শেরপুরের সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের নাচনমহুরি এলাকায় দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। ১ মে, শুক্রবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল-আমিনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাচনমহুরি এলাকার নহল মিয়া মাছ ধরার উদ্দেশ্যে প্রায় ১২ বছর আগে খালের ভেতরে অবৈধভাবে ইট দিয়ে বাধ ও গাইডওয়াল নির্মাণ করেন। এতে খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়। এতে এক যুগ ধরে বাওয়া এবং বোরো মৌসুমে প্রায় ৫০ একর আবাদি জমিতে পানি জমে থাকত। এতে ওই এলাকার কৃষকেরা ধান চাষসহ অন্যান্য আবাদ ঠিকঠাকভাবে করতে পারত না। ফলে তারা দীর্ঘ সময় ধরেই অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আসছিল।
দীর্ঘদিনের এ দুর্ভোগ নিরসনে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে উপজেলা প্রশাসন বরাবর আবেদন করলে ১ মে অভিযান চালিয়ে খালের ভেতরে নির্মিত অবৈধ বাধ ও গাইড ওয়ালটি উচ্ছেদ করে। এর ফলে খালের পানি চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে বলে জানিয়েছে এলাকার ভুক্তভোগী আব্দুল কাদির।

প্রশাসনের এ ধরনের অভিযানের ফলে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতে আর এ ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি হবে না। কৃষক তাদের জমিতে স্বাভাবিকভাবে কৃষিকাজ পরিচালনা করতে পারবে।
এ বিষয়ে ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল-আমিন এ প্রতিবেদককে বলেন, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় এবং প্রাকৃতিকভাবে পানি প্রবাহ সচল রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মুগনিউর রহমান মনি : নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর, বাংলারচিঠিডটকম 









