ঢাকা ১০:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি ও জনআস্থা সমুন্নত রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে গড়ে উঠুক আগামীর বাংলাদেশ : শিক্ষামন্ত্রী মাদারগঞ্জে সেচ পাম্পে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গিয়ে কৃষকের মৃত্যু মহানবী (সা.) এর আদর্শে শান্তি-সম্প্রীতির সমাজ গড়ার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই : ত্রাণমন্ত্রী জামালপুরে জশনে জুলুসে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (দ.) উদযাপিত প্রাণিসম্পদ পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বকশীগঞ্জে বসতভিটা দখলের চেষ্টাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন জামালপুরে বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে শিক্ষকদের সমন্বয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

অনুমতি ছাড়া বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল নয় : ওবায়দুল কাদের

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাষ্ট্রের পূর্ব অনুমতি ছাড়া মুজিববর্ষে অতিউৎসাহী হয়ে যেখানে সেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল স্থাপন করা যাবে না।

কাদের ৫ মার্চ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ঢাকার পাশ্ববর্তী জেলা ও মহানগরের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মুজিববর্ষ উদযাপনে কর্মসূচি পালনের নামে কোনো প্রকার বাড়াবাড়ি না করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন। সকলকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, ম্যুরাল করা একটা ফ্যাশন হয়ে গেছে। মুজিববর্ষের ব্যানারে নেতাকর্মীদের নিজেদের ছবি ব্যবহার থেকে বিরত থাকারও নির্দেশ দেন তিনি।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ বড় দল, ছোট-খাটো সমস্যা থাকবে। মুজিববর্ষে আমাদের সুদৃঢ় ঐক্য বজায় রাখতে হবে। কোনো অবস্থায় দলের মধ্যে কোনো কলহ-কোন্দল, আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়া যাবে না। মনে রাখবেন নিজেরা যদি নিজেদের শত্রু হন, তাহলে আপনাদের ক্ষতি করার জন্য বাইরের শক্তির প্রয়োজন হবে না।

উপস্থিত নেতাকর্মীদের সতর্ক করে তিনি বলেন, দেশে একটা মহল আছে, যে মহলটি বঙ্গবন্ধুকে সহ্য করতে পারে না। এই মহলটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতকারী শক্তি।

কাদের বলেন, এই শক্তি বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পুরস্কৃত করেছিলো, পুনর্বাসন করেছিলো। এরা বিজয় দিবসে বঙ্গবন্ধুকে নিষিদ্ধ করেছিলো। স্বাধীনতা দিবসে জাতির পিতাকে নিষিদ্ধ করেছিলো। বিশ্ব স্বীকৃত ৭ মার্চের সেই ভাষণকে তারা নিষিদ্ধ করেছিলো। তারা ১৫ আগস্টের ষড়যন্ত্রই নয়, ইতিহাসের অনেক কলঙ্কিত অধ্যায়ের নায়ক। এদের বিষয়ে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।

এ সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।সূত্র:বাসস।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি

অনুমতি ছাড়া বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল নয় : ওবায়দুল কাদের

আপডেট সময় ০৯:২১:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২০
সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাষ্ট্রের পূর্ব অনুমতি ছাড়া মুজিববর্ষে অতিউৎসাহী হয়ে যেখানে সেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল স্থাপন করা যাবে না।

কাদের ৫ মার্চ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ঢাকার পাশ্ববর্তী জেলা ও মহানগরের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মুজিববর্ষ উদযাপনে কর্মসূচি পালনের নামে কোনো প্রকার বাড়াবাড়ি না করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন। সকলকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, ম্যুরাল করা একটা ফ্যাশন হয়ে গেছে। মুজিববর্ষের ব্যানারে নেতাকর্মীদের নিজেদের ছবি ব্যবহার থেকে বিরত থাকারও নির্দেশ দেন তিনি।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ বড় দল, ছোট-খাটো সমস্যা থাকবে। মুজিববর্ষে আমাদের সুদৃঢ় ঐক্য বজায় রাখতে হবে। কোনো অবস্থায় দলের মধ্যে কোনো কলহ-কোন্দল, আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়া যাবে না। মনে রাখবেন নিজেরা যদি নিজেদের শত্রু হন, তাহলে আপনাদের ক্ষতি করার জন্য বাইরের শক্তির প্রয়োজন হবে না।

উপস্থিত নেতাকর্মীদের সতর্ক করে তিনি বলেন, দেশে একটা মহল আছে, যে মহলটি বঙ্গবন্ধুকে সহ্য করতে পারে না। এই মহলটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতকারী শক্তি।

কাদের বলেন, এই শক্তি বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পুরস্কৃত করেছিলো, পুনর্বাসন করেছিলো। এরা বিজয় দিবসে বঙ্গবন্ধুকে নিষিদ্ধ করেছিলো। স্বাধীনতা দিবসে জাতির পিতাকে নিষিদ্ধ করেছিলো। বিশ্ব স্বীকৃত ৭ মার্চের সেই ভাষণকে তারা নিষিদ্ধ করেছিলো। তারা ১৫ আগস্টের ষড়যন্ত্রই নয়, ইতিহাসের অনেক কলঙ্কিত অধ্যায়ের নায়ক। এদের বিষয়ে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।

এ সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।সূত্র:বাসস।