
সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম
শেরপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে সন্ত্রাসীদের উপর্যুপরি লাথি ও কিল ঘুষিতে এক গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ওই গৃহবধূর নাম ফজিলা খাতুন (৩৬)। গেল ২৯ মার্চ ভোরে হামলার শিকার হয়ে ৩১ মার্চ সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জেলা সদর হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। নিহতের বাড়ি সদর উপজেলার চরশেরপুর ইউনিয়নের টাঙ্গারিয়া পাড়া গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের তহুর উদ্দীনের স্ত্রী।
নিহতের বোন আকলিমা জানান, তার দুই ভাই পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত একখণ্ড জমি বিক্রি করতে চাইছিলো। এ খবরে একই গ্রামের সন্ত্রাসী আলিফ তার পছন্দের ক্রেতার কাছে কম মূল্যে জমি বিক্রির জন্য চাপ দিচ্ছিল। এতে তারা অস্বীকৃতি জানায়। এ কারণে ২৯ মার্চ ভোরে সন্ত্রাসীরা তার ভাইদেরকে মারধর করার করার জন্য বাড়িতেও যায়। কিন্তু বাড়ির সবাই ক্ষেতে পানি দিতে সজাগ থাকায় সন্ত্রাসীরা ব্যর্থ হয়। পরে তারা যায় ফজিলার বাড়িতে। এ সময় ফজিলা ফজরের নামাজ পড়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। পরে তাকে ডেকে বাড়ির বাইরে নিয়ে আসে সন্ত্রাসী আলিফ ও তার সহযোগেী হানিফ। এ সময় ওই দুই জনের নেতৃত্বে আরো কয়েকজন ফজিলার ওপর চড়াও হয়। পরে তার শরীরের সংবেদনশীল অংশে উপর্যুপরি লাথি ও কিল ঘুষি মারতে থাকে। এ পর্যায়ে ফজিলাকে মাটিতে ফেলে সন্ত্রাসীরা পা দিয়ে তার গলা চেপে ধরে তলপেটে বেশ কয়েকটি লাথি মারে। এ ঘটনায় ফজিলা গুরুত্বর আহত হয়। পরে তাকে আশংকাজনক অবস্থায় শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৩১ মার্চ সকাল সাড়ে দশটায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সদর থানা পুলিশের ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, লাশের সুরতহাল তৈরি করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। আর এ ঘটনায় বিকালে আজাদ মিয়া একজন বাদী হয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন।
বাংলার চিঠি ডেস্ক : 



















