ঢাকা ১২:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালপুরে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত জামালপুরে প্রয়াত বিএনপি নেতা সাইদুর রহমান খোকা স্মরণে দোয়া মাহফিল গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রায়ে ইউপি সদস্যসহ ৭ জনকে মৃত্যুদন্ড বকশীগঞ্জে অপপ্রচার রোধে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সরিষাবাড়ীতে মৃত দুই গ্রাহকের নমিনির হাতে বীমা দাবির চেক হস্তান্তর মাদারগঞ্জে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত সরিষাবাড়ীতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত উদ্ধার হলো খাস জমি, বন্ধ রাস্তা খুলে দেওয়ায় স্বস্তি নকলায় মাদক, দুর্নীতি ও বাল্যবিবাহ বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন সরকারের পবিত্র দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী

নকলায় ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদনে আশার আলো দেখছেন কৃষকরা

ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদনে আশার আলো দেখছেন নকলার কৃষকরা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদনে আশার আলো দেখছেন নকলার কৃষকরা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

শফিউল আলম লাভলু, নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরের নকলা উপজেলায় রাসায়নিক সার ব্যবহারের ফলে ফসলের জমি ক্রমেই হারিয়ে ফেলছে তার প্রাকৃতিক শক্তি। এতে করে যেমন ফসল ফলাতে গিয়ে কৃষকদের বাড়তি রাসায়নিক সারের উপর নির্ভর করতে হচ্ছে, তেমনি দিনের পর দিন বাড়ছে খরচ।

উপরে টিনের ছাউনি আর নিচে বেড়া দিয়ে তৈরি করা একটি ঘরের মধ্যে পাশাপাশি মাটির চাড়িতে ১৫ কেজি গবর সার ও ২০০ গ্রাম করে অস্ট্রেলিয়া জাতের কেঁচো দেওয়া আছে। কেঁচোগুলো গোবর খেয়ে ফেলে। এরপর তারা যে মল পরিত্যাগ করে, সেগুলোই পরের ১৫ দিনের মধ্যে ভার্মি কম্পোস্ট সারে পরিণত হয়। কৃষকদের প্রশিক্ষণ থেকে শুরু করে কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও সরকারিভাবে কৃষকদের প্রণোদনা দেওয়ায় এ উপজেলার কৃষিখাতে এসেছে অভাবনীয় সাফল্য।

এই অবস্থায় জমির উর্বরতা ফিরিয়ে আনতে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বিকল্প উপায় খুঁজতে গিয়ে ভার্মি কম্পোস্ট সারের পরামর্শ দিচ্ছেন কৃষকদের। ফলে একদিকে যেমন কৃষিতে জৈব সারের ব্যবহার বেড়েছে। তেমনি কৃষকরা আর্থিকভাবেও লাভবান হচ্ছেন। এ সার উৎপাদনে উপজেলার চন্দ্রকোনা, বাছুর আগলা, বানেশ্বর্দী, মোজার, চরকৈয়াসহ বিভিন্ন গ্রামের শতাধীক কৃষকদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছেন বলে জানালেন স্থানীয় কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পরেশ চন্দ্র দাস জানান, বর্তমানে ভার্মি কম্পোস্ট সার তৈরি ও বিক্রি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে নকলায়। এটি তৈরি করেই বছরে লাখ লাখ টাকা আয় করতে পারবেন কৃষকরা। আবার ফসলে রাসায়নিক সারের ব্যবহারও কমে যাবে কয়েকগুন। এক সময় হয়তো এ উপজেলায় আর রাসায়নিক সারের প্রয়োজনই হবে না। যদি কৃষকদের মাঝে এটি সঠিকভাবে ছড়িয়ে দেওয়া যায়, তাহলে শুধু ভার্মি কম্পোস্ট সার ব্যবহার করেই সব ধরনের ফসল উৎপাদন করতে পারবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত

নকলায় ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদনে আশার আলো দেখছেন কৃষকরা

আপডেট সময় ১১:০৯:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অগাস্ট ২০১৯
ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদনে আশার আলো দেখছেন নকলার কৃষকরা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

শফিউল আলম লাভলু, নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

শেরপুরের নকলা উপজেলায় রাসায়নিক সার ব্যবহারের ফলে ফসলের জমি ক্রমেই হারিয়ে ফেলছে তার প্রাকৃতিক শক্তি। এতে করে যেমন ফসল ফলাতে গিয়ে কৃষকদের বাড়তি রাসায়নিক সারের উপর নির্ভর করতে হচ্ছে, তেমনি দিনের পর দিন বাড়ছে খরচ।

উপরে টিনের ছাউনি আর নিচে বেড়া দিয়ে তৈরি করা একটি ঘরের মধ্যে পাশাপাশি মাটির চাড়িতে ১৫ কেজি গবর সার ও ২০০ গ্রাম করে অস্ট্রেলিয়া জাতের কেঁচো দেওয়া আছে। কেঁচোগুলো গোবর খেয়ে ফেলে। এরপর তারা যে মল পরিত্যাগ করে, সেগুলোই পরের ১৫ দিনের মধ্যে ভার্মি কম্পোস্ট সারে পরিণত হয়। কৃষকদের প্রশিক্ষণ থেকে শুরু করে কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও সরকারিভাবে কৃষকদের প্রণোদনা দেওয়ায় এ উপজেলার কৃষিখাতে এসেছে অভাবনীয় সাফল্য।

এই অবস্থায় জমির উর্বরতা ফিরিয়ে আনতে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বিকল্প উপায় খুঁজতে গিয়ে ভার্মি কম্পোস্ট সারের পরামর্শ দিচ্ছেন কৃষকদের। ফলে একদিকে যেমন কৃষিতে জৈব সারের ব্যবহার বেড়েছে। তেমনি কৃষকরা আর্থিকভাবেও লাভবান হচ্ছেন। এ সার উৎপাদনে উপজেলার চন্দ্রকোনা, বাছুর আগলা, বানেশ্বর্দী, মোজার, চরকৈয়াসহ বিভিন্ন গ্রামের শতাধীক কৃষকদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছেন বলে জানালেন স্থানীয় কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পরেশ চন্দ্র দাস জানান, বর্তমানে ভার্মি কম্পোস্ট সার তৈরি ও বিক্রি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে নকলায়। এটি তৈরি করেই বছরে লাখ লাখ টাকা আয় করতে পারবেন কৃষকরা। আবার ফসলে রাসায়নিক সারের ব্যবহারও কমে যাবে কয়েকগুন। এক সময় হয়তো এ উপজেলায় আর রাসায়নিক সারের প্রয়োজনই হবে না। যদি কৃষকদের মাঝে এটি সঠিকভাবে ছড়িয়ে দেওয়া যায়, তাহলে শুধু ভার্মি কম্পোস্ট সার ব্যবহার করেই সব ধরনের ফসল উৎপাদন করতে পারবে।