ঢাকা ১০:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কন্যাশিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক জনতার হাতে আটক যোগিরঘোপায় পানিবন্দি ২০০ পরিবার পেল বিএনপির ত্রাণ সহায়তা শেরপুরে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের কৃষি উপকরণ বিতরণ দেওয়ানগঞ্জে সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিডি ক্লিন প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ জামানত ছাড়াই ৫ কোটি টাকা ঋণ পাবে তরুণ উদ্যোক্তারা : প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এগিয়ে ইংল্যান্ড জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের কার্যক্রমকে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হেফাজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ

রশিদপুরে আগুনে পুড়ে স্ত্রীর মৃত্যুর তিনদিন পর দগ্ধ স্বামীর মৃত্যু

অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যাওয়া ইকরামুল হক শুভ্রর মরদেহ দেখতে ভিড় করেন স্বজন ও প্রতিবেশীরা। ছবি : মাহমুদুল হাসান মুক্তা

জামালপুরে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ঘটনাস্থলেই অঙ্গার হয়ে গৃহবধূ সানজিদা আক্তার শিপরার মৃত্যুর পর তিনদিন পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন তার স্বামী ইকরামুল হক শুভ্র। ২৩ মার্চ মাঝরাতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মারা যান তিনি। তার শরীর প্রায় শতভাগ মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছিল। ২১ মার্চ সকালে জামালপুর পৌরসভার রশিদপুর এলাকায় এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রশিদপুর এলাকার মো. বেলাল হোসেনের ছেলে ইকরামুল হক শুভ্র (৩৩) রশিদপুর বাজারে দোকান ভাড়া নিয়ে খোলাবাজারে ডিজেল-পেট্রলের ব্যবসা করতেন। দোকানের কাছেই স্থানীয় মোজাম্মেল হোসেনের একটি টিনের ঘর ভাড়া নিয়ে স্ত্রী সানজিদা আক্তার শিপরা (২৫) ও একমাত্র কন্যাসন্তান ছয়ফাকে (৪) নিয়ে বাস করতেন। ২১ মার্চ সকালে তার স্ত্রী সানজিদা ঘরের ভেতরে গ্যাসের চুলায় রান্না করছিলেন। এ সময় সিলিন্ডারের পাইপ লিকেজ হয়ে আগুনের সূত্রপাত হয়ে ঘরে থাকা পেট্রলের ড্রামে আগুন লেগে সারা ঘর পুড়ে যায়। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সময় ঘরে আটকা পড়ে পুড়ে অঙ্গার হয়ে মারা যান গৃহিনী সানজিদা। তাকে উদ্ধারের চেষ্টার সময় তার স্বামী ইকরামুলের শরীরের প্রায় শতভাগ মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়। তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে ঘটনার দিনই ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। ২৩ মার্চ রাত ১২টা ৯ মিনিটে সেখানে তিনি মারা যান। তাদের একমাত্র কন্যাসন্তান ছয়ফাকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার আধাঘন্টা আগে তার দাদি এসে বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিলেন। এতে শিশুটি প্রাণে বেঁচে যায়।

ইকরামুলের চাচাত ভাই সাইফুল ইসলাম বাংলারচিঠিডটকমকে জানান, ২৪ মার্চ সকালে ঢাকা থেকে ইকরামুলের মরদেহ জামালপুরে নিজ বাড়িতে আনা হলে তার স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় লাশ দেখতে বিপুল সংখ্যক মানুষ ওই বাড়িতে ভিড় করেন। পরে যোহর নামাজের পর স্থানীয় রশিদপুর ইজ্জতুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়

২১ মার্চের খবরটি পড়তে পারেন : গ্যাস সিলিন্ডার কেড়ে নিল গৃহবধূর প্রাণ, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ভাংচুর

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

রশিদপুরে আগুনে পুড়ে স্ত্রীর মৃত্যুর তিনদিন পর দগ্ধ স্বামীর মৃত্যু

আপডেট সময় ০৭:০১:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ মার্চ ২০২১

জামালপুরে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ঘটনাস্থলেই অঙ্গার হয়ে গৃহবধূ সানজিদা আক্তার শিপরার মৃত্যুর পর তিনদিন পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন তার স্বামী ইকরামুল হক শুভ্র। ২৩ মার্চ মাঝরাতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মারা যান তিনি। তার শরীর প্রায় শতভাগ মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছিল। ২১ মার্চ সকালে জামালপুর পৌরসভার রশিদপুর এলাকায় এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রশিদপুর এলাকার মো. বেলাল হোসেনের ছেলে ইকরামুল হক শুভ্র (৩৩) রশিদপুর বাজারে দোকান ভাড়া নিয়ে খোলাবাজারে ডিজেল-পেট্রলের ব্যবসা করতেন। দোকানের কাছেই স্থানীয় মোজাম্মেল হোসেনের একটি টিনের ঘর ভাড়া নিয়ে স্ত্রী সানজিদা আক্তার শিপরা (২৫) ও একমাত্র কন্যাসন্তান ছয়ফাকে (৪) নিয়ে বাস করতেন। ২১ মার্চ সকালে তার স্ত্রী সানজিদা ঘরের ভেতরে গ্যাসের চুলায় রান্না করছিলেন। এ সময় সিলিন্ডারের পাইপ লিকেজ হয়ে আগুনের সূত্রপাত হয়ে ঘরে থাকা পেট্রলের ড্রামে আগুন লেগে সারা ঘর পুড়ে যায়। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সময় ঘরে আটকা পড়ে পুড়ে অঙ্গার হয়ে মারা যান গৃহিনী সানজিদা। তাকে উদ্ধারের চেষ্টার সময় তার স্বামী ইকরামুলের শরীরের প্রায় শতভাগ মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়। তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে ঘটনার দিনই ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। ২৩ মার্চ রাত ১২টা ৯ মিনিটে সেখানে তিনি মারা যান। তাদের একমাত্র কন্যাসন্তান ছয়ফাকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার আধাঘন্টা আগে তার দাদি এসে বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিলেন। এতে শিশুটি প্রাণে বেঁচে যায়।

ইকরামুলের চাচাত ভাই সাইফুল ইসলাম বাংলারচিঠিডটকমকে জানান, ২৪ মার্চ সকালে ঢাকা থেকে ইকরামুলের মরদেহ জামালপুরে নিজ বাড়িতে আনা হলে তার স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় লাশ দেখতে বিপুল সংখ্যক মানুষ ওই বাড়িতে ভিড় করেন। পরে যোহর নামাজের পর স্থানীয় রশিদপুর ইজ্জতুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়

২১ মার্চের খবরটি পড়তে পারেন : গ্যাস সিলিন্ডার কেড়ে নিল গৃহবধূর প্রাণ, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ভাংচুর