ঢাকা ০৮:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশে মাদক নির্মূলে খেলাধুলার বিকল্প নেই : বেসামরিক বিমান মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের বরাদ্দ বৃদ্ধি করে ২৫ কোটি টাকা করা হবে : তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী শেরপুর গারো পাহাড়ের হাতির অভয়ারণ্য ঘোষণায় সেমিনার অনুষ্ঠিত জামালপুরে ১৭৫ বছরের সাহিত্য-সাময়িকী নিয়ে আলোচনা, কবিতা পাঠ শেরপুর নার্সিং ইনস্টিটিউটের ইনচার্জের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে বজ্রপাতে পল্লী চিকিৎসকের মৃত্যু মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার জামালপুর জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট একটি সফল আয়োজন : কিছু পর্যালোচনা জামালপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু মাদারগঞ্জে বেশি দামে সার বিক্রি, এক ডিলারকে জরিমানা

গানের সুর বিকৃতিতে এবার মুখ খুললেন নজরুলের নাতি

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের গানের সুর বিকৃতির অভিযোগে নেটিজেনদের তোপের মুখে পড়েছেন ভারতীয় অস্কারজয়ী সংগীত পরিচালক এ আর রহমান। বিষয়টি নিয়ে এবার মুখ খুললেন কবির নাতি অনির্বাণ কাজী।

১০ নভেম্বর ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে ভারতীয় সিনেমা ‘পিপ্পা’। ১৯৭১ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তৈরি সিনেমায় এ আর রহমানের সুরে ‘কারার ওই লৌহকপাট’ গানটি বিকৃত করায় দুই বাংলার মানুষই এর প্রতিবাদ করেছেন।

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ নিয়ে কবির নাতি অনির্বাণ কাজী বলেন, ‘যে চিন্তায় গানটি ব্যবহার করার লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল তার মর্যাদা রাখা হয়নি।’

অনির্বাণ আরও বলেন, ‘গানের ক্রেডিট থেকে তার পরিবারের নাম মুছে ফেলা হোক। আমরা বুঝতে পারিনি উনার মতো একজন শিল্পী এতটা অসংবেদনশীল হতে পারে।’

‘গানটিকে হত্যা করা হয়েছে। আমি চলচ্চিত্রের ক্রেডিট লাইনে “বিশেষ ধন্যবাদ”-এ আমাদের পরিবারের নাম চাই না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার মা গানটা ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন সুর এবং কথা ঠিক রেখে ব্যবহারের জন্য। মা বলেছিল, গানটা তৈরি হয়ে গেলে একবার শোনাতে। ২০২১ সালে মা অনুমতি দেন। কিন্তু ওরা কিছুই শোনায়নি। এরপর মাও মারা যান।’

‘রহমানকে সম্পূর্ণ শ্রদ্ধা জানিয়েই জানতে চাই, তাকে কে অধিকার দিল গানটি বিকৃত করার। স্বত্ব দেওয়ার সময় তো সুর বদলের কথা বলা হয়নি। এটাকে গ্রামীণ সংগীতের মতো, ভাটিয়ালির মতো করে দিয়েছে। অনেক সস্তা করে দিয়েছে।’

১৯২২ সালের ২০ জুন ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ গানটি লিখেছিলেন কবি কাজী নজরুল। এটি একটি কালজয়ী গান। ১৯৪৯ সালের জুন মাসে যা রেকর্ড করা হয়। গিরিন চক্রবর্তী গানটি গেয়েছিলেন।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশে মাদক নির্মূলে খেলাধুলার বিকল্প নেই : বেসামরিক বিমান মন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান

গানের সুর বিকৃতিতে এবার মুখ খুললেন নজরুলের নাতি

আপডেট সময় ১০:১২:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ নভেম্বর ২০২৩

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের গানের সুর বিকৃতির অভিযোগে নেটিজেনদের তোপের মুখে পড়েছেন ভারতীয় অস্কারজয়ী সংগীত পরিচালক এ আর রহমান। বিষয়টি নিয়ে এবার মুখ খুললেন কবির নাতি অনির্বাণ কাজী।

১০ নভেম্বর ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে ভারতীয় সিনেমা ‘পিপ্পা’। ১৯৭১ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তৈরি সিনেমায় এ আর রহমানের সুরে ‘কারার ওই লৌহকপাট’ গানটি বিকৃত করায় দুই বাংলার মানুষই এর প্রতিবাদ করেছেন।

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ নিয়ে কবির নাতি অনির্বাণ কাজী বলেন, ‘যে চিন্তায় গানটি ব্যবহার করার লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল তার মর্যাদা রাখা হয়নি।’

অনির্বাণ আরও বলেন, ‘গানের ক্রেডিট থেকে তার পরিবারের নাম মুছে ফেলা হোক। আমরা বুঝতে পারিনি উনার মতো একজন শিল্পী এতটা অসংবেদনশীল হতে পারে।’

‘গানটিকে হত্যা করা হয়েছে। আমি চলচ্চিত্রের ক্রেডিট লাইনে “বিশেষ ধন্যবাদ”-এ আমাদের পরিবারের নাম চাই না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার মা গানটা ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন সুর এবং কথা ঠিক রেখে ব্যবহারের জন্য। মা বলেছিল, গানটা তৈরি হয়ে গেলে একবার শোনাতে। ২০২১ সালে মা অনুমতি দেন। কিন্তু ওরা কিছুই শোনায়নি। এরপর মাও মারা যান।’

‘রহমানকে সম্পূর্ণ শ্রদ্ধা জানিয়েই জানতে চাই, তাকে কে অধিকার দিল গানটি বিকৃত করার। স্বত্ব দেওয়ার সময় তো সুর বদলের কথা বলা হয়নি। এটাকে গ্রামীণ সংগীতের মতো, ভাটিয়ালির মতো করে দিয়েছে। অনেক সস্তা করে দিয়েছে।’

১৯২২ সালের ২০ জুন ‘কারার ওই লৌহ কপাট’ গানটি লিখেছিলেন কবি কাজী নজরুল। এটি একটি কালজয়ী গান। ১৯৪৯ সালের জুন মাসে যা রেকর্ড করা হয়। গিরিন চক্রবর্তী গানটি গেয়েছিলেন।