
সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠিডটকম
শেরপুরে অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত হয়ে একই স্কুলের ছয় ছাত্রী জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। ৮ মার্চ দুপুরে সদর উপজেলার চরশেরপুর কবি নজরুল একাডেমিতে স্কুল চলাকালীন সময়ে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। অন্যদিকে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অসুস্থদের রোগ নির্ণয় করতে পারেনি চিকিৎসকরা।
শিক্ষার্থী আসিয়া, রাজুু, স্বপ্না ও রেজাউল জানায়, দুপুরে এসেম্বলির পর স্কুল চলাকালীন সময়ে হঠাৎ করেই নবম শ্রেণির একজন ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাকে পাশেই এক শিক্ষকের বাসায় রাখা হয়। পরে দশ মিনিটের ব্যবধানে ষষ্ঠ শ্রেণির একজন ও অষ্টম শ্রেণির চার ছাত্রী অজ্ঞান হয়ে পড়ে। এতে স্কুলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে অসুস্থদের দ্রুত জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
কবি নজরুল একাডেমির পরিচালক রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রথমে এক ছাত্রীর অসুস্থতার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। এর কিছুক্ষণ পর আরো কয়েকজন ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাদের মাথায় পানি ঢালা হয়। পরবর্তীতে সবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে প্রত্যেককে জেলা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়।

২ নম্বর চরশেরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন সুরুজ বলেন, আমি হাসপাতালে নিজে দাঁড়িয়ে থেকে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর খোঁজ খবর নিয়েছি। এক পর্যায়ে এ বিষয়ে জানতে ডাক্তারদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান এটা এক ধরনের হিস্ট্রেরিয়া রোগ, এ রোগে একজন আক্রান্ত হলে তার দেখাদেখি আরো আশিজন পর্যন্ত আক্রান্ত হতে পারে।
শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা খায়রুল কবির সুমন বলেন, যেসব ছাত্রী এখানে ভর্তি হয়েছে কেউ মাথা ব্যথা, কেউ বুকে ব্যথা নিয়ে ভর্তি হয়েছে। তাদের সবাইকেই প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তারা অনেকেই এখন কিছুটা সুস্থতা বোধ করছে। পরে তাদের সাথে কথা বলে বিস্তারিত জানা যাবে। তিনি জানান অসুস্থ হয়ে পড়া শিক্ষার্র্থীদের যেহেতু হাঁচি, কাশি বা জ্বর নেই সেহেতু রোগ সম্পর্কে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না।
বাংলার চিঠি ডেস্ক : 









