ঢাকা ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গৃহবধূকে ধর্ষণের দায়ে দুই যুবকের মৃত্যুদণ্ড বৈলডাঙ্গা বিলের প্রকৃতিতে সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে লাল শাপলা ইসলামপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ মাদারগঞ্জে বাঁশির শব্দে ছুটল ঘোড়া, উল্লাসে মাতল হাজারো দর্শক জামালপুরে নিরাপদ খাদ্য ও পুষ্টি বিষয়ক এপির বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস ২০২৬ : বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ বাংলাদেশে মর্যাদা ও অধিকার চাই নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়াতে জামালপুরে মিডিয়া ওরিয়েন্টেশন প্রতি ইউনিয়নে গড়ে তোলা হবে প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ইউনিট : প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক সহকারী গণমাধ্যম শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল

যমুনা সার কারখানার জমাট বাঁধা সার তোলা বন্ধ করেছে ডিলাররা

তারাকান্দি যমুনা সারকারখানায় আমদানিকৃত জমাট বাঁধা সার পড়ে আছে খোলা মাঠে। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

তারাকান্দি যমুনা সারকারখানায় আমদানিকৃত জমাট বাঁধা সার পড়ে আছে খোলা মাঠে। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় যমুনা সার কারখানায় আমদানিকৃত নিম্নমানের ও জমাট বাঁধা নষ্ট সার তোলা বন্ধ করে দিয়েছে ডিলাররা। ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে বিসিআইসি’র ডিলাররা এ সার উত্তোলন ও সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। এতে ৪১ হাজার মেট্টিক টন আমদানিকৃত ইউরিয়া সার নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কারখানা কর্তৃপক্ষ। উত্তোলন ও সরবরাহ বন্ধ থাকলে চলতি মৌসুমে দাম বাড়ার আশংকায় রয়েছে স্থানীয় কৃষকরা।

মেসার্স আকলিমা ট্রেডাসের মালিক মো. আকবর আলী, ডিলার মোস্তাক মিয়াসহ আরো অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, প্রতিমাসে বিসিআইসি’র তালিকাভূক্ত ডিলারদের যমুনার ইউরিয়ার সাথে আমদানিকৃত এক মে. টন সার গ্রহণ বাধ্যতামুলক করা হয়েছে। এই এক মে. টন আমদানিকৃত সারের বস্তা দীর্ঘদিনের পুরনো, ছেঁড়া-ফাঁটা, জমাট বাঁধা, গলিত ও পঁচা থাকে। এসব সার কৃষক ক্রয় না করায় মোটা অঙ্কের লোকসান গুণতে হয় ডিলারদের। আমরা ১ মে.টন পঁচা সার না নেওয়ার দাবি জানিয়েছি। কর্তৃপক্ষ এটা সুরাহা না করায় ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে আমদানিকৃত পঁচা সার বরাদ্দ বন্ধের দাবিতে সার উত্তোলন ও সরবরাহ বন্ধ করে দেন ডিলাররা।

কারখানার বিক্রয় বিভাগ সূত্র জানায়, চলতি মাসের ডিলারদের মধ্যে সার বরাদ্ধ দেওয়া হয় ৮০ হাজার মে. টন। কারখানার কমাণ্ড এরিয়ায় প্রতি ডিলারদের বরাদ্দ ১২ মে. টন। এই ১২ মে. টনের মধ্যে যমুনা সার কারখানার উৎপাদিত ১১ মে. টন ও বাইরে থেকে আমদানিকৃত ১ মে. টন সার গ্রহণ বাধ্যতামূলক। কারখানায় বাইরে থেকে আমদানিকৃত ২১ হাজার মে. টন ও যমুনায় উৎপাদিত ৮৩ হাজার মে. টন সার মজুদ রয়েছে। আমদানিকৃত নিম্নমানের সার গ্রহণ একযোগে সকল ডিলার সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দিয়েছে।

