ঢাকা ০৩:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ মোকাবিলায় ভারতে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান সাংবাদিক আবুল কাশেমের বাসায় চুরি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট! যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন: ৪৭০ আসন ও ১২ বিলিয়ন ডলারের লড়াই কেন্দুয়া ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক জরায়ু কেটে ফেলার অভিযোগ, এম এ রশীদ হাসপাতালের দুই ডাক্তারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের শেরপুরে এবার ধুম কাছিম উদ্ধার ও অবমুক্ত জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী জামালপুরে সিডসের শিখন বিনিময় সফরে এসে সন্তুষ্ট কারিতাস দল

বঙ্গবন্ধু বাঙালির আত্মপরিচয়ের সন্ধান দিয়েছেন : উপাচার্য ড. সামসুদ্দিন

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ ও অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ ও অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে প্রতিষ্ঠিত বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেফমুবিপ্রবি) যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে ১৭ মার্চ সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা, কেককাটা ও আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। করোনা মহামারি পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এসব অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

দিবসটি উপলক্ষে ১৭ মার্চ সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সুশান্ত কুমার ভট্টাচার্য, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেনসহ বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে শ্রদ্ধা জানানো শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মবার্ষিকীর কেক কাটা হয়। পরে সমাজকর্ম বিভাগের চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক ড. এ এইচ এম মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ।

বঙ্গবন্ধুর ১০১তম জন্মবার্ষিকীর কেক কাটেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

উপাচার্য তার বক্তব্যে বলেন, আজ আমরা এমন একজন ব্যক্তিত্বের জন্মদিন উদযাপন করছি, যিনি অনায়াসে ইতিহাসকে নিয়ন্ত্রণ করেছেন। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যিনি একটি জাতির আত্মপরিচয়ের সন্ধান দিয়েছেন। এ অঞ্চলের মানুষের মাতৃভাষা বাংলাকে তিনি আত্মপরিচয়ের ভাষায় পরিণত করার অসামান্য পারদর্শিতা দেখিয়েছেন। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে, তিনি একটি জাতিকে ভৌগোলিক ঠিকানা দিয়ে গেছেন। সার্বভৌমত্বের অধিকার নিশ্চিত করেছেন। এটি চাট্টিখানি কথা নয়। তাঁর জন্যই আমরা বলতে পারি আমার ঠিকানা বাংলাদেশ।

তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর চিন্তা-চেতনায় ছিল এ দেশের মানুষ। মানুষের ভালোবাসা ছিল তাঁর শক্তি। মানুষকে ভালোবেসেই জীবন উজাড় করে দিয়েছেন তিনি। তাঁর আদর্শে নিজেদের গড়ে তুলতে পারলেই তাঁকে শ্রেষ্ঠ সম্মান দেওয়া হবে।

প্রফেসর ড. সামসুদ্দিন বলেন, জাতির পিতার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করার প্রত্যয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। আর এর নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন তাঁর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আসুন, আমরা তাঁর হাতকে শক্তিশালী করি। আমাদের শিশুদের ভবিষ্যত নেতৃত্বের জন্য গড়ে তুলি, তারা মেধা ও প্রজ্ঞায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করুক। পৃথিবীর বুকে বয়ে আনুক মাতৃভূমির সম্মান।

এদিকে কর্মসূচির অংশ হিসেবে স্থানীয় মসজিদে দোয়া ও উপাসনালয়ে প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি

বঙ্গবন্ধু বাঙালির আত্মপরিচয়ের সন্ধান দিয়েছেন : উপাচার্য ড. সামসুদ্দিন

আপডেট সময় ০৩:০৬:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ মার্চ ২০২১
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ ও অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে প্রতিষ্ঠিত বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেফমুবিপ্রবি) যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে ১৭ মার্চ সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা, কেককাটা ও আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। করোনা মহামারি পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এসব অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

দিবসটি উপলক্ষে ১৭ মার্চ সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সুশান্ত কুমার ভট্টাচার্য, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেনসহ বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে শ্রদ্ধা জানানো শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মবার্ষিকীর কেক কাটা হয়। পরে সমাজকর্ম বিভাগের চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক ড. এ এইচ এম মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ।

বঙ্গবন্ধুর ১০১তম জন্মবার্ষিকীর কেক কাটেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

উপাচার্য তার বক্তব্যে বলেন, আজ আমরা এমন একজন ব্যক্তিত্বের জন্মদিন উদযাপন করছি, যিনি অনায়াসে ইতিহাসকে নিয়ন্ত্রণ করেছেন। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যিনি একটি জাতির আত্মপরিচয়ের সন্ধান দিয়েছেন। এ অঞ্চলের মানুষের মাতৃভাষা বাংলাকে তিনি আত্মপরিচয়ের ভাষায় পরিণত করার অসামান্য পারদর্শিতা দেখিয়েছেন। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে, তিনি একটি জাতিকে ভৌগোলিক ঠিকানা দিয়ে গেছেন। সার্বভৌমত্বের অধিকার নিশ্চিত করেছেন। এটি চাট্টিখানি কথা নয়। তাঁর জন্যই আমরা বলতে পারি আমার ঠিকানা বাংলাদেশ।

তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর চিন্তা-চেতনায় ছিল এ দেশের মানুষ। মানুষের ভালোবাসা ছিল তাঁর শক্তি। মানুষকে ভালোবেসেই জীবন উজাড় করে দিয়েছেন তিনি। তাঁর আদর্শে নিজেদের গড়ে তুলতে পারলেই তাঁকে শ্রেষ্ঠ সম্মান দেওয়া হবে।

প্রফেসর ড. সামসুদ্দিন বলেন, জাতির পিতার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করার প্রত্যয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। আর এর নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন তাঁর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আসুন, আমরা তাঁর হাতকে শক্তিশালী করি। আমাদের শিশুদের ভবিষ্যত নেতৃত্বের জন্য গড়ে তুলি, তারা মেধা ও প্রজ্ঞায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করুক। পৃথিবীর বুকে বয়ে আনুক মাতৃভূমির সম্মান।

এদিকে কর্মসূচির অংশ হিসেবে স্থানীয় মসজিদে দোয়া ও উপাসনালয়ে প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।