ঢাকা ১০:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে বিএনপি সরকার : মন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত মাদারগঞ্জে শতদল ও স্বদেশ সমবায় সমিতির ৬ কোটি ১০ লাখ টাকার জমির দলিল হস্তান্তর বিদ্যুতের নামে শুধু প্ল্যান্ট করেছে আওয়ামী লীগ : বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী বিএনপিনেতা ফিরোজ মিয়া’র উদ্যােগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত পিংনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত বাগেরহাটায় প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে মিটারের আবেদন করতেই ‘ভুতুড়ে বিল’ : মিটার নেই, সংযোগও নেই তবুও এল বিদ্যুৎ বিল! জামালপুরে তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস পালিত মানিক সওদাগর বললেন ‘ওটা ছিল ‘স্লিপ অব টাং’ জামালপুরে হচ্ছে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ

৬টি খাতকে শিশু শ্রমমুক্ত ঘোষণা

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ ট্যানারি, গ্লাস, সিরামিক, জাহাজ পুন:প্রক্রিয়াজাতকরণ, রপ্তানীমুখী চামড়াজাত শিল্প ও পাদুকা এবং রেশমসহ ৬টি খাতকে শিশু শ্রমমুক্ত ঘোষণা করেছে সরকার।

৪ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বিজয়নগরে শ্রম ভবনের সম্মলন কক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেন।

শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, এবছরের মধ্যেই আরো কয়েকটি সেক্টরকে শিশুশ্রম মুক্ত করার জন্য কাজ করছে শ্রম মন্ত্রণালয়।

তিনি বলেন, ৬টি শিল্প সেক্টরের মালিক পক্ষের এসোসিয়েশন হতে মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবে জানিয়েছে যে, এসব সেক্টরে কোন শিশুশ্রম নেই।

সংশ্লিষ্ট সেক্টরের এসোসিয়েশন হতে প্রত্যয়ন পাওয়ার পর জাতীয় মনিটরিং কোর কমিটি গত নভেম্বর ও ডিসেম্বর ২০২০ এর মধ্যে এ ৬টি সেক্টরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কারখানাসমূহ পরিদর্শন করে। জাতীয় মনিটরিং কোর কমিটি ৬টি সেক্টর পরিদর্শন সম্পন্ন করে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে ৬টি প্রতিবেদন দাখিল করে। এই প্রেক্ষিতে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, জাতীয় মনিটরিং কোর কমিটি, মালিক-শ্রমিক প্রতিনিধি সবাই মিলে এই ৬টি সেক্টরকে আনুষ্ঠানিকভাবে শিশুশ্রমমুক্ত ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ শিশুশ্রম মুক্ত হবে বলে প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন। শ্রমবাজার থেকে শিশুদেরকে মুক্ত করে শিক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় এনে শিশুদের সঠিক বিকাশ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ২০১০ সালে শিশুশ্রম নিরসন নীতি প্রণয়ন করে এবং ২০১২ সালে শিশুশ্রম নিরসনে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে। এছাড়া ২০১৩ সালে শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ কাজের তালিকা প্রকাশ করে।

সভাপতির বক্তৃতায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব কে. এম. আব্দুস সালাম বলেন, করোনা মহামারীকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে ২৩ টি সেক্টরের জন্য প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেন তার মধ্যে প্রথম প্যাকেজ ঘোষণা করেন শ্রমিকদের বেতন-ভাতার জন্য। শ্রম সচিব জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে বলেন, জাতির পিতা শ্রমজীবী মেহনতি মানুষকে সবচেয়ে বেশি ভালবাসতেন।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মোল্লা জালাল উদ্দিন, সিরামিক সেক্টরের এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এবং সাবেক এমপি সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, রপ্তানীমুখী চামড়াজাত শিল্প ও পাদুকা সেক্টরের নির্বাহী পরিচালক কাজী রওশন আরা, আইএলও প্রতিনিধি সৈয়দ মুনিরা সুলতানা এবং শ্রমিক লীগের র্কাযকরী সভাপতি মো: আলাউদ্দিন মিয়া বক্তৃতা করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে বিএনপি সরকার : মন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত

৬টি খাতকে শিশু শ্রমমুক্ত ঘোষণা

আপডেট সময় ১২:১৪:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ ট্যানারি, গ্লাস, সিরামিক, জাহাজ পুন:প্রক্রিয়াজাতকরণ, রপ্তানীমুখী চামড়াজাত শিল্প ও পাদুকা এবং রেশমসহ ৬টি খাতকে শিশু শ্রমমুক্ত ঘোষণা করেছে সরকার।

৪ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বিজয়নগরে শ্রম ভবনের সম্মলন কক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেন।

শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, এবছরের মধ্যেই আরো কয়েকটি সেক্টরকে শিশুশ্রম মুক্ত করার জন্য কাজ করছে শ্রম মন্ত্রণালয়।

তিনি বলেন, ৬টি শিল্প সেক্টরের মালিক পক্ষের এসোসিয়েশন হতে মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবে জানিয়েছে যে, এসব সেক্টরে কোন শিশুশ্রম নেই।

সংশ্লিষ্ট সেক্টরের এসোসিয়েশন হতে প্রত্যয়ন পাওয়ার পর জাতীয় মনিটরিং কোর কমিটি গত নভেম্বর ও ডিসেম্বর ২০২০ এর মধ্যে এ ৬টি সেক্টরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কারখানাসমূহ পরিদর্শন করে। জাতীয় মনিটরিং কোর কমিটি ৬টি সেক্টর পরিদর্শন সম্পন্ন করে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে ৬টি প্রতিবেদন দাখিল করে। এই প্রেক্ষিতে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, জাতীয় মনিটরিং কোর কমিটি, মালিক-শ্রমিক প্রতিনিধি সবাই মিলে এই ৬টি সেক্টরকে আনুষ্ঠানিকভাবে শিশুশ্রমমুক্ত ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ শিশুশ্রম মুক্ত হবে বলে প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন। শ্রমবাজার থেকে শিশুদেরকে মুক্ত করে শিক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় এনে শিশুদের সঠিক বিকাশ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ২০১০ সালে শিশুশ্রম নিরসন নীতি প্রণয়ন করে এবং ২০১২ সালে শিশুশ্রম নিরসনে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে। এছাড়া ২০১৩ সালে শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ কাজের তালিকা প্রকাশ করে।

সভাপতির বক্তৃতায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব কে. এম. আব্দুস সালাম বলেন, করোনা মহামারীকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে ২৩ টি সেক্টরের জন্য প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেন তার মধ্যে প্রথম প্যাকেজ ঘোষণা করেন শ্রমিকদের বেতন-ভাতার জন্য। শ্রম সচিব জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে বলেন, জাতির পিতা শ্রমজীবী মেহনতি মানুষকে সবচেয়ে বেশি ভালবাসতেন।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মোল্লা জালাল উদ্দিন, সিরামিক সেক্টরের এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এবং সাবেক এমপি সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, রপ্তানীমুখী চামড়াজাত শিল্প ও পাদুকা সেক্টরের নির্বাহী পরিচালক কাজী রওশন আরা, আইএলও প্রতিনিধি সৈয়দ মুনিরা সুলতানা এবং শ্রমিক লীগের র্কাযকরী সভাপতি মো: আলাউদ্দিন মিয়া বক্তৃতা করেন।