ঢাকা ০১:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কৃষকদের ৫ বছরের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ চালিত পানির পাম্প দেওয়া হবে : প্রধানমন্ত্রী বকশীগঞ্জে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে শিক্ষার্থীর মৃত্যু নকলায় পাখি শিকার বন্ধে বিশেষ অভিযান নকলায় নির্ধারিত দামে সার বিক্রির নির্দেশ উপ-পরিচালকের আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস : মাদারগঞ্জে শোভাযাত্রা আলোচনা সভা নকলায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আগুন, ততক্ষণে পুড়ে ছাই সবকিছু শেরপুরে পূবালী ব্যাংকের ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং বুথ উদ্বোধন ৩৫ বিজিবির অভিযান : ভারতীয় মদ, কসমেটিকস পণ্য উদ্ধার একদিকে নদীভাঙন প্রতিরোধ : অন্যদিকে ড্রেজার বসিয়ে বালু লুট : এলাকাবাসীর চরম ক্ষোভ মাদারগঞ্জে ১২৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান

লটকন চাষে লাভের মুখ দেখছেন নকলার কৃষকরা

নকলার লটকন চাষী শফিকুল ইসলাম। ছবি : বাংলারচিঠিডকম

নকলার লটকন চাষী শফিকুল ইসলাম। ছবি : বাংলারচিঠিডকম

শফিউল আলম লাভলু, নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

লটকন চাষে লাভের মুখ দেখছেন শেরপুরের নকলা উপজেলার কৃষকরা। ফলটি পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ হওয়ায় দিনদিন বাজারে ফলটির চাহিদা বাড়ায় লটকন চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকদের। মুখরোচক ফল হিসেবে সুপরিচিত লটকন। ভিটামিন সি, ডি ও কার্বোহাইড্রেডযুক্ত ফলটি পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ হওয়ায় বর্তমান বাজারে বেড়েছে এর চাহিদা। কম খরচে অল্প জমিতে এর ভাল ফলন হওয়ায় চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকদের।

এ বছর উপজেলায় চলতি মৌসুমে ৩০ হেক্টর জমিতে লটকনের বাম্পার ফলন হয়েছে। এই ফল চাষের শুরুতে গাছের চারা ক্রয় ও রোপণ খরচ ছাড়া আর কোনো খরচ নেই। তেমন কোনো পরিচর্যাও করতে হয় না। এই ফলের গাছ বেলে বা বেলে-দোআঁশ মাটিতে তথা পরিত্যক্ত জমিতে বেড়ে উঠতে পারে।

হালফাটা, বুবি, লটকাসহ বিভিন্ন নামে পরিচিত এই ফলটি। বিগত দশ পনের বছর আগে শুধু বসতবাড়ির আঙিনায় লটকনের আবাদ হলেও বর্তমানে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ফলটি চাষ হচ্ছে। ফলন ভাল হওয়ায় বেশ খুশি এই অঞ্চলের কৃষকরা।

বর্তমানে আগাম জাতের কিছু লটকন বাজারে উঠতে শুরু করেছে। যার খুচরা মূল্য প্রতিমণ ৪ থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা, পাইকারি মূল্য ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা। ছায়াযুক্ত স্থানে লটকন চাষ করে স্বাবলম্বী চাষিরা।

লটকন চাষী শরিফুল ইসলাম জানান, গেল বছর তার ৭০ শতাংশ জমিতে ১২০টি লটকন গাছের ফল অগ্রিম ২ লাখ ২০ হাজার হাজার টাকায় এবং এ বছর ২ লাখ ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পরেশ চন্দ্র দাস বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, বাড়ির আঙিনায় এবং যেকোনো কাঠ বা ফলের বাগানেও লটকন চাষ করা সম্ভব। ছায়াযুক্ত স্থানের লটকন মিষ্টি বেশি হয়। তাই এটা চাষ করতে বাড়তি জমির দরকার হয় না। তা ছাড়া ঝুঁকিমুক্ত এই ফলের আবাদ বাড়াতে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলে জানালেন উপজেলা কৃষি বিভাগের এই কর্মকর্তা।

আপলোডকারীর তথ্য

কৃষকদের ৫ বছরের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ চালিত পানির পাম্প দেওয়া হবে : প্রধানমন্ত্রী

লটকন চাষে লাভের মুখ দেখছেন নকলার কৃষকরা

আপডেট সময় ০৮:২৩:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুলাই ২০১৯
নকলার লটকন চাষী শফিকুল ইসলাম। ছবি : বাংলারচিঠিডকম

শফিউল আলম লাভলু, নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

লটকন চাষে লাভের মুখ দেখছেন শেরপুরের নকলা উপজেলার কৃষকরা। ফলটি পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ হওয়ায় দিনদিন বাজারে ফলটির চাহিদা বাড়ায় লটকন চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকদের। মুখরোচক ফল হিসেবে সুপরিচিত লটকন। ভিটামিন সি, ডি ও কার্বোহাইড্রেডযুক্ত ফলটি পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ হওয়ায় বর্তমান বাজারে বেড়েছে এর চাহিদা। কম খরচে অল্প জমিতে এর ভাল ফলন হওয়ায় চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকদের।

এ বছর উপজেলায় চলতি মৌসুমে ৩০ হেক্টর জমিতে লটকনের বাম্পার ফলন হয়েছে। এই ফল চাষের শুরুতে গাছের চারা ক্রয় ও রোপণ খরচ ছাড়া আর কোনো খরচ নেই। তেমন কোনো পরিচর্যাও করতে হয় না। এই ফলের গাছ বেলে বা বেলে-দোআঁশ মাটিতে তথা পরিত্যক্ত জমিতে বেড়ে উঠতে পারে।

হালফাটা, বুবি, লটকাসহ বিভিন্ন নামে পরিচিত এই ফলটি। বিগত দশ পনের বছর আগে শুধু বসতবাড়ির আঙিনায় লটকনের আবাদ হলেও বর্তমানে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ফলটি চাষ হচ্ছে। ফলন ভাল হওয়ায় বেশ খুশি এই অঞ্চলের কৃষকরা।

বর্তমানে আগাম জাতের কিছু লটকন বাজারে উঠতে শুরু করেছে। যার খুচরা মূল্য প্রতিমণ ৪ থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা, পাইকারি মূল্য ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা। ছায়াযুক্ত স্থানে লটকন চাষ করে স্বাবলম্বী চাষিরা।

লটকন চাষী শরিফুল ইসলাম জানান, গেল বছর তার ৭০ শতাংশ জমিতে ১২০টি লটকন গাছের ফল অগ্রিম ২ লাখ ২০ হাজার হাজার টাকায় এবং এ বছর ২ লাখ ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পরেশ চন্দ্র দাস বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, বাড়ির আঙিনায় এবং যেকোনো কাঠ বা ফলের বাগানেও লটকন চাষ করা সম্ভব। ছায়াযুক্ত স্থানের লটকন মিষ্টি বেশি হয়। তাই এটা চাষ করতে বাড়তি জমির দরকার হয় না। তা ছাড়া ঝুঁকিমুক্ত এই ফলের আবাদ বাড়াতে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলে জানালেন উপজেলা কৃষি বিভাগের এই কর্মকর্তা।