ঢাকা ০৪:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিজিবির অভিযান : দেওয়ানগঞ্জে ভারতীয় মদ উদ্ধার সরিষাবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজিম উদ্দিন আর নেই ইসলামপুরে যুবদল নেতাকে মামলায় ফাঁসানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন মাদারগঞ্জে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস উদযাপিত গ্যাস পুড়ছে দিনে প্রায় ৩ কোটি টাকার, উৎপাদনের খবর নেই যমুনায় ‘গুপ্ত বাহিনী’ ও ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচার হাত মিলিয়ে দেশে অরাজকতার চেষ্টা চালাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই : প্রধানমন্ত্রী ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বাড়িয়ে উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির জামালপুরে রেমিট্যান্স ব্যবস্থাপনা শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জে কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা বিতরণ উদ্বোধন

নকলা বিহাড়ী নদী দখলমুক্ত করতে অভিযান

শফিউল আলম লাভলু, নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরের নকলা উপজেলার গণপদ্দী ইউনিয়নের বিহাড়ীপাড় এলাকায় বিহাড়ী নদীটির কিছু অংশ স্থানীয়রা বেদখল করে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করে আসছিল দীর্ঘদিন ধরে। এ নদীকে বেদখলমুক্ত করতে ইতিপূর্ব জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেছিলেন স্থানীরা। অবশেষে ৫ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায় এ নদীর দখলমুক্ত করতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন অভিযান শুরু করেছে।

এ অভিযানে নদীটির প্রায় ৬ একর জমি দখলমুক্ত করা হয়েছে। অভিযানটির নেতৃত্ব দেন শেরপুরের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী হাকিম মো. আশরাফুল আলম রাসেল। এ সময় জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে নদীটির অবৈধ দখলদার মুক্ত করতে চলা অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সেই সাথে নদীটি সম্পূর্ণভাবে দখলমুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিজিবির অভিযান : দেওয়ানগঞ্জে ভারতীয় মদ উদ্ধার

নকলা বিহাড়ী নদী দখলমুক্ত করতে অভিযান

আপডেট সময় ০৭:৩১:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০

শফিউল আলম লাভলু, নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরের নকলা উপজেলার গণপদ্দী ইউনিয়নের বিহাড়ীপাড় এলাকায় বিহাড়ী নদীটির কিছু অংশ স্থানীয়রা বেদখল করে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করে আসছিল দীর্ঘদিন ধরে। এ নদীকে বেদখলমুক্ত করতে ইতিপূর্ব জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেছিলেন স্থানীরা। অবশেষে ৫ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায় এ নদীর দখলমুক্ত করতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন অভিযান শুরু করেছে।

এ অভিযানে নদীটির প্রায় ৬ একর জমি দখলমুক্ত করা হয়েছে। অভিযানটির নেতৃত্ব দেন শেরপুরের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী হাকিম মো. আশরাফুল আলম রাসেল। এ সময় জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে নদীটির অবৈধ দখলদার মুক্ত করতে চলা অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সেই সাথে নদীটি সম্পূর্ণভাবে দখলমুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।