এ ব্যাপারে যমুনা সার কারখানার বিক্রয় শাথার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওয়ায়েছুর রহমান এ প্রতিবেদককে মুঠোফোনে বলেন, আমদানিকৃত সারের একটি স্তূপ পরির্বতন করে অন্য স্তূপ থেকে নিতে চায় আমাকে বলেছে। সেটিও পরিবর্তন করে দিয়েছি। এর পরেও আজ শনিবার সকাল (৬ ফেব্রুয়ারি) থেকে আমদানিকৃত সার না নেওয়া শর্তে ডিলাররা সার উত্তোলন বন্ধ রেখেছে। এক বছর আগে আমদানি করা সার জমাট তো বাঁধবেই। এই আমদানিকৃত সার বিসিআইসি আমদানি করেছে তাই নিতে তো হবেই। আমাদের তো করার কিছুই নেই।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গৃহবধূকে ধর্ষণের দায়ে দুই যুবকের মৃত্যুদণ্ড

যমুনা সার কারখানার জমাট বাঁধা সার তোলা বন্ধ করেছে ডিলাররা

আপডেট সময় ০৭:৩১:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১
তারাকান্দি যমুনা সারকারখানায় আমদানিকৃত জমাট বাঁধা সার পড়ে আছে খোলা মাঠে। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় যমুনা সার কারখানায় আমদানিকৃত নিম্নমানের ও জমাট বাঁধা নষ্ট সার তোলা বন্ধ করে দিয়েছে ডিলাররা। ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে বিসিআইসি’র ডিলাররা এ সার উত্তোলন ও সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। এতে ৪১ হাজার মেট্টিক টন আমদানিকৃত ইউরিয়া সার নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কারখানা কর্তৃপক্ষ। উত্তোলন ও সরবরাহ বন্ধ থাকলে চলতি মৌসুমে দাম বাড়ার আশংকায় রয়েছে স্থানীয় কৃষকরা।

মেসার্স আকলিমা ট্রেডাসের মালিক মো. আকবর আলী, ডিলার মোস্তাক মিয়াসহ আরো অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, প্রতিমাসে বিসিআইসি’র তালিকাভূক্ত ডিলারদের যমুনার ইউরিয়ার সাথে আমদানিকৃত এক মে. টন সার গ্রহণ বাধ্যতামুলক করা হয়েছে। এই এক মে. টন আমদানিকৃত সারের বস্তা দীর্ঘদিনের পুরনো, ছেঁড়া-ফাঁটা, জমাট বাঁধা, গলিত ও পঁচা থাকে। এসব সার কৃষক ক্রয় না করায় মোটা অঙ্কের লোকসান গুণতে হয় ডিলারদের। আমরা ১ মে.টন পঁচা সার না নেওয়ার দাবি জানিয়েছি। কর্তৃপক্ষ এটা সুরাহা না করায় ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে আমদানিকৃত পঁচা সার বরাদ্দ বন্ধের দাবিতে সার উত্তোলন ও সরবরাহ বন্ধ করে দেন ডিলাররা।

কারখানার বিক্রয় বিভাগ সূত্র জানায়, চলতি মাসের ডিলারদের মধ্যে সার বরাদ্ধ দেওয়া হয় ৮০ হাজার মে. টন। কারখানার কমাণ্ড এরিয়ায় প্রতি ডিলারদের বরাদ্দ ১২ মে. টন। এই ১২ মে. টনের মধ্যে যমুনা সার কারখানার উৎপাদিত ১১ মে. টন ও বাইরে থেকে আমদানিকৃত ১ মে. টন সার গ্রহণ বাধ্যতামূলক। কারখানায় বাইরে থেকে আমদানিকৃত ২১ হাজার মে. টন ও যমুনায় উৎপাদিত ৮৩ হাজার মে. টন সার মজুদ রয়েছে। আমদানিকৃত নিম্নমানের সার গ্রহণ একযোগে সকল ডিলার সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দিয়েছে।

এ ব্যাপারে যমুনা সার কারখানার বিক্রয় শাথার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওয়ায়েছুর রহমান এ প্রতিবেদককে মুঠোফোনে বলেন, আমদানিকৃত সারের একটি স্তূপ পরির্বতন করে অন্য স্তূপ থেকে নিতে চায় আমাকে বলেছে। সেটিও পরিবর্তন করে দিয়েছি। এর পরেও আজ শনিবার সকাল (৬ ফেব্রুয়ারি) থেকে আমদানিকৃত সার না নেওয়া শর্তে ডিলাররা সার উত্তোলন বন্ধ রেখেছে। এক বছর আগে আমদানি করা সার জমাট তো বাঁধবেই। এই আমদানিকৃত সার বিসিআইসি আমদানি করেছে তাই নিতে তো হবেই। আমাদের তো করার কিছুই নেই।