ঢাকা ০৩:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কন্যাশিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক জনতার হাতে আটক যোগিরঘোপায় পানিবন্দি ২০০ পরিবার পেল বিএনপির ত্রাণ সহায়তা শেরপুরে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের কৃষি উপকরণ বিতরণ দেওয়ানগঞ্জে সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিডি ক্লিন প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ জামানত ছাড়াই ৫ কোটি টাকা ঋণ পাবে তরুণ উদ্যোক্তারা : প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এগিয়ে ইংল্যান্ড জেলা তথ্য কর্মকর্তাদের কার্যক্রমকে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হেফাজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ

জয়রামপুরে ব্রহ্মপুত্র খননের বালি থেকে ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন

ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে মানববন্ধন। ছবি : মাহমুদুল হাসান মুক্তা

ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে মানববন্ধন। ছবি : মাহমুদুল হাসান মুক্তা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে ব্রহ্মপুত্র নদে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি থেকে জোর করে মাটিকাটা বন্ধ করা ও ফসলি জমিতে বালি ফেলা বন্ধসহ ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে জামালপুর সদরের শরিফপুর ইউনিয়নের জয়রামপুর এলাকার ভুক্তভুগী জমির মালিক ও কৃষকেরা। ২৬ অক্টোবর সকালে জয়রামপুরে ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে তারা।

মানববন্ধনে জমির মালিক মো. আনিছুর রহমান, কৃষক মোস্তফা কামাল, রাকিব হোসেন, মো. ফরিদ মিয়া, শাহাজাহান মিয়া, শিক্ষক আব্দুল বারীসহ আরও কয়েকজন ভুক্তভোগী জমির মালিক ও কৃষক বক্তব্য রাখেন।

ভুক্তভুগীরা তাদের বক্তব্যে বলেন, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে বিআইডাব্লিউটিএ এক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ইতোমধ্যে ৬০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ব্রহ্মপুত্র নদ খনন কাজ শুরু করেছে। গত একমাস ধরে জামালপুর সদরের জয়রামপুর এলাকায় খনন কাজ চলছে। প্রকল্প এলাকায় ড্রেজারে উত্তোলিত বালি স্থানীয় সরকারি খাস জমিতে রাখার কথা থাকলেও উত্তোলিত বালি অপরিকল্পিতভাবে কৃষকদের ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে বালি ফেলার কারণে জমির ফসল বালিচাপা পড়ে নষ্ট হচ্ছে।

তারা আরও বলেন, এসব জমিতে জয়রামপুর ও আশপাশের এলাকার শতাধিক কৃষক সারা বছর ধরে ধান, পেঁয়াজ, আলু, মিষ্টি কুমড়া, মরিচ, শশাসহ বিভিন্ন ফসল চাষাবাদ করে সংসার চালান। কিন্তু মনগড়াভাবে নদী খননের মাধ্যমে বালি তুলে এভাবে ফসলি জমির ওপর বালি ফেলার কারণে ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কৃষকদের পথেবসা ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না। এছাড়া ড্রেজারের পানির তোড়ে ভাঙনের কবলে পড়ছে জমি ও গাছপালা। উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবিসহ কারো ক্ষতি না করে পরিকল্পিতভাবে নদী খনন করে সরকারি খাসজমিতে বালি ফেলার দাবি জানান ভুক্তভুগী ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিক ও কৃষকেরা।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

জয়রামপুরে ব্রহ্মপুত্র খননের বালি থেকে ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় ১১:২৪:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০
ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে মানববন্ধন। ছবি : মাহমুদুল হাসান মুক্তা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে ব্রহ্মপুত্র নদে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি থেকে জোর করে মাটিকাটা বন্ধ করা ও ফসলি জমিতে বালি ফেলা বন্ধসহ ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে জামালপুর সদরের শরিফপুর ইউনিয়নের জয়রামপুর এলাকার ভুক্তভুগী জমির মালিক ও কৃষকেরা। ২৬ অক্টোবর সকালে জয়রামপুরে ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে এ মানববন্ধনের আয়োজন করে তারা।

মানববন্ধনে জমির মালিক মো. আনিছুর রহমান, কৃষক মোস্তফা কামাল, রাকিব হোসেন, মো. ফরিদ মিয়া, শাহাজাহান মিয়া, শিক্ষক আব্দুল বারীসহ আরও কয়েকজন ভুক্তভোগী জমির মালিক ও কৃষক বক্তব্য রাখেন।

ভুক্তভুগীরা তাদের বক্তব্যে বলেন, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে বিআইডাব্লিউটিএ এক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ইতোমধ্যে ৬০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ব্রহ্মপুত্র নদ খনন কাজ শুরু করেছে। গত একমাস ধরে জামালপুর সদরের জয়রামপুর এলাকায় খনন কাজ চলছে। প্রকল্প এলাকায় ড্রেজারে উত্তোলিত বালি স্থানীয় সরকারি খাস জমিতে রাখার কথা থাকলেও উত্তোলিত বালি অপরিকল্পিতভাবে কৃষকদের ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে বালি ফেলার কারণে জমির ফসল বালিচাপা পড়ে নষ্ট হচ্ছে।

তারা আরও বলেন, এসব জমিতে জয়রামপুর ও আশপাশের এলাকার শতাধিক কৃষক সারা বছর ধরে ধান, পেঁয়াজ, আলু, মিষ্টি কুমড়া, মরিচ, শশাসহ বিভিন্ন ফসল চাষাবাদ করে সংসার চালান। কিন্তু মনগড়াভাবে নদী খননের মাধ্যমে বালি তুলে এভাবে ফসলি জমির ওপর বালি ফেলার কারণে ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কৃষকদের পথেবসা ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না। এছাড়া ড্রেজারের পানির তোড়ে ভাঙনের কবলে পড়ছে জমি ও গাছপালা। উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবিসহ কারো ক্ষতি না করে পরিকল্পিতভাবে নদী খনন করে সরকারি খাসজমিতে বালি ফেলার দাবি জানান ভুক্তভুগী ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিক ও কৃষকেরা।