ঢাকা ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিজিবির অভিযান : দেওয়ানগঞ্জে ভারতীয় মদ উদ্ধার সরিষাবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজিম উদ্দিন আর নেই ইসলামপুরে যুবদল নেতাকে মামলায় ফাঁসানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন মাদারগঞ্জে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস উদযাপিত গ্যাস পুড়ছে দিনে প্রায় ৩ কোটি টাকার, উৎপাদনের খবর নেই যমুনায় ‘গুপ্ত বাহিনী’ ও ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচার হাত মিলিয়ে দেশে অরাজকতার চেষ্টা চালাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই : প্রধানমন্ত্রী ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বাড়িয়ে উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির জামালপুরে রেমিট্যান্স ব্যবস্থাপনা শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জে কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা বিতরণ উদ্বোধন

শুধু নামেই গভীর নলকূপ!

ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের ছোট গজনী এলাকায় বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে আদিবাসীদের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নির্মিত গভীর নলকূপটি (সাবমারসিবল) অকেজো হয়ে পড়ে আছে। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের ছোট গজনী এলাকায় বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে আদিবাসীদের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নির্মিত গভীর নলকূপটি (সাবমারসিবল) অকেজো হয়ে পড়ে আছে। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড়ের একমাত্র গভীর নলকূপটি দিয়ে পানি না উঠায় তা উপকারে আসছে না এলাকাবাসীর। উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের ছোট গজনী এলাকায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে আদিবাসীদের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ওই গভীর নলকূপটি (সাবমারসিবল) স্থাপন করা হয়। বর্তমানে বিশুদ্ধ খাবার পানির সন্ধানে ওই গ্রামের শতশত পরিবারকে দূরদুরান্ত ছুটতে হচ্ছে। স্থানীয়রা ওই নলকূপটিকে শুধু নামেই গভীর নলকূপ নামে আখ্যা দিয়েছেন।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্র জানায়, উপজেলার পাহাড়ি এলাকাগুলোতে বছরের শুরু থেকে মে মাস পর্যন্ত বিশুদ্ধ খাবার পানির তীব্র সংকট দেখা দেয়। তাই খাবার পানি সংকট নিরসনে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে আদিবাসীদের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ছোট গজনী এলাকায় একটি গভীর নলকূপ (সাবমারসিবল) স্থাপন করা হয়।

ছোট গজনী এলাকার আমরোস মারাক বলেন, নলকূপটি স্থাপনের চার থেকে পাঁচ দিন এর সুফল ভোগ করে এলাকাবাসী। এরপর থেকে তা অকেজো হয়ে পড়ে আছে। আজ পর্যন্ত ওই গভীর নলকূপটি মেরামতের উদ্যোগ নেয়া হয়নি।

স্থানীয় তরুণ সাংমা বলেন, গভীর নলকূপটি অকেজো থাকায় নিয়মিত বিশুদ্ধ খাবার পানির সন্ধানে গ্রামের শতশত পরিবারকে দূরদুরান্ত ছুটতে হচ্ছে। ওই নলকূপটি শুধু নামেই গভীর নলকূপ।

উপজেলা ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান নবেশ খকশি বলেন, ছোট গজনী এলাকার টিলা ও নামাপাড়া এলাকার বাসিন্দাদের পানি খাওয়ার জন্য সাবমারসিবল স্থাপন করা হয়। নলকূপটি নষ্ট হয়নি। স্থানীয় আমরোস মারাকের বাড়ির বৈদ্যুতিক মিটার থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ এনে সাবমারসিবলটি চালানো হয়। হঠাৎ বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়া তারগুলো চুরি হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে এটি বন্ধ আছে। তবে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে পুনরায় সাবমারসিবলটি চালু করা হবে বলে জানান এ আদিবাসী নেতা।

খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবেল মাহমুদ বলেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিজিবির অভিযান : দেওয়ানগঞ্জে ভারতীয় মদ উদ্ধার

শুধু নামেই গভীর নলকূপ!

আপডেট সময় ০৯:২২:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২০
ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের ছোট গজনী এলাকায় বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে আদিবাসীদের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নির্মিত গভীর নলকূপটি (সাবমারসিবল) অকেজো হয়ে পড়ে আছে। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড়ের একমাত্র গভীর নলকূপটি দিয়ে পানি না উঠায় তা উপকারে আসছে না এলাকাবাসীর। উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের ছোট গজনী এলাকায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে আদিবাসীদের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ওই গভীর নলকূপটি (সাবমারসিবল) স্থাপন করা হয়। বর্তমানে বিশুদ্ধ খাবার পানির সন্ধানে ওই গ্রামের শতশত পরিবারকে দূরদুরান্ত ছুটতে হচ্ছে। স্থানীয়রা ওই নলকূপটিকে শুধু নামেই গভীর নলকূপ নামে আখ্যা দিয়েছেন।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্র জানায়, উপজেলার পাহাড়ি এলাকাগুলোতে বছরের শুরু থেকে মে মাস পর্যন্ত বিশুদ্ধ খাবার পানির তীব্র সংকট দেখা দেয়। তাই খাবার পানি সংকট নিরসনে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে আদিবাসীদের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ছোট গজনী এলাকায় একটি গভীর নলকূপ (সাবমারসিবল) স্থাপন করা হয়।

ছোট গজনী এলাকার আমরোস মারাক বলেন, নলকূপটি স্থাপনের চার থেকে পাঁচ দিন এর সুফল ভোগ করে এলাকাবাসী। এরপর থেকে তা অকেজো হয়ে পড়ে আছে। আজ পর্যন্ত ওই গভীর নলকূপটি মেরামতের উদ্যোগ নেয়া হয়নি।

স্থানীয় তরুণ সাংমা বলেন, গভীর নলকূপটি অকেজো থাকায় নিয়মিত বিশুদ্ধ খাবার পানির সন্ধানে গ্রামের শতশত পরিবারকে দূরদুরান্ত ছুটতে হচ্ছে। ওই নলকূপটি শুধু নামেই গভীর নলকূপ।

উপজেলা ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান নবেশ খকশি বলেন, ছোট গজনী এলাকার টিলা ও নামাপাড়া এলাকার বাসিন্দাদের পানি খাওয়ার জন্য সাবমারসিবল স্থাপন করা হয়। নলকূপটি নষ্ট হয়নি। স্থানীয় আমরোস মারাকের বাড়ির বৈদ্যুতিক মিটার থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ এনে সাবমারসিবলটি চালানো হয়। হঠাৎ বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়া তারগুলো চুরি হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে এটি বন্ধ আছে। তবে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে পুনরায় সাবমারসিবলটি চালু করা হবে বলে জানান এ আদিবাসী নেতা।

খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবেল মাহমুদ বলেন।