ঢাকা ০৭:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বঙ্গভবনে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির কার্যক্রম শুরু কোনো শিশু স্কুলের বাইরে থাকবে না, প্রতিটি শিশুই শিখবে : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী র‌্যাবের অভিযান : দেওয়ানগঞ্জে ৪০ লাখ টাকার হেরোইনসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ঝাড়কাটা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় যেন ১১৯ বছরের আলোকবর্তিকা গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভিক্ষার চালেই চলে বৃদ্ধ দম্পতির সংসার, সড়কের পাশে ঝুপড়িতে মানবেতর জীবন বকশীগঞ্জে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা জামালপুরে ১০০ এতিম শিক্ষার্থী পেল দোস্ত এইডের শিক্ষাবৃত্তি সরকার কারিগরি শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে : ওয়ারেছ আলী মামুন

সরকার অপরাধে জড়িত কাউকে ছাড় দিচ্ছে না : প্রধানমন্ত্রী

শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১০ সেপ্টেম্বর সংসদে বলেছেন, সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমানের শুরু করা এবং তার স্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডের উত্তরাধিকার বন্ধে তার সরকার অপরাধে জড়িত কাউকে ছাড় দেবে না।

তিনি বলেন, ‘আপনারা বিচার-বহির্ভূত হত্যাকান্ডের কথা বলছেন। কিন্তু এটা কে শুরু করেছিল? এটি শুরু হয়েছিল জিয়াউর রহমানের আমলে। তখন আমাদের অনেক নেতাকর্মীর লাশ পাওয়া যায়নি এবং এরপরে, এটি (বিচারবহির্ভূত হত্যা) প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে (খালেদা জিয়ার আমলে)। আমরা এর ধারাবাহিকতা বন্ধ করার চেষ্টা করছি।’

তাঁর সরকার (এ জাতীয়) অপরাধের সাথে জড়িত কাউকে ছাড় দিচ্ছে না- উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কাউকে ছাড় দিচ্ছি না (বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ডে জড়িত) এবং আমরা কখনোই তা করবো না।’

একাদশ জাতীয় সংসদের নবম অধিবেশনে বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড ইস্যুতে তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমাপনী বক্তব্যে এ কথা বলেন।

১০ সেপ্টেম্বর সকালে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের নবম অধিবেশন শুরু হয়।

প্রধানমন্ত্রী আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সমালোচনা করার ক্ষেত্রে সকলকে বাস্তবববাদী ও গঠনমূলক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তারা মাদক, সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। মনে রাখতে হবে তারা (আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী) যেনো এ কাজে তাদের উদ্যম হারিয়ে না ফেলে।

তিনি বলেন, ‘একই সাথে আমাদেরও ভাবতে হবে যে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো তাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাদক, সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছে এবং তারা এ ক্ষেত্রে বিশাল সাফল্য অর্জন করেছে।’ তিনি সকলকে মনে করিয়ে দেন যে তাঁর সরকার কোনও (অপ্রত্যাশিত) ঘটনা ঘটলে কাউকে ছাড় দিচ্ছে না। তারা অন্যায়কারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমালোচনা ভাল তবে এটি মনে রাখা উচিত যে যারা জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করে চলেছেন এবং যে কোনো বিপদে মানুষ যাদের কাছে ছুটে আসছে তারা যেনো আগ্রহ হারিয়ে না ফেলে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় পুলিশ হেফাজতে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বুধবার ঢাকার একটি আদালত তিন পুলিশ সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত করেছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গভবনে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির কার্যক্রম শুরু

সরকার অপরাধে জড়িত কাউকে ছাড় দিচ্ছে না : প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:০৬:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২০
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১০ সেপ্টেম্বর সংসদে বলেছেন, সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমানের শুরু করা এবং তার স্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডের উত্তরাধিকার বন্ধে তার সরকার অপরাধে জড়িত কাউকে ছাড় দেবে না।

তিনি বলেন, ‘আপনারা বিচার-বহির্ভূত হত্যাকান্ডের কথা বলছেন। কিন্তু এটা কে শুরু করেছিল? এটি শুরু হয়েছিল জিয়াউর রহমানের আমলে। তখন আমাদের অনেক নেতাকর্মীর লাশ পাওয়া যায়নি এবং এরপরে, এটি (বিচারবহির্ভূত হত্যা) প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে (খালেদা জিয়ার আমলে)। আমরা এর ধারাবাহিকতা বন্ধ করার চেষ্টা করছি।’

তাঁর সরকার (এ জাতীয়) অপরাধের সাথে জড়িত কাউকে ছাড় দিচ্ছে না- উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কাউকে ছাড় দিচ্ছি না (বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ডে জড়িত) এবং আমরা কখনোই তা করবো না।’

একাদশ জাতীয় সংসদের নবম অধিবেশনে বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড ইস্যুতে তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমাপনী বক্তব্যে এ কথা বলেন।

১০ সেপ্টেম্বর সকালে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের নবম অধিবেশন শুরু হয়।

প্রধানমন্ত্রী আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সমালোচনা করার ক্ষেত্রে সকলকে বাস্তবববাদী ও গঠনমূলক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তারা মাদক, সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। মনে রাখতে হবে তারা (আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী) যেনো এ কাজে তাদের উদ্যম হারিয়ে না ফেলে।

তিনি বলেন, ‘একই সাথে আমাদেরও ভাবতে হবে যে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো তাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাদক, সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছে এবং তারা এ ক্ষেত্রে বিশাল সাফল্য অর্জন করেছে।’ তিনি সকলকে মনে করিয়ে দেন যে তাঁর সরকার কোনও (অপ্রত্যাশিত) ঘটনা ঘটলে কাউকে ছাড় দিচ্ছে না। তারা অন্যায়কারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমালোচনা ভাল তবে এটি মনে রাখা উচিত যে যারা জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করে চলেছেন এবং যে কোনো বিপদে মানুষ যাদের কাছে ছুটে আসছে তারা যেনো আগ্রহ হারিয়ে না ফেলে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় পুলিশ হেফাজতে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বুধবার ঢাকার একটি আদালত তিন পুলিশ সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত করেছে।