ঢাকা ১০:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিবাহের আগে ছেলে-মেয়ে থ্যালাসিমিয়ার বাহক কিনা তা জানা জরুরি : সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী জুলাই জাতীয় সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবো : নজরুল ইসলাম খান গাঁজা সেবনের দায়ে বাবা-ছেলেকে কারাদণ্ড জামালপুরে রেডক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস উদযাপিত হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তা প্রদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে : আসাদুল হাবিব দুলু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ আয়কর রসিদেই জানানো হবে করের টাকা কোথায় ব্যয় হচ্ছে : তিতুমীর বাংলাদেশ, বাংলাদেশের সংবিধানের ভিত্তিতেই পরিচালিত হবে : ওয়ারেছ আলী মামুন দেশের ইতিহাসে তারেক জিয়া এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান

জামালপুরে জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক প্রশিক্ষণ

জামালপুরে জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে প্রত্যেক উন্নয়নকর্মী বিশেষ করে কমিউনিটি ফ্যাসিলিটেটরদের নির্দেশনামূলক সহায়িকা হিসেবে জিবিভি পকেট গাইডের উপর ধারণায়ণের লক্ষ্যে জামালপুরে ওয়ার্ল্ড ভিশনের এনএসভিসি প্রকল্পের আওতায় ২২ নভেম্বর দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনএসভিসি প্রকল্পের জেন্ডার বিশেষজ্ঞ রুমা ইয়াসমিন।

উন্নয়ন সংঘের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ডিটিআরসিতে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণের অন্যান্যের বক্তব্য রাখেন উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম, ওয়ার্ল্ড ভিশন এনএসভিসি প্রকল্পের ব্যবস্থাপক অসীম চ্যাটার্জি, উপজেলা সমন্বয়কারী রেজাউল করিম, জেন্ডার কর্মকর্তা সাদেকা বেগম, কৃষি কর্মকর্তা গৌরাঙ্গ সাহা প্রমুখ।

প্রশিক্ষণের কার্যক্রম বাস্তবায়নে সুযোগ ও বাধা বা চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা, কর্মপরিকল্পনা তৈরিসহ জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে এবং পকেট গাইড অনুসরণের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হয়। প্রশিক্ষণে এনএসভিসি প্রকল্পের সদর উপজেলার ২৭ জন কমিউনিটি সহায়ক অংশ নেন।

উল্লেখ, অস্ট্রেলিয়া সরকারের অস্ট্রেলিয়া এনজিও কো-অপারেশনর আর্থিক সহায়তায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ নিউট্রিশন সেনসেটিভ ভ্যালু চেইনস্ ফর স্মলহোল্ডার ফারমারস্ (এসএসভিসি) প্রকল্পটি উন্নয়ন সংঘের সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে জামালপুর জেলার ৩টি উপজেলায় (জামালপুর সদর, ইসলামপুর ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা) বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পটি ২০ হাজার জন ক্ষুদ্র কৃষক ও তাদের পরিবারের নিয়ে কাজ করছে যার মধ্যে প্রায় ১৩ হাজার ৫০০ জন নারী ও ৬ হাজার ৫০০ জন পুরুষ।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিবাহের আগে ছেলে-মেয়ে থ্যালাসিমিয়ার বাহক কিনা তা জানা জরুরি : সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী

জামালপুরে জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক প্রশিক্ষণ

আপডেট সময় ০৭:০৪:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ নভেম্বর ২০২২
জামালপুরে জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে প্রত্যেক উন্নয়নকর্মী বিশেষ করে কমিউনিটি ফ্যাসিলিটেটরদের নির্দেশনামূলক সহায়িকা হিসেবে জিবিভি পকেট গাইডের উপর ধারণায়ণের লক্ষ্যে জামালপুরে ওয়ার্ল্ড ভিশনের এনএসভিসি প্রকল্পের আওতায় ২২ নভেম্বর দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনএসভিসি প্রকল্পের জেন্ডার বিশেষজ্ঞ রুমা ইয়াসমিন।

উন্নয়ন সংঘের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ডিটিআরসিতে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণের অন্যান্যের বক্তব্য রাখেন উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম, ওয়ার্ল্ড ভিশন এনএসভিসি প্রকল্পের ব্যবস্থাপক অসীম চ্যাটার্জি, উপজেলা সমন্বয়কারী রেজাউল করিম, জেন্ডার কর্মকর্তা সাদেকা বেগম, কৃষি কর্মকর্তা গৌরাঙ্গ সাহা প্রমুখ।

প্রশিক্ষণের কার্যক্রম বাস্তবায়নে সুযোগ ও বাধা বা চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা, কর্মপরিকল্পনা তৈরিসহ জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে এবং পকেট গাইড অনুসরণের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হয়। প্রশিক্ষণে এনএসভিসি প্রকল্পের সদর উপজেলার ২৭ জন কমিউনিটি সহায়ক অংশ নেন।

উল্লেখ, অস্ট্রেলিয়া সরকারের অস্ট্রেলিয়া এনজিও কো-অপারেশনর আর্থিক সহায়তায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ নিউট্রিশন সেনসেটিভ ভ্যালু চেইনস্ ফর স্মলহোল্ডার ফারমারস্ (এসএসভিসি) প্রকল্পটি উন্নয়ন সংঘের সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে জামালপুর জেলার ৩টি উপজেলায় (জামালপুর সদর, ইসলামপুর ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা) বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পটি ২০ হাজার জন ক্ষুদ্র কৃষক ও তাদের পরিবারের নিয়ে কাজ করছে যার মধ্যে প্রায় ১৩ হাজার ৫০০ জন নারী ও ৬ হাজার ৫০০ জন পুরুষ।