ঢাকা ১২:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস ২০২৬ : বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ বাংলাদেশে মর্যাদা ও অধিকার চাই নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়াতে জামালপুরে মিডিয়া ওরিয়েন্টেশন প্রতি ইউনিয়নে গড়ে তোলা হবে প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ইউনিট : প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক সহকারী গণমাধ্যম শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল শিশুদের স্কুলমুখী করতে মিড ডে মিল চালু করতে চাই : প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত নকলায় আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করলেন সংসদ সদস্য ফাহিম চৌধুরী প্রীতি ফুটবল ম্যাচে স্বপ্ননীড় একাদশ চ্যাম্পিয়ন জামালপুরে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সাথে শিশু সুরক্ষা বিষয়ক মতবিনিময় নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী

জয়রামপুরে ব্রহ্মপুত্র খননের বালি থেকে ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন

ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে মানববন্ধন। ছবি : মাহমুদুল হাসান মুক্তা

ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে মানববন্ধন। ছবি : মাহমুদুল হাসান মুক্তা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে ব্রহ্মপুত্র নদে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি থেকে জোর করে মাটিকাটা বন্ধ করা ও ফসলি জমিতে বালি ফেলা বন্ধসহ ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে জামালপুর সদরের শরিফপুর ইউনিয়নের জয়রামপুর এলাকার ভুক্তভুগী জমির মালিক ও কৃষকেরা। ২৬ অক্টোবর সকালে জয়রামপুরে ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে তারা।

মানববন্ধনে জমির মালিক মো. আনিছুর রহমান, কৃষক মোস্তফা কামাল, রাকিব হোসেন, মো. ফরিদ মিয়া, শাহাজাহান মিয়া, শিক্ষক আব্দুল বারীসহ আরও কয়েকজন ভুক্তভোগী জমির মালিক ও কৃষক বক্তব্য রাখেন।

ভুক্তভুগীরা তাদের বক্তব্যে বলেন, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে বিআইডাব্লিউটিএ এক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ইতোমধ্যে ৬০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ব্রহ্মপুত্র নদ খনন কাজ শুরু করেছে। গত একমাস ধরে জামালপুর সদরের জয়রামপুর এলাকায় খনন কাজ চলছে। প্রকল্প এলাকায় ড্রেজারে উত্তোলিত বালি স্থানীয় সরকারি খাস জমিতে রাখার কথা থাকলেও উত্তোলিত বালি অপরিকল্পিতভাবে কৃষকদের ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে বালি ফেলার কারণে জমির ফসল বালিচাপা পড়ে নষ্ট হচ্ছে।

তারা আরও বলেন, এসব জমিতে জয়রামপুর ও আশপাশের এলাকার শতাধিক কৃষক সারা বছর ধরে ধান, পেঁয়াজ, আলু, মিষ্টি কুমড়া, মরিচ, শশাসহ বিভিন্ন ফসল চাষাবাদ করে সংসার চালান। কিন্তু মনগড়াভাবে নদী খননের মাধ্যমে বালি তুলে এভাবে ফসলি জমির ওপর বালি ফেলার কারণে ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কৃষকদের পথেবসা ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না। এছাড়া ড্রেজারের পানির তোড়ে ভাঙনের কবলে পড়ছে জমি ও গাছপালা। উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবিসহ কারো ক্ষতি না করে পরিকল্পিতভাবে নদী খনন করে সরকারি খাসজমিতে বালি ফেলার দাবি জানান ভুক্তভুগী ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিক ও কৃষকেরা।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

জয়রামপুরে ব্রহ্মপুত্র খননের বালি থেকে ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় ১১:২৪:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০
ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে মানববন্ধন। ছবি : মাহমুদুল হাসান মুক্তা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে ব্রহ্মপুত্র নদে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি থেকে জোর করে মাটিকাটা বন্ধ করা ও ফসলি জমিতে বালি ফেলা বন্ধসহ ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে জামালপুর সদরের শরিফপুর ইউনিয়নের জয়রামপুর এলাকার ভুক্তভুগী জমির মালিক ও কৃষকেরা। ২৬ অক্টোবর সকালে জয়রামপুরে ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে তারা।

মানববন্ধনে জমির মালিক মো. আনিছুর রহমান, কৃষক মোস্তফা কামাল, রাকিব হোসেন, মো. ফরিদ মিয়া, শাহাজাহান মিয়া, শিক্ষক আব্দুল বারীসহ আরও কয়েকজন ভুক্তভোগী জমির মালিক ও কৃষক বক্তব্য রাখেন।

ভুক্তভুগীরা তাদের বক্তব্যে বলেন, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে বিআইডাব্লিউটিএ এক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ইতোমধ্যে ৬০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ব্রহ্মপুত্র নদ খনন কাজ শুরু করেছে। গত একমাস ধরে জামালপুর সদরের জয়রামপুর এলাকায় খনন কাজ চলছে। প্রকল্প এলাকায় ড্রেজারে উত্তোলিত বালি স্থানীয় সরকারি খাস জমিতে রাখার কথা থাকলেও উত্তোলিত বালি অপরিকল্পিতভাবে কৃষকদের ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে বালি ফেলার কারণে জমির ফসল বালিচাপা পড়ে নষ্ট হচ্ছে।

তারা আরও বলেন, এসব জমিতে জয়রামপুর ও আশপাশের এলাকার শতাধিক কৃষক সারা বছর ধরে ধান, পেঁয়াজ, আলু, মিষ্টি কুমড়া, মরিচ, শশাসহ বিভিন্ন ফসল চাষাবাদ করে সংসার চালান। কিন্তু মনগড়াভাবে নদী খননের মাধ্যমে বালি তুলে এভাবে ফসলি জমির ওপর বালি ফেলার কারণে ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কৃষকদের পথেবসা ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না। এছাড়া ড্রেজারের পানির তোড়ে ভাঙনের কবলে পড়ছে জমি ও গাছপালা। উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবিসহ কারো ক্ষতি না করে পরিকল্পিতভাবে নদী খনন করে সরকারি খাসজমিতে বালি ফেলার দাবি জানান ভুক্তভুগী ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিক ও কৃষকেরা।