ আমাদের পরিবারের নাম চাই না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার মা গানটা ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন সুর এবং কথা ঠিক রেখে ব্যবহারের জন্য। মা বলেছিল, গানটা তৈরি হয়ে গেলে একবার শোনাতে। ২০২১ সালে মা অনুমতি দেন। কিন্তু ওরা কিছুই শোনায়নি। এরপর মাও মারা যান।’

‘রহমানকে সম্পূর্ণ শ্রদ্ধা জানিয়েই জানতে চাই, তাকে কে অধিকার দিল গানটি বিকৃত করার। স্বত্ব দেওয়ার সময় তো সুর বদলের কথা বলা হয়নি। এটাকে গ্রামীণ সংগীতের মতো, ভাটিয়ালির মতো করে দিয়েছে। অনেক সস্তা করে দিয়েছে।’

১৯২২ সালের ২০ জুন ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ গানটি লিখেছিলেন কবি কাজী নজরুল। এটি একটি কালজয়ী গান। ১৯৪৯ সালের জুন মাসে যা রেকর্ড করা হয়। গিরিন চক্রবর্তী গানটি গেয়েছিলেন।