ঢাকা ১১:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে ১২৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান বকশীগঞ্জে বৃদ্ধা নুরেদার ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা সড়ক দুর্ঘটনায় ওমর সানি নিহত বিএনপিনেতা শাহ্ মাসুদের গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ শেরপুরে মানবাধিকার সংগঠন ‘আমাদের আইন’ এর ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে বিএনপি সরকার : মন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত মাদারগঞ্জে শতদল ও স্বদেশ সমবায় সমিতির ৬ কোটি ১০ লাখ টাকার জমির দলিল হস্তান্তর বিদ্যুতের নামে শুধু প্ল্যান্ট করেছে আওয়ামী লীগ : বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী বিএনপিনেতা ফিরোজ মিয়া’র উদ্যােগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত পিংনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

নকলা বিহাড়ী নদী দখলমুক্ত করতে অভিযান

শফিউল আলম লাভলু, নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরের নকলা উপজেলার গণপদ্দী ইউনিয়নের বিহাড়ীপাড় এলাকায় বিহাড়ী নদীটির কিছু অংশ স্থানীয়রা বেদখল করে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করে আসছিল দীর্ঘদিন ধরে। এ নদীকে বেদখলমুক্ত করতে ইতিপূর্ব জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেছিলেন স্থানীরা। অবশেষে ৫ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায় এ নদীর দখলমুক্ত করতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন অভিযান শুরু করেছে।

এ অভিযানে নদীটির প্রায় ৬ একর জমি দখলমুক্ত করা হয়েছে। অভিযানটির নেতৃত্ব দেন শেরপুরের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী হাকিম মো. আশরাফুল আলম রাসেল। এ সময় জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে নদীটির অবৈধ দখলদার মুক্ত করতে চলা অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সেই সাথে নদীটি সম্পূর্ণভাবে দখলমুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

আপলোডকারীর তথ্য

মাদারগঞ্জে ১২৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান

নকলা বিহাড়ী নদী দখলমুক্ত করতে অভিযান

আপডেট সময় ০৭:৩১:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০

শফিউল আলম লাভলু, নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরের নকলা উপজেলার গণপদ্দী ইউনিয়নের বিহাড়ীপাড় এলাকায় বিহাড়ী নদীটির কিছু অংশ স্থানীয়রা বেদখল করে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করে আসছিল দীর্ঘদিন ধরে। এ নদীকে বেদখলমুক্ত করতে ইতিপূর্ব জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেছিলেন স্থানীরা। অবশেষে ৫ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায় এ নদীর দখলমুক্ত করতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন অভিযান শুরু করেছে।

এ অভিযানে নদীটির প্রায় ৬ একর জমি দখলমুক্ত করা হয়েছে। অভিযানটির নেতৃত্ব দেন শেরপুরের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী হাকিম মো. আশরাফুল আলম রাসেল। এ সময় জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে নদীটির অবৈধ দখলদার মুক্ত করতে চলা অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সেই সাথে নদীটি সম্পূর্ণভাবে দখলমুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।