ঢাকা ০৮:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে আরও ২ কূপ খননের প্রস্তুতি, ডিপিপি অনুমোদনের অপেক্ষায় বাপেক্স ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন মাদারগঞ্জে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত নান্দিনায় দশ ছাত্রের পড়ালেখার দায়িত্ব নিলেন শিল্পপতি রাজিব সরকার শেরপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মধ্যে হুইলচেয়ার বিতরণ দেওয়ানগঞ্জে সংলাপ কেন্দ্রের উদ্যোগে বাল্যবিয়েবিরোধী নাটিকা মঞ্চস্থ দেওয়ানগঞ্জে ভুল ড্রপে চোখের ক্ষতি, অভিযোগ স্বাস্থ্যকর্মীর বিরুদ্ধে মাদারগঞ্জে মেশিনের চাকায় পিষ্ট হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে ৬৪ জেলায় : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

জয়রামপুরে ব্রহ্মপুত্র খননের বালি থেকে ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন

ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে মানববন্ধন। ছবি : মাহমুদুল হাসান মুক্তা

ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে মানববন্ধন। ছবি : মাহমুদুল হাসান মুক্তা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে ব্রহ্মপুত্র নদে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি থেকে জোর করে মাটিকাটা বন্ধ করা ও ফসলি জমিতে বালি ফেলা বন্ধসহ ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে জামালপুর সদরের শরিফপুর ইউনিয়নের জয়রামপুর এলাকার ভুক্তভুগী জমির মালিক ও কৃষকেরা। ২৬ অক্টোবর সকালে জয়রামপুরে ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে তারা।

মানববন্ধনে জমির মালিক মো. আনিছুর রহমান, কৃষক মোস্তফা কামাল, রাকিব হোসেন, মো. ফরিদ মিয়া, শাহাজাহান মিয়া, শিক্ষক আব্দুল বারীসহ আরও কয়েকজন ভুক্তভোগী জমির মালিক ও কৃষক বক্তব্য রাখেন।

ভুক্তভুগীরা তাদের বক্তব্যে বলেন, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে বিআইডাব্লিউটিএ এক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ইতোমধ্যে ৬০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ব্রহ্মপুত্র নদ খনন কাজ শুরু করেছে। গত একমাস ধরে জামালপুর সদরের জয়রামপুর এলাকায় খনন কাজ চলছে। প্রকল্প এলাকায় ড্রেজারে উত্তোলিত বালি স্থানীয় সরকারি খাস জমিতে রাখার কথা থাকলেও উত্তোলিত বালি অপরিকল্পিতভাবে কৃষকদের ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে বালি ফেলার কারণে জমির ফসল বালিচাপা পড়ে নষ্ট হচ্ছে।

তারা আরও বলেন, এসব জমিতে জয়রামপুর ও আশপাশের এলাকার শতাধিক কৃষক সারা বছর ধরে ধান, পেঁয়াজ, আলু, মিষ্টি কুমড়া, মরিচ, শশাসহ বিভিন্ন ফসল চাষাবাদ করে সংসার চালান। কিন্তু মনগড়াভাবে নদী খননের মাধ্যমে বালি তুলে এভাবে ফসলি জমির ওপর বালি ফেলার কারণে ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কৃষকদের পথেবসা ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না। এছাড়া ড্রেজারের পানির তোড়ে ভাঙনের কবলে পড়ছে জমি ও গাছপালা। উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবিসহ কারো ক্ষতি না করে পরিকল্পিতভাবে নদী খনন করে সরকারি খাসজমিতে বালি ফেলার দাবি জানান ভুক্তভুগী ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিক ও কৃষকেরা।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারগঞ্জে আরও ২ কূপ খননের প্রস্তুতি, ডিপিপি অনুমোদনের অপেক্ষায় বাপেক্স

জয়রামপুরে ব্রহ্মপুত্র খননের বালি থেকে ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় ১১:২৪:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০
ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে মানববন্ধন। ছবি : মাহমুদুল হাসান মুক্তা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে ব্রহ্মপুত্র নদে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি থেকে জোর করে মাটিকাটা বন্ধ করা ও ফসলি জমিতে বালি ফেলা বন্ধসহ ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে জামালপুর সদরের শরিফপুর ইউনিয়নের জয়রামপুর এলাকার ভুক্তভুগী জমির মালিক ও কৃষকেরা। ২৬ অক্টোবর সকালে জয়রামপুরে ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে তারা।

মানববন্ধনে জমির মালিক মো. আনিছুর রহমান, কৃষক মোস্তফা কামাল, রাকিব হোসেন, মো. ফরিদ মিয়া, শাহাজাহান মিয়া, শিক্ষক আব্দুল বারীসহ আরও কয়েকজন ভুক্তভোগী জমির মালিক ও কৃষক বক্তব্য রাখেন।

ভুক্তভুগীরা তাদের বক্তব্যে বলেন, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে বিআইডাব্লিউটিএ এক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ইতোমধ্যে ৬০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ব্রহ্মপুত্র নদ খনন কাজ শুরু করেছে। গত একমাস ধরে জামালপুর সদরের জয়রামপুর এলাকায় খনন কাজ চলছে। প্রকল্প এলাকায় ড্রেজারে উত্তোলিত বালি স্থানীয় সরকারি খাস জমিতে রাখার কথা থাকলেও উত্তোলিত বালি অপরিকল্পিতভাবে কৃষকদের ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে বালি ফেলার কারণে জমির ফসল বালিচাপা পড়ে নষ্ট হচ্ছে।

তারা আরও বলেন, এসব জমিতে জয়রামপুর ও আশপাশের এলাকার শতাধিক কৃষক সারা বছর ধরে ধান, পেঁয়াজ, আলু, মিষ্টি কুমড়া, মরিচ, শশাসহ বিভিন্ন ফসল চাষাবাদ করে সংসার চালান। কিন্তু মনগড়াভাবে নদী খননের মাধ্যমে বালি তুলে এভাবে ফসলি জমির ওপর বালি ফেলার কারণে ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কৃষকদের পথেবসা ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না। এছাড়া ড্রেজারের পানির তোড়ে ভাঙনের কবলে পড়ছে জমি ও গাছপালা। উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবিসহ কারো ক্ষতি না করে পরিকল্পিতভাবে নদী খনন করে সরকারি খাসজমিতে বালি ফেলার দাবি জানান ভুক্তভুগী ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিক ও কৃষকেরা।